উখিয়া সীমান্তে অস্ত্রধারীদের সঙ্গে বিজিবির গোলাগুলি, ভারী অস্ত্রসহ গোলাবারুদ উদ্ধার

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

ঘটনাটি একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে বিজিবির সরাসরি গোলাগুলি, যেখানে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এটি একটি সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনা যা বাংলাদেশের সীমান্তে সংঘটিত হয়েছে, তাই এটি সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

Reported by:SamakalProthom AloCorroborated · 2 sources
04/06/26•পালংখালী সীমান্ত, নাফ নদী

Killed

0

Injured

0

Summary

কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী সীমান্তে নাফ নদীর শূন্য রেখায় বিজিবির সাথে একটি বিদেশি সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি জি-থ্রি রাইফেল, বিপুল গোলাবারুদ ও ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

AI analysis

Category

Terrorism / Extremist Attacks

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Law Enforcement

Other actors

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম

Tags

Drug WarGang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 05/06/26open original ↗

উখিয়া সীমান্তে অস্ত্রধারীদের সঙ্গে বিজিবির গোলাগুলি, ভারী অস্ত্রসহ গোলাবারুদ উদ্ধার

উখিয়া সীমান্তে অস্ত্রধারীদের সঙ্গে বিজিবির গোলাগুলি, ভারী অস্ত্রসহ গোলাবারুদ উদ্ধার বিজিবির হাতে আটক বিদেশী ভারী অস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ। ছবি: বিজিবির সৌজন্যে কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ | ২০:৪৫ | আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬ | ২০:৪৬ কক্সবাজারের উখিয়ার মিয়ানমার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে একটি বিদেশি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও ঘটনাস্থল থেকে একটি ভারী অস্ত্র জি-থ্রি রাইফেল, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে বিজিবির ৬৪ ব্যাটালিয়নের (উখিয়া ব্যাটালিয়ন) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। এর আগে, বুধবার দুপুরে উখিয়ার পালংখালী সীমান্তের নাফ নদীর শূন্য রেখায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার দুপুরে পালংখালী এলাকার বাহারপাড়া নামক স্থানের সীমান্তবর্তী নাফ নদীর শূন্য লাইনের কাছে মিয়ানমার থেকে জেলের বেশে একটি নৌকায় করে কয়েকজন অস্ত্রধারীকে আসতে দেখে বিজিবি। এ সময় টহলরত ৬৪ বিজিবির বিশেষ দলটি তাৎক্ষণিকভাবে অবস্থান নিয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। জবাবে ওই সশস্ত্র গ্রুপটিও বিজিবিকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে। একপর্যায়ে তারা নৌকাটি রেখে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি টহল দল পরিত্যক্ত নৌকাটি তল্লাশি করে একটি জি-থ্রি রাইফেল, তিনটি জি-থ্রি খালি ম্যাগাজিন, তিনটি খালি ফাইবার ম্যাগাজিন, ৫১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, চার হাজার পিস ইয়াবা এবং একটি জি-থ্রি পোচসহ লুঙ্গি, গেঞ্জি ও সিগারেট উদ্ধার করে। বিজিবি আরও জানায়, তারও আগে গত ৩০ মে বিকেলে হ্নীলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কাব্যিক চর নামক স্থানে জেলের বেশধারী দুই রোহিঙ্গার কাছ থেকে গুলি ছুড়ে ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল। বুধবারে পালংখালী বিওপির ঘটনায় উপস্থিত থাকা সশস্ত্র দলটিই ওই ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই গোলাগুলিতে ও মাদক চোরাচালানের সঙ্গে মিয়ানমারের উগ্রপন্থি গোষ্ঠী আরসার (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি) সদস্যরা জড়িত। তবে বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্ট কোনো সংগঠনের নাম উল্লেখ না করে কেবল ‘অস্ত্রধারী সশস্ত্র গ্রুপ’-এর কথা বলা হয়েছে।

Source 2: Prothom Alo · 19/03/26open original ↗

ফিলিং স্টেশনে অস্ত্র উঁচিয়ে তাণ্ডব

কক্সবাজারের রামুর একটি ফিলিং স্টেশনে চাহিদামতো জ্বালানি তেল না পেয়ে অস্ত্র উঁচিয়ে কর্মচারীকে মারধর ও তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে বি কে আজম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি ‘বি কে আজম ব্রিকফিল্ড’ নামের স্থানীয় একটি ইটভাটার মালিক।গতকাল বুধবার গভীর রাতে রামুর একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বি কে আজমকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর লাইসেন্স করা শটগানটিও পুলিশ জব্দ করে।