পুলিশ লাঠিপেটা করে শিক্ষার্থীদের সংসদ সামনে সরাল
Why this classification
The article describes a physical clash between police and student protesters over political demands, meeting the definition of political violence. No casualties were reported, but the use of sticks to disperse the crowd qualifies as a violent political protest.
Killed
0
Injured
0
Summary
১৪ জুলাই সন্ধ্যায় পুলিশ লাঠিপেটা ব্যবহার করে হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবনের সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
94% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
লাঠিপেটা করে শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবনের সামনে থেকে সরাল পুলিশ
লাঠিপেটা করে শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবনের সামনে থেকে সরাল পুলিশ ছবি-ভিডিও থেকে নেওয়া সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬ | ১৯:৩৫ | আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬ | ২০:০১ সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অবস্থান নেওয়া এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের লাঠিপেটা করে সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আন্দোলনরতদের সরিয়ে দেওয়া শুরু করে পুলিশ। প্রথমে পুলিশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের লাঠিপেটা করে। এর আগে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড় শিক্ষার্থীরা অবরোধ করেন। পরে সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি চত্বরের সামনে যান শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যেতে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরে শিক্ষার্থীরা পলাশীর মোড় হয়ে ঢাকা বোর্ডের সামনে যান। ঢাকা বোর্ডে অবস্থান নিয়ে সেখান থেকে ফিরে আবারও সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে সংসদ ভবনের সামনে যায় শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনে সিটি কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজ, উদয়ন কলেজ, মাইলস্টোন কলেজ, কমার্স কলেজ, ঢাকা ওরিয়েন্টাল কলেজ, হামদর্দ পাবলিক কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। আন্দোলনকারী পরীক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলো হলো— বৈরী আবহাওয়া পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখা, ১৩ জুলাই প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে যারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা নেওয়ায় অনেক পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। এছাড়া সম্পূর্ণ সিলেবাস শেষ না করেই পরীক্ষা নেওয়ায় অনেকেই প্রত্যাশিতভাবে পরীক্ষা দিতে পারেননি। - বিষয় : - পুলিশ - ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া - সংসদ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে রাতেও চলছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে রাজধানীতে দিনভর বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা অবরোধ কর্মসূচি পালন করলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশের লাঠিচার্জে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার অভিযোগও ওঠে। এদিকে জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন তার একটি ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেও তা আন্দোলন থামাতে পারেনি। রাতেও শিক্ষার্থীরা রাজধানীতে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা তাদের তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দিকে যান তারা। পরে সংসদ ভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ শুরু করলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধ চলাকালে পুলিশ শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। তবে তারা অবস্থান চালিয়ে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। পরে পুলিশ সংসদ ভবনের সামনের এলাকা থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিলে তারা আসাদগেটের আড়ং মোড় এলাকায় অবস্থান নেন। এ সময় উত্তেজিত কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। জবাবে পুলিশ আবারও ধাওয়া দিয়ে তাদের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে সরিয়ে দেয় এবং আসাদগেট মোড়ে অবস্থান নেয়। এরপরও আন্দোলন থামেনি। রাত পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা রাজধানীতে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান। বিভিন্ন দাবির পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন তারা। আন্দোলনকারীরা দুর্যোগ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, চলমান বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন জেলাগুলোতে যেসব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে, সেগুলো নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় নেওয়া হবে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বোর্ডের জন্য পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, যুক্তিবিদ্যা ও হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অন্য একটি প্রশ্নপত্র সেটে যে দিন নেওয়া হবে, একই সময়ে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলোও অনুষ্ঠিত হবে। বক্তব্যের একপর্যায়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত নিজের একটি ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে অনেকেই আপত্তি করেছেন। সেই ব্যাপারেও বলতে চাই। আমি কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু বলি নাই। যদি কেউ আহত হয়ে থাকেন, সিম্প্লি আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’ উল্লেখ্য, সোমবার রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে শিক্ষামন্ত্রী বর্তমান শিক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ বলে সম্বোধন করেছেন– এমন দাবি করা হয়। ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচনা শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। আরএইচটি/বিআারইউ
