ভাঙা হাতের চিকিৎসা করতে গিয়ে ফেরা হলো না শিশু তাসনিয়ার
Why this classification
This is a single, specific incident dated Monday, 27 April 2026, in which relatives and locals vandalised a Kushtia hospital and held two doctors for about five hours after a six-year-old girl died during an operation. It also involved a road blockade with bricks and wood, so it qualifies as destructive mob violence. The child's death itself is alleged medical negligence and was not caused by violence, so no deaths are counted.
Killed
0
Injured
0
Summary
কুষ্টিয়ার মোল্লাতেঘড়িয়ার একতা হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে ৬ বছরের শিশু তাসনিয়া আফরিনের মৃত্যুর পর বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা হাসপাতালে ভাঙচুর চালায় এবং দুই চিকিৎসককে প্রায় ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখে। পরে ইট ও কাঠ দিয়ে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়ক অবরোধ করা হলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ভাঙা হাতের চিকিৎসা করতে গিয়ে ফেরা হলো না শিশু তাসনিয়ার
কুষ্টিয়ায় ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় তাসনিয়া আফরিন (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় শহরতলীর মোল্লাতেঘড়িয়া এলাকায় অবস্থিত একতা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাসনিয়া আফরিন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সানপুকুরিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের মেয়ে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ভাঙা হাতের অপারেশনের জন্য দুপুর ৩টায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাসনিয়া আফরিনকে। সন্ধ্যায় অপারেশন টেবিলে চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর নিহত শিশুর পরিবার ও বিক্ষুব্ধরা চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগ তুলে হাসপাতালটিতে ভাঙচুর চালায় এবং অভিযুক্ত দুই চিকিৎসককে প্রায় ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়ক ইট ও কাঠ ফেলে অবরোধ করে রাখে। এতে সড়কের দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশ অভিযুক্ত দুই চিকিৎসককে থানায় নিয়ে যায়। শিশুটির মরদেহ কুষ্টিয়া জেলার হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহত শিশুর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়রা জানান, এই হাসপাতালে এই ধরনের ঘটনা আরও আছে। এরা দালালের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগী নিয়ে আসে। ভুল ট্রিটমেন্টে রোগীর ক্ষতি হলে টাকা পয়সা দিয়ে মীমাংসার চাপ দেয়। বাধ্য হয়ে অনেকেই মিমাংসা করে নেয়। কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত দেখা যায়। অভিযুক্ত চিকিৎসকদের থানায় নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, শিশুটির মরদেহ নিয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা এখনো পরিবারের কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। রবিউল আলম ইভান/ডিএ
পার্সেল খুলতেই বিস্ফোরণ, আহত ভ্যানচালক
পার্সেল খুলতেই বিস্ফোরণ, আহত ভ্যানচালক Advertisement কুষ্টিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কুষ্টিয়ায় পার্সেলে রাখা বোমা বিস্ফোরণে নাসির শেখ (৫০) নামের এক ভ্যানচালক আহত হয়েছেন। সোমবার রাতে লাহিনী বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আলামত উদ্ধার করেছে। নাসিরকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। জানা যায়, ঘটনার দিন অপরিচিত দুই ব্যক্তি নাসিরকে ভাড়া পরিশোধ করে পার্সেলটি লাহিনী জোয়ার্দারপাড়ার হামিদুল ইসলামের বাড়ি পৌঁছে দিতে বলে। হামিদুলের বাড়িতে এটি নিয়ে গেলে তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে এটি নিয়ে লাহিনী বটতলা এলাকায় ফিরে আসেন নাসির। সেখানে স্থানীয়দের সামনে এটি খুললে ভেতরে কাঠের একটি বাক্স পাওয়া যায়। এটি খোলার সঙ্গে সঙ্গে তা বিস্ফোরিত হয়।
