স্কুল কমিটির নির্বাচনে সংঘর্ষ কালাইয়ে আহত ৯

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

সংবাদটি কালাইয়ে স্কুল কমিটি নির্বাচনের সময় দুই প্যানেলের সমর্থকদের মধ্যে বাস্তব সংঘর্ষের ঘটনা বর্ণনা করেছে, যাতে প্রার্থীসহ অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন; এটি একটি সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনা।

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
08/06/26•করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জিন্দারপুর ইউনিয়ন, কালাই

Killed

0

Injured

9

Summary

সোমবার (২০২৬-০৬-০৮) দুপুরে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে প্রার্থীসহ অন্তত ৯ জন আহত হন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

93% · severity 5

Perpetrator side

Anisur Rahman panelSheikh Shahangir Alam panel

Victim side

Anisur Rahman panelSheikh Shahangir Alam panel

Other actors

আনিছুর রহমান (প্রার্থী)শেখ শাহাঙ্গীর আলম (প্রার্থী, আহত)মো. তরিকুল ইসলাম (প্রিসাইডিং কর্মকর্তা)

Tags

Election Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 9

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Anisur Rahman panel, Sheikh Shahangir Alam panel

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Anisur Rahman panel, Sheikh Shahangir Alam panel

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 09/06/26open original ↗

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৯

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৯ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ। ছবি-সমকাল জয়পুরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬ | ২০:০৬ | আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ | ২০:১৩ জয়পুরহাটের কালাইয়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রার্থীসহ অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম, তার সমর্থক শেখ হাবিবুর রহমান, মিথুন মণ্ডল ও ইউসুফ আলী। অপর পক্ষের আহতরা হলেন- সাদিক হোসেন, মুনছুর রহমান, জুয়েল রানা, রশিদুল ইসলাম ও রানা মিয়া। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জিন্দারপুর ইউনিয়নের করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির চারজন অভিভাবক সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আনিছুর রহমান ও শেখ শাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে দুটি প্যানেল থেকে আটজন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। মোট ভোটার ছিলেন ৩৪০ জন। ভোটগ্রহণ চলাকালে দুপুরে লাইনে দাঁড়ানো এক ভোটারের সঙ্গে কথা বলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রত্যক্ষদর্শী ছাইদুর রহমানের দাবি, দুই পক্ষই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ভোটকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হলেও বিরোধের পেছনে আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল। আহত প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ প্যানেলের লোকজন নির্বাচন শুরুর আগ থেকেই তার সমর্থকদের হুমকি দিয়ে আসছিল। সোমবার বাইরে থেকে লোক এনে তার ও তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় মামলা করবেন বলে জানান তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষ প্যানেলের প্রার্থী আনিছুর রহমান বলেন, তাদের পক্ষেরও বেশি সংখ্যক লোক আহত হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে তারাও আইনি ব্যবস্থা নেবেন। নির্বাচনের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের ঘটনা ভোটকেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এ কারণে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়নি। নির্ধারিত সময় শেষে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামিম আরা বলেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - সংঘর্ষ

Source 2: Jugantor · 09/06/26open original ↗

স্কুল কমিটির নির্বাচনে সংঘর্ষ কালাইয়ে আহত ৯

স্কুল কমিটির নির্বাচনে সংঘর্ষ কালাইয়ে আহত ৯ Advertisement কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কালাইয়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রার্থীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরে জিন্দারপুর ইউনিয়নের করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন-প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম, শেখ হাবিবুর রহমান, মিথন মণ্ডল, ইউসুফ আলী, সাদিক হোসেন, মুনছুর রহমান, জুয়েল রানা, রশিদুল ইসলাম ও রানা মিয়া। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির চারজন অভিভাবক সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ চলছিল। নির্বাচনে আনিছুর রহমান ও শেখ শাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে দুটি প্যানেলের আটজন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী অংশ নেন। সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলাকালে দুপুর আড়াইটার দিকে লাইনে দাঁড়ানো এক ভোটারের সঙ্গে কথা বলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রার্থী আনিছুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, শেখ শাহাঙ্গীর আলমের কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে শাহাঙ্গীর আলম দাবি করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, বাইরে সংঘর্ষ হলেও ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়নি।