রাজধানীতে বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে প্রবাসীসহ ৩ জন হাসপাতালে
Why this classification
The article reports a concrete act in which gang members drugged people on buses and took their belongings, leaving them unconscious and hospitalised. This is a robbery attack that happened on the reference date, so it qualifies as violence. The article covers three similar incidents that day, and this record describes the first and most detailed one (Solaiman in Badda).
Killed
0
Injured
3
Summary
বৃহস্পতিবার (২০২৬-০৪-৩০) বাড্ডায় রাইদা পরিবহনের বাসে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন মালয়েশিয়াপ্রবাসী মো. সোলাইমান (৩৭); অচেতন অবস্থায় বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ার পর উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তাঁর মোবাইল ও টাকা লুট হয়। একই দিনে গুলিস্তান ও উত্তর বাড্ডায় আরও দুটি অনুরূপ ঘটনা ঘটেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
রাজধানীতে বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে প্রবাসীসহ ৩ জন হাসপাতালে
অজ্ঞান পার্টি থেকে সাবধান!প্রতীকী ছবি রাজধানীতে পৃথক তিনটি ঘটনায় ‘অজ্ঞান পার্টি’র খপ্পরে পড়ে মালয়েশিয়াপ্রবাসীসহ তিন ব্যক্তি সব খুইয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ও বিকেলে বাড্ডা এবং গুলিস্তান এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন মালয়েশিয়াপ্রবাসী মো. সোলাইমান (৩৭) ও জুতার কারখানার কর্মচারী সাইফুল ইসলাম (২৫)। অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতালে আনার পর জরুরি বিভাগে তাঁদের পাকস্থলী পরিষ্কার করে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়াপ্রবাসী সোলাইমানের (৩৭) বাড়ি মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচরে। আজ সকালে তিনি বারিধারায় মালয়েশিয়ার দূতাবাসে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। ঢাকায় পৌঁছানোর পর রাজধানীর বারিধারায় যাওয়ার জন্য তিনি রাইদা পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। পথে সোলাইমান অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন। সোলাইমানের চাচাতো ভাই মো. রনি প্রথম আলোকে বলেন, সোলাইমানকে অচেতন অবস্থায় বেলা সোয়া একটার দিকে বাড্ডায় ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সোলাইমানের সঙ্গে থাকা মুঠোফোন ও টাকা দুর্বৃত্তরা নিয়ে গেছে। একই দিন দুপুরে উত্তর বাড্ডায় ‘ভিক্টর পরিবহন’–এর একটি বাসে অচেতন হয়ে পড়েন ৫৫ বছর বয়সী অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি। বাসের যাত্রী শাকিল ও ওমর ফারুক তাঁকে উদ্ধার করে বেলা পৌনে তিনটার দিকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। আজ বিকেলে গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন সাইফুল ইসলাম (২৫)। তিনি নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকার একটি জুতার কারখানার কর্মচারী। সাইফুলকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান কারখানার সহকর্মী নজরুল ইসলাম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সাইফুল জুতা তৈরির কাঁচামাল কেনার জন্য বাসে গুলিস্তানে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগেই অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাঁকে অচেতন করে তাঁর কাছে থাকা সবকিছু লুটে নেয়। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন রাজধানী থেকে আরও পড়ুন রাজধানী ঢাকাঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালঅজ্ঞান পার্টি
