মন্দিরের জমিতে টিকিট কাউন্টার নির্মাণে বাধা, সম্পাদককে মারধর
Why this classification
A named man and five to six associates physically beat the temple committee's general secretary on the night of 2 April 2026 after he opposed building a bus counter on temple land. The article reports this specific attack, while the protests and statements that followed are only reactions and were not counted as separate incidents.
Killed
0
Injured
1
Summary
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বলভদ্রপুর বাজার-নন্দী মার্কেটের সামনে ২ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) রাতে মন্দিরের জমিতে বাস কাউন্টার স্থাপনে বাধা দেওয়ায় বিকেবিবি সার্বজনীন দুর্গামন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত দাসকে ফেরদাউস শিকদার ও তার সহযোগীরা মারধর করে। এই ঘটনায় বিচার দাবি করে মন্দির কমিটি ও স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মন্দিরের জমিতে টিকিট কাউন্টার নির্মাণে বাধা, সম্পাদককে মারধর
মন্দিরের জমিতে টিকিট কাউন্টার নির্মাণে বাধা, সম্পাদককে মারধর Advertisement বাগেরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২০ পিএম বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মন্দিরের জমিতে জোরপূর্বক টিকিট কাউন্টার নির্মাণ করতে না দেওয়ায় সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত দাসকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবকের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বলভদ্রপুর বাজার-নন্দী মার্কেটের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। টিকিট কাউন্টার স্থাপনকে কেন্দ্র করে বাধাল বাজার সংলগ্ন বলভদ্রপুর এলাকায় বিকেবিবি সার্বজনীন দুর্গামন্দির কমিটির সঙ্গে কয়েক দিন ধরে হামলাকারীদের বিরোধ চলছিল। মন্দির কমিটির নেতারা জানান, বাগেরহাট-পিরোজপুর মহাসড়কের পাশে বাধাল বাজার সংলগ্ন এ মন্দিরের জমিতে স্থানীয় ফেরদাউস শিকদার দূরপাল্লার বাস ইমা পরিবহণের কাউন্টার স্থাপন করবে বলে মন্দির কমিটিকে জানান। মন্দির কমিটি বিষয়টিতে রাজি না হলে হুমকি-ধমকি দিতে শুরু করেন। বুধবার কাউন্টারের ঘর তৈরির জন্য মন্দিরের সামনে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এনে মজুত করেন ফেরদাউস। বিষয়টির প্রতিবাদ করলে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদককে গালিগালাজ করেন। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা হয়। এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করেছেন হামলার শিকার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিদ দাস। তিনি বলেন, ফেরদাউস অন্যায়ভাবে মন্দিরের জমিতে বাস কাউন্টার করতে চেয়েছিল। সম্মতি না দেওয়ায় সে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। হুমকি-ধমকি দেয়। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে যাওয়ার সময় বলভদ্রপুর বাজার-নন্দী মার্কেটের সামনে ফেরদাউস ও সাগরসহ ৫-৬ জন আমার ওপর হামলা করে। আবারও আমাকে মারধরের হুমকি দিয়েছে। এই মুহূর্তে আমি জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় আছি। এদিকে এ হামলার নিন্দা ও দোষীদের বিচার দাবি করে শুক্রবার সকালে মন্দির প্রাঙ্গণে জরুরি সভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মন্দির কমিটি ও স্থানীয়রা। সভায় মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল জব্বার মোল্লা, বনগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ডা. আব্দুল হাই, বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শামসুর রহমান বাধাল বাজার কমিটির সভাপতি মশিউর রহমান, মন্দির কমিটির সভাপতি বাবু উৎপাল কুমার দাস সহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল জব্বার মোল্লা বলেন, ফেরদাউস আগে থেকেই একজন সন্ত্রাসী। জোরপূর্বক কাউন্টার নির্মাণে বাঁধা দেওয়ায় মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানাই। ফেলদাউসকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান বিএনপির এই নেতা। বনগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ডা. আব্দুল হাই বলেন, মন্দিরের জমি ধর্মীয় সম্পত্তি এখানে জোরর্পূবক টিকিট কাউন্টার স্থাপনেরে চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সঠিক তদন্তপূর্বক দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দরকার। বাধাল বাজার কমিটির সভাপতি মশিউর রহমান বলেন, ফেরদাউস ও তার লোকজন মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা করেছে। এটা মন্দির কমিটির নেতাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এর আগেও ফেরদাউস নামের এই ব্যক্তি এলাকার অনেকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। গভীর রাতে সঞ্জিদ দাসের বাড়িতে গিয়েও হুমকি দিয়েছে। আমরা বাজারের ব্যবসায়ীরা এ ঘটনার বিচার দাবি করছি। মন্দির কমিটির সভাপতি উৎপল কুমার দাস বলেন, এ মন্দিরে বাধাল, বক্তারকাঠি, বলভদ্রপুর, বিষখালি, কাঠিপাড়া এই পাঁচটি গ্রামের মানুষ পূজা করেন; কিন্তু ফেরদাউস ও তার লোকজন যে ঘটনা ঘটিয়েছে, তাতে সবার মনে রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমরা ফেরদাউস ও তার সঙ্গে যারা ছিল সবার বিচার চাই। সেই সঙ্গে যাতে কেউ কখনও মন্দিরের জমি দখল করতে না পারে সেজন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেরদাউস শিকদার বলেন, বাধাল বাজারের ব্যবসায়ী মনিরুল শিকদারের সমঝোতায় ওই জায়গাটি মাসে ৫শ টাকা চুক্তিতে ভাড়া নিয়েছিলাম; কিন্তু পরে মন্দিরের লোকজন আমাদের কাউন্টার করতে দিতে অস্বীকার করেন। মূলত মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত ঝামেলা রয়েছে। মন্দিরের জমি দখলসংক্রান্ত কোনো বিষয় নেই। এদিকে খবর শুনে মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ভবনের পাশে টিকিট কাউন্টার নির্মাণের জন্য একটি পক্ষ চেষ্টা করেছে। তারাই মন্দিরের সাধারণ সম্পাদককে মারধর করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
