সুন্দরবনে আবারও ৮ বনজীবীকে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Satkhira. Parties reported: Nanabhai alias Don gang, Choto Jahangir gang. Reported by 1 source.

Reported by:Prothom AloSamakalJugantorCorroborated · 3 sources
14/05/26•Subader Khal, Guber Khal, and Dhanyokhalir Char

Killed

0

Injured

0

Summary

২০২৬ সালের ১৪ মে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে মাছ ধরা ও মধু সংগ্রহের সময় ৮ জন বনজীবীকে অপহরণ করে দস্যু বাহিনী। অপহৃতদের মুক্তির জন্য ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করেছে দস্যুরা।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

74% · severity 4

Parties involved

Nanabhai alias Don gangChoto Jahangir gang

Tags

ExtortionRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 02/06/26open original ↗

সুন্দরবনে ৬ জেলেকে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি জলদস্যুদের

সুন্দরবনে ৬ জেলেকে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি জলদস্যুদের ফাইল ছবি শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬ | ০০:০৯ সুন্দরবনে যাওয়া ৬ জেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করেছে জলদস্যুরা। গতকাল রোববার সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টার মধ্যে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ নদীর চালতেবেড়ে ও সুবদে খাল থেকে তাদের অপহরণ করা হয়। জলদস্যুদের কবল থেকে ফিরে আসা কয়েকজন জেলে নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, জলদস্যু ডন বাহিনীর পরিচয়ে ওই জেলেদের তুলে নেওয়া হয়েছে। দস্যুরা মাথাপিছু ৩০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করেছে। অপহৃত জেলেরা হলেন– শ্যামনগরের কুলতলী এলাকার দেলোয়ার খাঁর ছেলে ইয়াছিন খাঁ (৩২), আলমগীর খাঁ (৩৮), হরিনগরের আব্দুর রহিম মোল্লার ছেলে আল আমিন মোল্লা (৩৫), নুরুল হক গাজীর ছেলে কামরুল গাজী (৫০), আব্দুল গফুর গাজীর ছেলে শাহজাহান গাজী (৪৮) ও খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের রফিকুল গাজীর ছেলে শহীদুল গাজী (৪৬)। শ্যামনগরের দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের ইসমাইল খাঁর ভাষ্য, দুই সহযোগীকে নিয়ে তিনি বনে গিয়েছিলেন মাছ শিকারে। রোববার রাতে তাঁর দুই সহযোগীকে জিম্মি করে জলদস্যুরা তাঁকে ডাকাডাকি করে। তিনি তাদের কাছে যেতে চাননি। পরে দস্যুরা তাঁকে ধরে নৌকার বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। রক্তক্ষরণ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। ইসমাইল খাঁ বলেন, সুন্দরবনে শিকার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গতকাল সোমবার সকালে বাড়িতে ফিরে বন বিভাগের কাছে পাস জমা দেওয়ার কথা ছিল তাদের। অপহৃত জেলেদের মুক্তিপণের টাকা সোমবার বিকেলের মধ্যে পৌঁছাতে বলা হয়েছে। শ্যামনগর থানার ওসি মো. খালেদুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে অপহৃত জেলেদের পরিবারের কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Source 2: Jugantor · 14/10/26open original ↗

সুন্দরবনে ৪ জেলে অপহৃত, একজন ফিরলেন মুক্তিপণে

সুন্দরবনে ৪ জেলে অপহৃত, একজন ফিরলেন মুক্তিপণে Advertisement শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সাতক্ষীরা রেঞ্জ পশ্চিম সুন্দরবনে মুক্তিপণ দাবি করে ৪ জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যু জিয়া বাহিনীর সদস্যরা। গত রোববার সুন্দরবনের বাদুড়ঝুলি খালে মাছ ধরার সময় অতর্কিত হামলা চালিয়ে মালামালসহ জেলেদের অপহরণ করে। এদিকে মুক্তিপণের ৫০ হাজার টাকা দিয়ে সোরা গ্রামের রুস্তুম গাজীর ছেলে খোকা গাজী মঙ্গলবার ভোর ৬টায় অন্য একটি জেলে নৌকাযোগে বাড়িতে ফিরেছেন। বনদস্যু জিয়া বাহিনীর আস্তানায় জিম্মিকৃত ৩ জেলেকে মুক্তিপণের জন্য দেড় লাখ টাকা দাবি করেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে। অপহৃত ৩ জেলে হলেন-গাবুরার সোরা গ্রামে হযরত পাড়ের ছেলে মাছুম পাড় এবং একই গ্রামের কেনা শেখের ছেলে আহম্মদ শেখ ও সাইদুল গাজীর ছেলে শহিদ গাজী। পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় আবিয়ার গাজী জানান, ৫ দিন আগে ৪ জেলে সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে সুন্দরবনের বাদুরঝুলি খালে মাছ ধরার সময় রাত ৯টার দিকে অস্ত্র নিয়ে জিয়া বাহিনীর সদস্যরা ৪ জেলেকে অপহরণ করে। পারিবারিক দেনদরবারে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ নিয়ে খোকা গাজীকে ছেড়ে দেয়। বাকি তিন জেলেকে মুক্তিপণের জন্য দেড় লাখ টাকা দাবি করেছে জিয়া বাহিনী। অন্যথায় জেলেদের হত্যার হুমকি দিয়েছে বনদস্যু জিয়া বাহিনীর সদস্যরা। সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, জেলে অপহরণের বিষয়ে শুনেছি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Source 3: Prothom Alo · 15/05/26open original ↗

