পটুয়াখালীর দুটি আসন ঘিরে শঙ্কা, বাকি দুটি নিরুত্তাপ
Why this classification
A specific clash on 8 February 2026 in Baufal, Patuakhali, between supporters of the BNP and Jamaat candidates left at least 50 people injured, and the army had to restore order. This is a concrete, recent, physical violent incident in Bangladesh, so it qualifies even though the article is mainly an election preview.
Killed
0
Injured
50
Summary
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়, যাতে অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন। পরে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের কর্মী-সমর্থকরা বাউফল থানা ঘেরাও করেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 50
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পটুয়াখালীর দুটি আসন ঘিরে শঙ্কা, বাকি দুটি নিরুত্তাপ
পটুয়াখালী-২ আসনে সংঘর্ষ হয়েছে বিএনপি-জামায়াতের পটুয়াখালীর দুটি আসন ঘিরে শঙ্কা, বাকি দুটি নিরুত্তাপ পটুয়াখালী-২ আসনে নুরুল হক সমর্থকদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘাত মামুনপন্থিদের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য পটুয়াখালীর ৫৫৭টি ভোটকেন্দ্রে নেওয়া শুরু হয় নির্বাচনী সরঞ্জাম। এ জন্য বুধবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আসেন ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ অন্যরা -সমকাল মুফতী সালাহউদ্দিন, পটুয়াখালী প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৯:২০ | প্রিন্ট সংস্করণ পটুয়াখালী জেলার চারটি আসনের মধ্যে পটুয়াখালী-২ ও পটুয়াখালী-৩ আসনের প্রার্থী ও ভোটাররা শঙ্কিত। ইতোমধ্যে এই দুটি আসনে কয়েক দফায় সংঘাত হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছেন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। কেউ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। আবার কেউ কেউ এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন সম্ভব নয় বলেও প্রশাসনকে হুমকি দিচ্ছেন। সবমিলিয়ে এ দুটি আসনের ভোটগ্রহণের সময় সহিংসতা ও পেশীশক্তির প্রভাব দেখা দিতে পারে– এমন আশঙ্কা করছেন প্রার্থীরা। ফলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অন্যদিকে, পটুয়াখালী-১ ও পটুয়াখালী-৪ আসনে গতকাল বুধবার রাত পর্যন্ত স্বাভাবিক পরিবেশ দেখা গেছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ মেলেনি। বিশেষ করে পটুয়াখালী-১ আসনের নির্বাচনী উত্তাপ একেবারেই নেই। পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনে কাগজে-কলমে ছয়জন প্রার্থী। ভোটের মাঠে বিএনপির আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ১১ দলীয় জোটের মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ফিরোজ আলমকেই সক্রিয় দেখা গেছে। অন্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টির আ. মন্নান হাওলাদার ও বাংলাদেশ জাসদের গৌতম চন্দ্র শীলের নির্বাচনী প্রচারণা হয়েছে ঢিলেঢালা। গণঅধিকার পরিষদের মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিম বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন। এ কারণে হেভিওয়েট প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিপক্ষে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। ফলে এ আসনের নির্বাচনী প্রচার কেটেছে অনেকটা নিষ্প্রাণভাবে। অতীতের নির্বাচনে এই আসনে কোনো দলেরই একক আধিপত্য ছিল না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হওয়া চার নির্বাচনের দুটিতে বিএনপি ও দুটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী হন। ১৯৯১ সালে বিএনপির এম কেরামত আলী, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের মো. শাহজাহান মিয়া, ২০০১ সালে বিএনপির আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের মো. শাহজাহান মিয়া নির্বাচিত হন। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় একরকম খোশমেজাজেই আছেন আলতাফ চৌধুরী। তাঁর অনুসারীরা বলছেন, বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার। পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনেও আওয়ামী লীগ অতীতে একক আধিপত্য দেখাতে পারেনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হওয়া চারটি নির্বাচনের মধ্যে তিন দফায় আওয়ামী লীগ ও এক দফায় বিএনপির প্রার্থীরা জেতেন। ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে জেতেন আওয়ামী লীগের আ স ম ফিরোজ। ২০০১ সালে নির্বাচিত হন বিএনপির সহিদুল আলম তালুকদার। এবারের নির্বাচনে এখানে পাঁচজন প্রার্থী। তবে মাঠের লড়াই জমে উঠেছে বিএনপির সহিদুল আলম তালুকদার, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মালেক হোসেনের মধ্যে। এবি পার্টির মো. রুহুল আমিন ও গণঅধিকার পরিষদের হাবিবুর রহমান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মূল লড়াই হবে বিএনপির সহিদুল তালুকদারের সঙ্গে জামায়াতের শফিকুল ইসলাম মাসুদের। দুই প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকরাই মারমুখী অবস্থানে আছেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুই পক্ষের মধ্যে বড় সংঘর্ষ হয়। এমনকি, বাউফল থানার ওসির অপসারণের দাবিতে থানা ঘেরাও করেন ১১ দলীয় জোটের কর্মী-সমর্থকরা। সেদিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দফায় দফায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হন অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী। পরে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর রেশ ভোটগ্রহণের দিন ও পরও থাকবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা। এ আসনের ১১৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩০টিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন ঘিরে আলোচনা দেশের সব জায়গায় ছড়িয়ে গেছে। গোপালগঞ্জের পর এই আসনটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠেয় চারটি নির্বাচনেই এখানে জিতেছেন দলটির প্রার্থীরা। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ সালে জয়ী প্রার্থীর নাম আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন। ২০০৮ সালের জিতেছেন গোলাম মাওলা রনি। এবারের নির্বাচনের চার প্রার্থীর মধ্যে আলোচনায় এগিয়ে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হাসান মামুন। এখানে জামায়াতে ইসলামীর মুহা. শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবু বক্কর সিদ্দিকী থাকলেও নুর ও মামুনের মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত স্পষ্ট। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ায় বিএনপির জন্য ছিল সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু বাদ সাধেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। তাঁকেই সমর্থন দেয় কেন্দ্রীয় বিএনপি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। দুই উপজেলার তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও সমর্থন জানান তাঁকে। অনেক চেষ্টা করে কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতারা মামুনকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারেননি। পরে মামুনকে বহিষ্কার করা হয়। দুই উপজেলার কমিটিসহ সব ইউনিট-ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এর জেরে নুর-মামুনের নির্বাচনী প্রচারে সংঘাত বাধে। প্রশাসন দুই প্রার্থীকে সতর্কবার্তা দিয়েও তাদের থামাতে পারেনি। এ আসনে ১২৪টির মধ্যে ৮০টি ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ। পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনটিই জেলার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দক্ষিণাঞ্চলের যেসব উন্নয়ন হয়েছে তার বেশির ভাগই এই আসনটিকে ঘিরে। এখানে পর্যটন কেন্দ্র, পায়রা সমুদ্রবন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, নৌ ঘাঁটি বানৌজা শেরে-ই-বাংলা, সাবমেরিন কেবল ল্যাল্ডিং স্টেশন, রাঙ্গাবালীকে উপজেলায় উন্নীতকরণসহ ব্রিজ ও রাস্তাঘাট। এ আসনটিকেও আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে বলেন দলটির নেতাকর্মীরা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হওয়া চার নির্বাচনেই এখানে জিতেছে আওয়ামী লীগ। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে আনোয়ার-উল ইসলাম এবং ২০০১ ও ২০০৮ সালে মাহবুবুর রহমান তালুকদার নির্বাচিত হন। এবার এখানে চারজন প্রার্থী থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন তিনজন। বিএনপির এ বি এম মোশাররফ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমান ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ। গণঅধিকার পরিষদের মো. রবিউল হাসান বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে সরে গেছেন। এখানে ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের আভাস মিললেও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এখানে ১১১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ২৫টি। পটুয়াখালীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পটুয়াখালী-২ ও পটুয়াখালী-৩ আসনে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। চর কাজল ও চর বিশ্বাসে সেনা ক্যাম্প করা হয়েছে। - বিষয় : - ভোট
