মিঠামইনে বিএনপি-আ.লীগ অনুসারীদের সংঘর্ষ, আহত ৩০
Why this classification
This incident was classified as political violence in Nilphamari. Parties reported: BNP, AL. Reported casualties: 0 killed and 30 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
30
Summary
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপি ও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। ২০২৬ সালের ২৩ মার্চ সকালে উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 30
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
মিঠামইনে বিএনপি-আ.লীগ অনুসারীদের সংঘর্ষ, আহত ৩০
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ এলাকায় এই সংঘর্ষ চলে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কেওয়ারজোড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত কাশেমের সমর্থকদের সঙ্গে একই গ্রামের বিএনপির সমর্থক নজিরের অনুসারীদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এরই জের ধরে সোমবার সকালে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে নজিরের পক্ষের অন্তত ২১ জন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়াকে (৩০) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আরও পাঁচজনকে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত অন্যরা মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঈদুল ফিতরের আগে থেকেই কাশেম চেয়ারম্যানের অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্র মজুত করে আসছিলেন। তাঁদের ঈদের নামাজের পর হামলার পরিকল্পনা ছিল। গতকাল রোববার রাত থেকেই তাঁরা প্রতিপক্ষকে হুমকি দিচ্ছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে লাউকুড়ার মাঠে নজিরের পক্ষের ওপর প্রথমে হামলা হয়। পরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। ইউপি চেয়ারম্যান কাশেমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে।’
কিশোরগঞ্জে আ.লীগ–বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ৩০
সারাদেশ কিশোরগঞ্জ কিশোরগঞ্জে আ.লীগ–বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ৩০ জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ ২৩ মার্চ ২০২৬, ১৭:২৯ অ+ অ- কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিজ্ঞাপন স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কাশেম গ্রুপ এবং একই গ্রামের বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এর জেরে সকালে লাউ কুড়ার মাঠে উভয়পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের ২১ জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়া (৩০)-কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া গুরুতর আহত আরও পাঁচজনকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, ঈদের আগে থেকেই কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র মজুদ করছিলেন এবং ঈদের নামাজের পর হামলার পরিকল্পনা ছিল। তবে তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় আগের রাত থেকেই হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সকালে নজির গ্রুপের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের পর অন্তত তিনটি মামলা রয়েছে এবং তিনি মাঝে মধ্যে ইতালিতে অবস্থান করেন, যেখানে তার নাগরিকত্বও রয়েছে। বিজ্ঞাপন মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, খবর পেয়ে কাটখাল পুলিশ ফাঁড়ি ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মোহাম্মদ এনামুল হক হৃদয়/এসএইচএ
দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ৩০
দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ৩০ Advertisement কিশোরগঞ্জ ব্যুরো প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে মাছ ধরা ও রিং জাল চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইমামনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সূত্র জানায়, ওই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ইমামনগর গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য হান্নান মিয়া এবং সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল লতিফের স্বজনদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বিরোধ মীমাংসার জন্য সালিশের উদ্যোগ নেন এলাকাবাসী। শুক্রবার সকালে সালিশে বৈরাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হন। কিন্তু সালিশি দরবার শুরুর আগেই দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকরা দা, বল্লম, বর্শা, টেঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। ঘণ্টাব্যাপী চলা ধাওয়া-পালটাধাওয়া এবং সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। অষ্টগ্রাম সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দিদারুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
