ধর্ষণে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a single, concrete incident in which a 45-year-old man is accused of repeatedly raping a 15-year-old girl in Purbadhala, Netrokona, and the victim is now five months pregnant. The article reports a recent arrest on 13 May 2026, and rape is a physical sexual assault on a person, so it counts as violence even though no clash or weapon was involved.

Reported by:JugantorSingle source
13/05/26•বিশকাকুনী ইউনিয়নের ধলা যাত্রাবাড়ী পশ্চিমপাড়া সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প

Killed

0

Injured

0

Summary

নেত্রকোনার পূর্বধলায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে শফিকুল ইসলামকে (৪৫) ১৩ মে ২০২৬ বিকেলে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং পুলিশ জানিয়েছে অভিযুক্ত প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধ স্বীকার করেছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

90% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

শফিকুল ইসলাম (৪৫)ভুক্তভোগী কিশোরী (১৫)পূর্বধলা থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন

Tags

RapeDomestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 14/05/26open original ↗

ধর্ষণে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী

ধর্ষণে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী Advertisement পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ১২:৪১ পিএম প্রতীকী ছবি নেত্রকোনার পূর্বধলায় কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগে শফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বুধবার (১৩ মে) বিকালে উপজেলার খলিশাউড় ইউনিয়নের ঘরুয়াকান্দা এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। শফিকুল ইসলাম বিশকাকুনী ইউনিয়নের ধলা যাত্রাবাড়ী পশ্চিমপাড়া সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী আগে ঢাকায় গৃহকর্মীর কাজ করত। পাঁচমাস আগে সে ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরে আসে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে শফিকুল ইসলাম, তার স্ত্রী ও ওই কিশোরী একসঙ্গে বসবাস করতেন। বাড়িতে আসার কয়েক দিন পর থেকেই শফিকুল ভয় দেখিয়ে মেয়েকে ধর্ষণ করতে শুরু করেন। এরপর থেকে নিয়মিত ওই কিশোরী বাবার লালসার শিকার হতে থাকে। প্রায় দুই মাস আগে ময়মনসিংহে এক নারী চিকিৎসকের বাসায় কাজে যোগ দেয় ওই কিশোরী। সেখানে একমাস কাজ করার পর তার শারীরিক পরিবর্তন দেখে ওই চিকিৎসকের সন্দেহ হয়। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কিশোরীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। একপর্যায়ে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পূর্বধলা থানা পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নামে। পরে খলিশাউড় ইউনিয়নের গরুয়াকান্দা এলাকা থেকে আত্মগোপনে থাকা শফিকুলকে গ্রেফতার করা হয়। পূর্বধলা থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে পদক্ষেপ নেয়। সকালে ভুক্তভোগীকে থানায় এনে তার জবানবন্দি নেওয়া হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান চালানো হয়। ওসি জানান, ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গরুয়াকান্দা এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। ওসি বলেন, ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষাসহ অন্যান্য আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।