নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে হাসপাতালে ভাঙচুর
Why this classification
Relatives of a two-month-old child who died of measles vandalised Chatkhil Upazila Health Complex in Noakhali on Monday, 5 October 2026, over alleged negligence, damaging the hospital inside and outside. This is a concrete destructive act within the 14-day window. The child's death itself was caused by illness and is not counted as a violent fatality.
Killed
0
Injured
0
Summary
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামে আক্রান্ত দুই মাস বয়সি এক শিশুর মৃত্যুর পর চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে স্বজনরা সোমবার (৫ অক্টোবর) বেলা সোয়া ৩টা থেকে রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত দফায় দফায় হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে ভাঙচুর চালান। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দেয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
নোয়াখালীর চাটখিলে হামে শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভাঙচুর
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম আক্রান্ত হয়ে তিন মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে হাসপাতালটিতে ভাঙচুরের চালিয়েছে তার স্বজনরা। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসির গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ সোমবার রাত ৮টার দিকে ভাঙচুরের এ ঘটনা ঘটে। মৃত শিশুটির নাম ফাতেমা হাসান রিমি। সে উপজেলার ৭ নম্বর হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের বক্তারপুর মুন্সিমিয়া চৌকিদার বাড়ির রবিউল হাসান ও উম্মে সালমা দম্পতির সন্তান। শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে রিমি জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত ছিল। উপজেলার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে পরীক্ষার পর তাঁরা নিশ্চিত হয় সে হামে আক্রান্ত হয়েছে। সোমবার দুপুরে ফাতেমা হাসান রিমিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন তাঁরা। এ সময় শিশুটির হামে আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট কর্তব্যরত চিকিৎসককে দেখায়। পরে কর্তব্যরত নার্স শিশুটিকে ইনজেকশন ও স্যালাইন দেন। শিশুটির মা উম্মে সালমা অভিযোগ করে বলেন, ইনজেকশন ও স্যালাইন দেওয়ার কিছুক্ষণ পর তাঁর মেয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এ সময় শিশুটির অক্সিজেন প্রয়োজন হলে হাসপাতালে অক্সিজেন নেই বলে জানানো হয়। পরে বিকেল ৩টার দিকে শিশুটি মারা যায়।উম্মে সালমার অভিযোগ, চিকিৎসক ও নার্সের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণেই তাঁর সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালে ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে চাটখিল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে কর্তব্যরত উপপরিদর্শক (এসআই) নিহত শিশুর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। এ বিষয়ে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এমও) চিকিৎসক শহিদুল আলম নয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মোন্নাফ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তাঁরা নিহত শিশুর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।প্রশাসনের আশ্বাসের পর মৃত শিশুর পরিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিশুটির মৃতদেহ দাফনের জন্য নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।
নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে হাসপাতালে ভাঙচুর
নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে হাসপাতালে ভাঙচুর Advertisement নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নোয়াখালীতে হাম নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই মাস বয়সি এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে শিশুটির স্বজনরা হাসপাতালটিতে ভাঙচুর চালিয়েছেন। সোমবার বেলা সোয়া ৩টা থেকে রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দফায় দফায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া শিশুটির নাম ফাতেমা হাসান রিমি। সে উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের বক্তারপুর মুন্সি মিয়া চৌকিদার বাড়ির রবিউল হাসান ও উম্মে সালমা দম্পতির সন্তান। জানা যায়, সোমবার বেলা ২টার দিকে রিমিকে হাসপাতালটিতে নেওয়া হয়। স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে ভর্তির পর নার্স ইনজেকশন ও স্যালাইন দেন। এর কিছুক্ষণ পর রিমির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে হাসপাতালে অক্সিজেন নেই বলে জানানো হয়। পরে তার মৃত্যু হয়। শিশুটির মা উম্মে সালমার অভিযোগ, চিকিৎসক ও নার্সের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে চাটখিল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং নিহত শিশুর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ইউএনও মিজানুর রহমান ও থানার ওসি আবদুল মোন্নাফ গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তারা। চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিন আক্তার বলেন, শিশুটি এক মাস ধরে অসুস্থ ছিল এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সেখানে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্যালাইন চলার সময় শিশুটির মা তাকে বুকের দুধ খাওয়ালে তা শ্বাসনালিতে আটকে যায়। এতে শিশুর পরিস্থিতির অবনতি হয় এবং পরে মারা যায়। শিশুটি নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের মতো ছিল। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাটখিল থানার ওসি আবদুল মোন্নাফ বলেন, মৃত শিশুর স্বজনরা থানায় এসেছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলার সিভিল সার্জন মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, শিশুর হাম হয়েছিল। তার মৃত্যুর ঘটনায় কারও কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাটখিল ইউএনও মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যাওয়ার আগে শিশুটির স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
নোয়াখালীতে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যুর পর হাসপাতাল ভাঙচুর
এক শিশুর মৃত্যুর পর হাসপাতালে ভাঙচুর করেন তার স্বজনেরা। গতকাল রাতে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেছবি: সংগৃহীত নোয়াখালীতে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর পর হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন তার স্বজনসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। জেলার চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘটেছে এ ঘটনা। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত কয়েক দফায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া শিশুটির নাম ফাতেমা হাসান রিমি। সে উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের বক্তারপুর মুন্সিমিয়া চৌকিদার বাড়ির রবিউল হাসান ও উম্মে সালমা দম্পতির মেয়ে। গতকাল সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বেলা তিনটার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তির পরই কর্তব্যরত নার্স ইনজেকশন ও স্যালাইন দেন। এরপর শিশুটির স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে শিশুটির অক্সিজেন প্রয়োজন পড়লে হাসপাতালে অক্সিজেনে নেই বলে জানানো হয়। কিছুক্ষণ পর শিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির মা উম্মে সালমার অভিযোগ, ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তার (আরএমও) কক্ষসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালানো হয়। খবর পেয়ে চাটখিল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মারা যাওয়া শিশুটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক শাহরিন আক্তার প্রথম আলোকে জানান, শিশুটি এক মাস ধরে অসুস্থ ছিল। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়ার আগে বিভিন্ন হাসপাতালে শিশুটি চিকিৎসা নিয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। শাহরিন আক্তার বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, স্যালাইন চলার সময় মা শিশুটিকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। এ সময় বুকের দুধ শিশুটির শ্বাসনালিতে আটকে যায়। এতে শিশুটির অবস্থার অবনতি ঘটে এবং পরে মৃত্যু হয়েছে।’ হামলা-ভাঙচুরে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে বলে ধারণা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার। তিনি বলেন, ‘শিশুটির চিকিৎসায় কোনো ধরনের ত্রুটি ছিল না। যথাযথ চিকিৎসাই শিশুটিকে দেওয়া হয়েছে। এরপরও শিশুটির মৃত্যুর পর স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। হামলা-ভাঙচুরে উৎসাহী কিছু লোকও অংশ নিয়েছে।’ জেলা সিভিল সার্জন মো. আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় কারও কোনো ধরনের গাফিলতি রয়েছে কি না, সেটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন একটি শিশুর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজন ও উৎসাহী কিছু মানুষ ‘মব’ সৃষ্টি করে ভাঙচুর চালিয়েছেন। তাঁদের দাবি, ভুল চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের বুঝিয়ে শান্ত করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হামনোয়াখালীস্বাস্থ্যচিকিৎসাভাঙচুরচট্টগ্রাম বিভাগ