সুন্দরবনে আবারও ৮ বনজীবীকে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি

সুন্দরবনে আবারও ৮ বনজীবীকে অপহরণ করা হয়েছেপ্রথম আলো ফাইল ছবি সুন্দরবনে বনদস্যুদের তৎপরতা কোনোভাবেই থামছে না। একের পর এক অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন উপকূলের বনজীবীরা। এবার পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় আরও আট বনজীবীকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহৃত বনজীবীদের স্বজন ও মহাজনদের কাছে মুক্তিপণ হিসেবে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেছে দস্যুরা। স্থানীয় সূত্র ও বনজীবীদের সহযোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুনকুড়ি নদের সুবদের খাল, গুবদের খাল ও ধ্যানোখালীরচর এলাকায় মাছ ধরা ও মধু আহরণের সময় অস্ত্রধারী দস্যুরা তাঁদের ধরে নিয়ে যায়। অপহরণের সময় বনদস্যুরা নিজেদের ‘নানাভাই ওরফে ডন’ ও ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্য বলে পরিচয় দেয়। অপহৃত বনজীবীরা হলেন শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মীরগাঙ এলাকার নজরুল তরফদার (৪৫) ও আবদুর রহমান (৩৫), ছোট ভেটখালী এলাকার আবদুল হামিদ মোড়ল (৫০), আটুলিয়া ইউনিয়নের ভড়ভড়িয়া এলাকার আবদুল আলিম (৪০), হাবিবুর রহমান (৪৮) ও আনোয়ারুল ইসলাম (৪২) এবং খুলনার কয়রা এলাকার আবদুস সাত্তার (৪০) ও শাহিনুর রহমান (৩৮)। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপহৃত বনজীবীদের দুজন সহযোগী ও মহাজন জানান, দস্যুরা অপহৃত প্রত্যেকের জন্য ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করেছে। মুঠোফোনে যোগাযোগ করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বলা হয়েছে। মহাজনদের দাবি, এর আগেও সুন্দরবনে অপহৃত জেলে ও মৌয়ালদের মুক্ত করতে একই মুঠোফোন নম্বরে টাকা পাঠানো হয়েছে। এমনকি মধু আহরণ মৌসুম শুরুর আগে মৌয়ালদের কাছ থেকে অগ্রিম চাঁদা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে দস্যুদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, টাকা পরিশোধের পরই অনেককে বনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর আগে ৪ ও ৫ মে সুন্দরবনের গোয়ালবুনিয়া দুনের মুখ, ধানোখালীর খাল, মামুন্দো নদীর মাধভাঙা খাল ও মালঞ্চ নদের চালতে বেড়ের খাল এলাকা থেকে ২০ জন জেলে ও মৌয়ালকে অপহরণ করা হয়। পরে সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার পর তাঁরা মুক্তি পান বলে জানিয়েছিলেন স্বজনেরা। স্থানীয় বনজীবীদের অভিযোগ, কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর অভিযান চললেও সুন্দরবনে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য কমছে না; বরং জেলে, মৌয়াল ও বননির্ভর মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। এ বিষয়ে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা মনিরুল করিম বলেন, ‘বনজীবী অপহরণের বিষয়ে অপহৃত বনজীবীর সহযোগী কিংবা স্বজনদের কেউ আমাদের জানায়নি। বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’ শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো পরিবার থানায় অভিযোগ করেনি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে না জানিয়ে বনজীবীদের পক্ষ থেকে গোপনে সমঝোতা করা হয়। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সাতক্ষীরাখুলনা বিভাগসুন্দরবন