গাজীপুরে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ
Why this classification
This is a valid recent incident: workers protesting a worker's death blocked a road, clashed with police in a chase and counter-chase, and police fired tear shells to disperse them. The article also reports factory vandalism earlier in the week, which supports the violent nature of the unrest.
Killed
0
Injured
0
Summary
গাজীপুরের শ্রীপুরে কালার কো লিমিটেডের নারী শ্রমিক লিজা আক্তারের মৃত্যুর বিচার চেয়ে শনিবার (২৭ জুন) সকালে শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং শ্রমিক-পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হন, এর আগে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের সময় আশপাশের একাধিক কারখানায় ভাঙচুর চালানো হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
গাজীপুরে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ
গাজীপুরের শ্রীপুরে কালার কো লিমিটেড কারখানায় লিজা আক্তার নামে এক নারী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিচার চেয়ে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকরা। এ সময় বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে শ্রমিক-পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাধ্য হয়ে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন তেলিহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল আলম বলেন, শনিবার সকালে তেলিহাটি এলাকায় কালার কো লিমিটেডের শ্রমিকেরা কারখানার সামনে অবস্থান করেন। এক পর্যায়ে তারা নিহত শ্রমিকের মৃত্যুর বিচারের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করতে থাকেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা একটি আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাধ্য হয়ে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। তিনি আরও বলেন, শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় বৃহস্পতিবার এই এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। বেশ কিছু কারখানায় এই সূত্র ধরে ভাঙচুর চালানো হয়। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, শ্রীপুরে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় আজও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করছেন। তারা সড়ক অবরোধের পাশাপাশি কারখানায় হামলার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পরিস্থিতি খারাপ হলে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। বর্তমানে ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কারখানায় শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত চলছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা চলমান। প্রসঙ্গত, বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাতে শ্রীপুরের তেলিহাটি এলাকায় অবস্থিত কালার কো লিমিটেড কারখানায় অসুস্থ এক নারী শ্রমিককে ছুটি না দিয়ে জোরপূর্বক কাজ করানোয় তার মৃত্যু হয়- এমন অভিযোগে পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভের একপর্যায়ে শ্রমিকরা আশপাশের একাধিক কারখানা ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে চারটি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আশিকুর রহমান /এএমকে
