বরিশালে চিকিৎসা অবহেলায় যুবদল নেতার মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতালে মারামারি
Why this classification
This is a real physical clash on 10 June 2026 in which relatives and hospital staff fought after a patient died, and several people were hurt, including a doctor who was struck with a chair. It is a concrete violent incident in Bangladesh within the recent window, so it qualifies.
Killed
0
Injured
2
Summary
বরিশাল নগরীর কেএমসি হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগে যুবদল নেতা মনির খানের মৃত্যুর পর বুধবার (১০ জুন) স্বজন ও চিকিৎসক-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যাতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, স্বজনরা চেয়ার দিয়ে চিকিৎসক সুবেন্দু হালদার শিবুকে আঘাত করেন, তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং এখনো কেউ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেনি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বরিশালে চিকিৎসা অবহেলায় যুবদল নেতার মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতালে মারামারি
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগে মনির খান (৩৮) নামে এক যুবদল নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে নগরীর বাজার রোড এলাকার কেএমসি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। মনির খান বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের উত্তর বাহেরচর গ্রামের আব্দুল হক খানের ছেলে এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে মনির খানকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিউরো মেডিসিন বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. অমিতাভ সরকারের পরামর্শে একই দিন বিকেলে তাকে কেএমসি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। মনিরের চাচাতো ভাই ফয়সাল রিয়াদ মিরন বলেন, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত মনির খানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। তবে বুধবার সকাল থেকে তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে। চিকিৎসকদের একাধিকবার জানানো হলেও তারা যথাসময়ে সাড়া দেননি। মনিরের চাচাতো বোন সাথী আক্তার জানান, রোগীর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক সুবেন্দু হালদার শিবুকে বিষয়টি জানানো হয়। কিন্তু তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নিয়ে অনেক পরে রোগীর কাছে যান এবং ফিডিং টিউব লাগানোর নির্দেশ দেন। টিউব লাগানোর কিছুক্ষণ পর শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায়। চিকিৎসককে জানানো হলেও তিনি গুরুত্ব দেননি। পরে চিকিৎসক রোগীর কক্ষ থেকে স্বজনদের বের করে দেন এবং কিছুক্ষণ পর জানান রোগী মারা গেছেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা তাদের মারধর করেন। অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, উত্তেজিত স্বজনরা দায়িত্বরত চিকিৎসক সুবেন্দু হালদার শিবুর ওপর হামলা চালিয়ে চেয়ার দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি আহত হন। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে চিকিৎসক সুবেন্দু হালদার শিবু বলেন, রোগীর চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা করা হয়নি। স্বজনদের অভিযোগ ভিত্তিহীন। রোগীর মৃত্যুর পর উত্তেজিত হয়ে তারা আমার ওপর হামলা চালিয়েছেন। খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুর রহমান বলেন, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এখনো কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেনি। আরএআর
