জবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ১২
Why this classification
A physical attack with sticks and stamps on journalists at the Jagannath University journalists' association office left at least 12 people injured on 5 March 2026. The victims allege that Shibir leaders led the attack after they asked why their names were excluded from the voter list, and this is a concrete, recent violent incident.
Killed
0
Injured
12
Summary
৫ মার্চ ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে ভোটার তালিকায় নাম না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের ওপর লাঠি ও স্ট্যাম্প দিয়ে হামলা চালানো হয়, যাতে অন্তত ১২ জন আহত হন। আহতদের অভিযোগ, ছাত্রশিবির ও জকসু নেতাদের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 12
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
জবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ১২
জবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ১২ ফাইল ছবি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬ | ২১:১৭ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করতে গিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি একেএম রাকিবও আহত হন। অভিযোগ উঠেছে, হামলাটি ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন— জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি একেএম রাকিব, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) জবি প্রতিনিধি মাহামুদুর রহমান নাজিদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের জবি প্রতিনিধি মিলন হোসেন, জনকণ্ঠের জবি প্রতিনিধি ওমর ফারুক, যায়যায়দিনের জবি প্রতিনিধি মিজান উদ্দিন মাসুদ, প্রথম আলোর জবি প্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন, দৈনিক বর্তমানের জবি প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম, তরুণকণ্ঠের জবি প্রতিনিধি আবিদ হাসান বাঁধন, ব্রেকিং নিউজ ডটকমের প্রতিনিধি ইয়াসিন সাইফ, বাংলাদেশ গার্ডিয়ানের হাবিবুর রহমান, রূপালী বাংলাদেশের নাফিজ উদ্দিন এবং রেডিও টুডের আবুল হাসনাত। আহত সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনের ভোটার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ বিষয়ে জানতে তারা সমিতির কার্যালয়ে গেলে সেখানে শিবির ও জকসু প্রতিনিধিরা অবস্থান করছিলেন এবং নির্বাচনের মনোনয়ন ফর্ম বিক্রি করছিলেন। সাংবাদিকদের অভিযোগ, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে শিবিরের জকসু নেতৃবৃন্দ ও তাদের সমর্থিত কিছু ব্যক্তি হঠাৎ লাঠি ও স্ট্যাম্প দিয়ে হামলা চালায়। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন। আহতরা আরও দাবি করেন, সম্পূরক বৃত্তি ইস্যুতে জকসুর ব্যর্থতা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় সেই সাংবাদিকদের লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর শিবিরের সাবেক ও বর্তমান নেতারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন আয়োজন করেন। এতে তাদের সমর্থক নন— এমন অনেক সাংবাদিককে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৯টি পদে নিজেদের প্রার্থীদের নির্বাচিত দেখিয়ে সমিতি দখলে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার জবি প্রতিনিধি মাহামুদুর রহমান নাজিদ বলেন, সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনে প্রায় ৩৫ জন সাংবাদিককে বাদ দিয়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং মনোনয়ন ফর্ম বিক্রি চলছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমাদের ওপর হামলা করা হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ও জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ এবং ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জকসুর শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল হামলার নেতৃত্ব দেন। বাংলাদেশ প্রতিদিনের জবি প্রতিনিধি মিলন হোসেন বলেন, ভোটার তালিকায় আমাদের নাম না রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা লাঠি ও স্ট্যাম্প নিয়ে হামলা চালায়। তাদের অতর্কিত হামলায় আমি গুরুতর আহত হই। বুকে আঘাত পাওয়ায় আমার শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেয়। - বিষয় : - জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় - সাংবাদিক - আহত
