নাটোরে মুয়াজ্জিনকে ছুরিকাঘাত

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

A Muezzin was stabbed with a sharp weapon during Fajr Azan in a mosque in Natore, resulting in physical injuries.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
05/10/26•Char Bangalpara Jame Mosque, Naldanga

Killed

0

Injured

1

Summary

নাটোরের নলডাঙ্গার চর বাঙালপাড়া জামে মসজিদে ফজরের আজান দেওয়ার সময় মুয়াজ্জিন সৈয়দ আলী মৃধাকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Syed Ali MridhaSaiful IslamAmirul IslamMonowar Jahan

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 06/10/26open original ↗

নাটোরে মুয়াজ্জিনকে ছুরিকাঘাত

নাটোরে মুয়াজ্জিনকে ছুরিকাঘাত নাটোর সংবাদদাতা প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬ | ২২:১৪ | আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৬ | ২২:২৩ নাটোরের নলডাঙ্গায় সৈয়দ আলী মৃধা (৪৯) নামের এক মুয়াজ্জিনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার ভোরে ফজরের আজান দেওয়ার সময় উপজেলার চর বাঙালপাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। সৈয়দ আলী মৃধা চর বাঙালপাড়া এলাকার শাহাদ হোসেনের ছেলে। প্রতিবেশী তুষার আহমেদ জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরে মসজিদের মাইকে ফজরের আজান দিচ্ছিলেন সৈয়দ আলী মৃধা। হঠাৎ আজান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা মসজিদে গিয়ে মুয়াজ্জিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় ভেতরে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চর বাঙালপাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, সৈয়দ আলী মৃধা ভালো মানুষ। তার কোনো শত্রু আছে বলে জানা নেই। ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিচারের দাবি জানান তিনি। পিঁপরুল ইউনিয়নের সদস্য আমিরুল ইসলাম বলেন, ধারালো ছুরি দিয়ে সৈয়দ আলী মৃধার পেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়েছে। পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে তার ধারণা। নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার জাহান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Source 2: Jugantor · 26/05/26open original ↗

নাটোরে কাউন্টার মাস্টারের পায়ের রগ ও কবজি কাটল ছাত্রদল নেতা

নাটোরে কাউন্টার মাস্টারের পায়ের রগ ও কবজি কাটল ছাত্রদল নেতা Advertisement নাটোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নাটোর সদরের হয়বতপুর ঢাকা কাউন্টারে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় বাস কাউন্টার মাস্টার মিজানুর রহমানের পায়ের রগ ও হাতের কবজি কর্তনের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত বাস মাস্টারকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাস কাউন্টার মাস্টার মিজানুর রহমান বিএনপিকর্মী এবং তার ওপর যারা হামলা করেছে তারা ছাত্রদলসহ ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় আহত বাস মাস্টারের বাবা রুস্তম আলী বাদী হয়ে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে নাটোর থানায় মামলা করেছেন। নাটোর থানার ওসি মুনসুর রহমান জানিয়েছেন, এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ সুমন নামে একজনকে ইতোমধ্যে আটক করেছে। জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদরের হয়বতপুর বাস টার্মিনালের ঢাকা কাউন্টারে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় বাস কাউন্টার মাস্টার মিজানুরের পায়ের রগ ও কবজি কেটে ফেলে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত বাস কাউন্টার মাস্টারের স্বজনরা দাবি করেছেন, সদর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানার নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তারা। এদিকে পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, একই এলাকার সেলিম উদ্দিনের প্রবাসী ছেলেকে এক লাখ টাকা দিয়ে একটি আইফোন কিনে দেওয়ার জন্য টাকা দেয় সদর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা। টাকা লেনদেনের দীর্ঘদিন পরও আইফোন না দেওয়ায় সম্প্রতি সেলিম উদ্দিনের বাড়িতে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এর জের ধরে রোববার রাতে ছাত্রদল নেতা সোহেল ও তার ঘনিষ্ঠ রাসেলসহ ৬-৭ জন হয়বতপুর বাস কাউন্টারে এসে কাউন্টার মাস্টার মিজানুরের ওপর হামলা চালায়। আহত মিজান জেলা কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক মফিজ উদ্দিন মাস্টারের অনুসারী। অপরদিকে হামলাকারী সোহেল রানা ও রাসেল জেলা যুবদলের সহসভাপতি কবির হোসেন কাঙ্গালের অনুসারী বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।