কুমিল্লায় যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
Why this classification
This incident involved a fatal physical attack with sharp weapons resulting in one death and one critical injury over a land dispute in Comilla.
Killed
1
Injured
1
Summary
২০২৬ সালের ১৬ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ছত্রখিল এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবদল কর্মী আবু কাউছারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ হামলায় একজন অটোরিকশাচালকও গুরুতর আহত হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
কুমিল্লায় যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লায় যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা মো. আবু কাউছার কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬:৫৩ | আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬:৫৩ কুমিল্লায় মো. আবু কাউছার (৩৫) নামে এক যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন অটোরিকশা চালক মো. মাছুম মিয়া। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে কুপিয়ে হত্যা করে বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। নিহত কাউছার নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদলের সদস্য। তিনি কাপ্তানবাজার এলাকার মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি কবির হোসেনের ছোট ভাই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরীর কাপ্তানবাজার এলাকার কাউছারের বন্ধু মো. শামীম এবং আদর্শ সদর উপজেলার নন্দিরবাজার এলাকার তানজিল ও তৌহিদের মধ্যে ছত্রখিল এলাকার একটি জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। শুক্রবার সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে শামীম, তার বন্ধু কাউছার, হেলাল উদ্দিনসহ কয়েকজন গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। নিহত কাউছারের বন্ধু হেলাল উদ্দিন জানান, ওই জমি নিয়ে বিরোধ নিরসনের জন্য আমাদের সেখানে যেতে বলা হয়েছিল। তার ভাষ্য, ‘আমরা সেখানে যাওয়ার পর পরিকল্পিতভাবে তৌহিদ, তানজিলসহ তাদের লোকজন আমাদের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। তারা কাউছারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সংকটাপন্ন অবস্থায় নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে দুপুর ২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’ এ ঘটনায় গুরুতর আহত অটোরিকশাচালক মো. মাছুম মিয়াকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব বলেন, ‘হামলায় জড়িত তৌহিদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। তারা স্থানীয়ভাবে জমির দালালি করেন। কেউ জমি বিক্রি করতে গেলে তারা চাঁদাবাজি করেন।’ এদিকে, মরদেহ দেখতে বিকাল ৪টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পরিবারটি বিএনপির জন্য নিবেদিত। জমি নিয়ে বিরোধে এভাবে কুপিয়ে হত্যার বিষয়টি দুঃখজনক। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। ঘটনার পর হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটক করতে পুলিশের চেষ্টা চলছে। - বিষয় : - হত্যা - যুবদল নেতা - জমি নিয়ে বিরোধ
যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা. কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মো. কাউছার আলম নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
কুমিল্লায় যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্তের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ
যুবদল কর্মীকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। নন্দিরবাজার, কুমিল্লা। ১৬ অক্টোবর ২০২৬ছবি: প্রথম আলো কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবদল কর্মী আবু কাউছারকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার নন্দিরবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ছত্রখিল এলাকায় গোমতী নদীর উত্তর পাড়ে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আবু কাউছারকে কুপিয়ে জখম করা হয়। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি কুমিল্লা নগরের কাপ্তান বাজার এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক মাসুমও আহত হন। নিহত আবু কাউছারের বন্ধু শামীম হোসেনসহ প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, তৌহিদুল ইসলাম ওরফে তৌহিদের নেতৃত্বে কয়েকজন কাউছারের ওপর হামলা চালান। তৌহিদুল আদর্শ সদর উপজেলার নন্দিরবাজার এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে। জানা গেছে, নিহত কাউছারের বন্ধু শামীম হোসেনের সঙ্গে নন্দিরবাজার এলাকার তৌহিদুল ও তানজিলের ছত্রখিল এলাকার একটি জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শামীমের দাবি, তিনি জমিটি কিনেছিলেন। জমি দখলে বাধা দেওয়া হচ্ছিল তাদের। এ নিয়ে বিরোধের কারণে শুক্রবার তিনি কয়েকজনকে নিয়ে সেটি দেখতে যান। এ সময় তৌহিদুল নেতৃত্বে তাঁদের ওপর হামলা হয়। হামলাকারীরা কাউছারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন। পরে তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। কুমিল্লা মহানগর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান (বিপ্লব) বলেন, আবু কাউছার আগে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সদস্য ছিলেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে কাউছার নগরের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে তাঁর কোনো পদ-পদবি ছিল না। কাউছারের বড় ভাই কবির হোসেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসভাপতি। খলিলুর রহমানের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়া তৌহিদুল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন বলে দাবি করেন খলিলুর রহমান। তাঁর ভাষ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তৌহিদুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয় এবং ওই মামলায় ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি ছয় মাস কারাগারে ছিলেন। নন্দিরবাজার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছেছবি: প্রথম আলো এসব অভিযোগের বিষয়ে তৌহিদুল ও তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে তাঁরা এলাকায় নেই। বাড়িতে কয়েকজন নারী থাকলেও তাঁরা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাউছার নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিকেলে অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে শতাধিক লোক নন্দিরবাজার এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা তৌহিদুলের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালান। পরে বাড়ির কয়েকটি কক্ষে আগুন দেওয়া হয়। এতে ঘরের আসবাবসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়। বাড়ির জানালার কাচসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়। একই সময়ে বাড়ির সামনে থাকা একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও ভাঙচুর চালানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশের উপস্থিতিতে বাড়ির লোকজনও আগুন নেভান। পরে কুমিল্লা থেকে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য সেখানে গিয়ে অবস্থান নেন। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, বিকেলে একদল বিক্ষুব্ধ লোক নন্দিরবাজার এলাকার তৌহিদুলের বাড়িতে ভাঙচুর চালান এবং অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করেন। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে ওসি বলেন, ঘটনার সময় সেখানে থাকা লোকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, তৌহিদুলসহ কয়েকজন এ ঘটনায় জড়িত। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হামলাযুবদলজমিভাঙচুরকুমিল্লাহত্যা
