মাগুরায় বিএনপির দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১২
Why this classification
This is a concrete, recent incident in which rival BNP factions in Mohammadpur, Magura, fought with local weapons, injuring at least 12 people and damaging or looting about 15 houses. The article describes a specific clash, not a summary or a reaction to an earlier event.
Killed
0
Injured
12
Summary
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ঘুল্লিয়া গ্রামে ৩১ মে ২০২৬ (রোববার) সন্ধ্যা থেকে ১ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত এবং ১৫টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৮ জনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতর আহত একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 12
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 31/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
মাগুরায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভিডিও করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা
মাগুরার শালিখায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন দৈনিক গ্রামের কাগজ ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সাংবাদিক জসীম উদ্দীন। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার শতখালী নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের অনুসারী ওয়াদুদ বিশ্বাসের মধ্যে দলীয় বিরোধের জেরে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়।আহত সাংবাদিক জসীম উদ্দীন জানান, পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করতে গেলে মোস্তাক ও তাঁর সমর্থকেরা তাঁর ওপর হামলা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শালিখায় কর্মরত সাংবাদিকেরা। তাঁদের অভিযোগ, সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক।এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. গোলাম জাহিদ হোসেন বলেন, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক আগের কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। বর্তমান কমিটিতে তিনি নেই। তবে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইমুন নেসা বলেন, আহত সাংবাদিক জসীম উদ্দীন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান বলেন, ‘সাংবাদিক জসীম উদ্দীনের ওপর হামলার বিষয়টি জানতে পেরেছি। অভিযোগ পেলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মাগুরায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১২
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আটজনকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (১ জুন) উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ঘুল্লিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় শহীদ জিয়া পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাগুরা জেলা যুবদল নেতা সোহেল রানার সমর্থকদের সঙ্গে বিনোদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুর জামান ভূগলের সমর্থকদের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই উত্তেজনা ও ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটত। স্থানীয়দের দাবি, গত সপ্তাহে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সুকুর নামে এক ব্যক্তিকে আশরাফুর জামান ভূগলের সমর্থকরা মারধর করেন। পরে ঈদের পরদিন অ্যাডভোকেট রুবেল শিকদারকে ঘুল্লিয়া বাজারে সোহেল রানার সমর্থকরা মারধর করেন। এরপর সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদান ও বিয়ের দাওয়াত দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এসব ঘটনার জেরে রোববার রাতে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রথম দফার সংঘর্ষের পর সোমবার সকাল থেকে শেখপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় আবারও হামলা-পাল্টা হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন আমজেদ মোল্যা, আরজিনা বেগম, আরিফ শিকদার, জুয়েল মোল্যা ও জাহিরুল মোল্যাসহ অন্তত ১২ জন। তাদের মধ্যে আটজনকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত জাহিরুল মোল্যাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে একের পর এক বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এতে মতিন ফকির, আরজু মোল্যা, অলিয়ার ফকির, হান্নান মোল্যা, এরশাদ মোল্যা ও আকবর শেখসহ দুই পক্ষের অন্তত ১৫টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়। দফায় দফায় সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মহম্মদপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান বলেন, ঘটনার পর এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাছিন জামান/এসএইচএ
মাগুরায় বিএনপির দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১২
মাগুরায় বিএনপির দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১২ Advertisement মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১০:৪২ পিএম মাগুরায় বিএনপির দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়ি ভাঙচুর মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৮ জনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে সোমবার (১ জুন) বিকাল পর্যন্ত উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ঘুল্লিয়া গ্রামে কয়েক দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, কেন্দ্রীয় শহীদ জিয়া পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাগুরা জেলা যুবদল নেতা সোহেল রানার সমর্থকদের সঙ্গে বিনোদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুর জামান ভূগোলের সমর্থকদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। যুবদল নেতা সোহেল সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী অনুসারী এবং আশরাফুল ইসলাম ভূগোল যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের অনুসারী। এদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ছোট খাটো ঘটনা প্রায়ই দিনই ঘটে থাকে। স্থানীয়দের দাবি, গত সপ্তাহে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সুকুর নামে এক ব্যক্তিকে আশরাফুর জামান ভূগোলের সমর্থকরা মারধর করেন। এরপর ঈদের পরের দিন অ্যাডভোকেট রুবেল শিকদারকে ঘুল্লিয়া বাজার থেকে যুবদল নেতা সোহেল ও তার অনুসারীরা বেধড়ক মারধর করে। এর একদিন পরে সামাজিক দলে যোগদান ও বিয়ের দাওয়াত দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরই জেরে রোববার রাতে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রথম দফার সংঘর্ষের পর সোমবার সকালে শেখপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় আবারও হামলা, পাল্টা হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন- আমজেদ মোল্যা, আরজিনা বেগম, আরিফ শিকদার, জুয়েল মোল্যা, জাহিরুল মোল্যাসহ অন্তত ১২ জন। তাদের মধ্যে ৮ জনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত জাহিরুল মোল্যাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে একের পর এক বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এতে মতিন ফকির, আরজু মোল্যা, অলিয়ার ফকির, হান্নান মোল্যা, এরশাদ মোল্যা ও আকবর শেখসহ দুই পক্ষের অন্তত ১৫টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়। দফায় দফায় সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মহম্মদপুর থানার ওসি আশরাফুজ্জামান বলেন, ঘটনার পর এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।
