শতাধিক ঘর ভাঙচুর লুট, পুরুষশূন্য গ্রাম

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

The article reports a specific killing on 23 March 2026, when a young man was attacked with a machete by members of a rival family in Bhairab, Kishoreganj. It also describes the subsequent week of attacks on over a hundred homes, looting, and reported assaults on women, so it describes concrete violence and falls within the 14-day window.

Reported by:JugantorSingle source
23/03/26•লুন্দিয়া গ্রাম, ভৈরব

Killed

1

Injured

0

Summary

কিশোরগঞ্জের ভৈরবের লুন্দিয়া গ্রামে ২৩ মার্চ ২০২৬ পূর্বশত্রুতার জেরে ঈমাম হোসেন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর প্রতিপক্ষের হামলায় শেখবাড়ির শতাধিক ঘরে ভাঙচুর-লুটপাট হয়েছে এবং পুরুষশূন্য বাড়িতে রাতে নারীদের নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

ঈমাম হোসেন (নিহত, পাগলাহাটি গ্রাম)ইসা মিয়া (নিহতের বাবা ও মামলার বাদী)শেখবাড়ির ১০-১৫ যুবক (হত্যার অভিযুক্ত)প্রতিপক্ষ পাগলাহাটি বংশের লোকজন (ভাঙচুর ও লুটপাটে জড়িত বলে অভিযোগ)ইউএনও কে এম মামুনুর রশিদওসি মো. আতাউর রহমান আকন্দপুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন

Affected infrastructure

বাড়িঘরথালাবাসনলেপতোষক

Tags

MurderGang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 01/04/26open original ↗

শতাধিক ঘর ভাঙচুর লুট, পুরুষশূন্য গ্রাম

ভৈরবে যুবক হত্যা শতাধিক ঘর ভাঙচুর লুট, পুরুষশূন্য গ্রাম রাতের আঁধারে নারীদের নির্যাতন Advertisement ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ছবি: যুগান্তর ভৈরবে হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় শতাধিক বাড়িঘর ভাংচুর-লুটপাট হয়েছে। বলা যায় এক সপ্তাহ ধরে তাণ্ডবের মহোৎসব চলছে। অনেকের দালানকোঠা ভেঙে রুমের থালাবাসন লেপতোষক পর্যন্ত লুট করে নিয়ে গেছে। ২৩ মার্চ ভৈরবের লুন্দিয়া গ্রামে পূর্বশত্রুতার জেরে ঈমাম হোসেন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রতিপক্ষ শেখবাড়ি বংশের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে শতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট ও তাণ্ডব চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহতের পরিবারের মামলায় অভিযুক্ত শেখবাড়ি বংশ পুরুষশূন্য হয়ে পড়ায় রাতের আঁধারে বাড়িতে ঢুকে নারীদের অত্যাচার-নির্যাতন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মঙ্গলবার যুগান্তর প্রতিনিধি সরেজমিন গ্রামটি পরিদর্শন করে এসব ঘটনা দেখতে পান। সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইউএনও কে এম মামুনুর রশিদ, ওসি মো. আতাউর রহমান আকন্দ। হত্যাকাণ্ডের পরপরই শেখ বাড়ির লোকজন পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে। বর্তমানে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর ধরে লুন্দিয়া গ্রামের শেখবাড়ি ও পাগলাহাটি দুই বংশের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এরই জের ধরে ২৩ মার্চ সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে পাগলাহাটি গ্রামের ইসা মিয়ার ছেলে ঈমাম হোসেন দোকান থেকে মোবাইলের মিনিট কার্ড আনতে যায়। এ সময় আগ থেকে ওতপেতে থাকা শেখবাড়ির ১০-১৫ যুবক ইমাম হোসেনকে আটক করে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ইসা মিয়া ২৭ মার্চ বাদী হয়ে ভৈরব থানায় ৭৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা করেছেন। মামলার করার পর থেকে প্রতিপক্ষের বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে। এছাড়া প্রতিপক্ষদের পক্ষ থেকে সোমবার রাতে ২০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৮০ জনকে আসামি করে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় মামলা করেছে বলে পুলিশ জানায়। এ ঘটনায় পালটাপালটি দুটি মামলা হয়েছে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক শেখবাড়ির বেশ কয়েকজন নারী ও পুরুষ জানান, হত্যা মামলা করার পর শেখবাড়ির লোকজন পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে পুরুষরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। রাতের আঁধারে দলবেঁধে যুবকরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাড়িতে এসে নারীদের নানাভাবে অত্যাচার, মানসিক নির্যাতন করছে। তারা ভয়ভীতি ও আতঙ্কে আছে বলে জানান। তাই তারা অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন। পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হলে তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত আছি। নিহতের পরিবার থানায় মামলা করেছে। অভিযুক্তরা পলাতক থাকার সুযোগে তারা রাতে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাটি মনিটরিং করছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।