মাদকবিরোধী অভিযানের নামে বগুড়ায় নারীকে লাঠিপেটা

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

The incident involves BNP members physically beating a woman and a village police officer, showing party officials as the perpetrators; therefore it qualifies as political violence.

Reported by:JugantorSingle source
13/07/26•Shahjalal Bazar

Killed

0

Injured

1

Summary

১৩ জুলাই বগুড়া, কাজলা ইউনিয়নে রফিকুল ইসলাম ও সহকর্মীরা মাদকবিরোধী অভিযানের নামে শ্যালিকা সন্ধ্যা রানীসহ একাধিক ব্যক্তিকে লাঠিপেটা করেন। ঘটনায় গ্রামপুলিশ রিপন রবিদাসও মাদকসেবনের অভিযোগে পিটানো হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

LocalsLaw Enforcement

Other actors

এএসএস রফিকুল ইসলামমহিদুল ইসলামরিপন রবিদাসসন্ধ্যা রানী

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals, Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 16/07/26open original ↗

মাদকবিরোধী অভিযানের নামে বগুড়ায় নারীকে লাঠিপেটা

মাদকবিরোধী অভিযানের নামে বগুড়ায় নারীকে লাঠিপেটা Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বগুড়ার সারিয়াকান্দির কাজলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এএসএস রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে স্বামী পরিত্যক্তা নারীসহ কয়েকজনকে লাঠিপেটার অভিযোগ উঠেছে। ওই নারীর নাম সন্ধ্যা রানী। সোমবার সকালে স্থানীয় শাহজালাল বাজার এলাকায় তিনি এক বিএনপি নেতাকে সঙ্গে নিয়ে এ মারধর করেন। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনগণের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বুধবার দুপুরে রফিকুল জানান, মনে হয় তিনি মানবতা রক্ষা করতে গিয়ে মানবতাবিরোধী কাজ করে ফেলেছেন। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, রফিকুল ইসলাম ১৩ জুলাই সকালে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাজলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম। চেয়ারম্যান ও তার লোকজন গ্রামপুলিশ রিপন রবিদাসকে মাদকসেবনের অভিযোগে লাঠিপেটা করছেন। এ সময় তার (রিপন) স্বামী পরিত্যক্তা শ্যালিকা সন্ধ্যা রানীকেও লাঠিপেটা করা হয়। সন্ধ্যা রানী আগে গাঁজা বিক্রি করলেও এখন করেন না। এর পরও চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে তাকে লাঠিপেটা করায় জনগণের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। সারিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাজলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম জানান, নারীকে মারধরের সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। তিনি এ ঘটনার জন্য সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস জানান, রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।