ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার
Why this classification
This is a specific, recent incident in which a man publicly beat his wife on 14 February 2026, as shown in a viral video and described by the victim. The article's main focus is the party's expulsion of the man, but the underlying physical assault is a real act of violence and is reported as a concrete event.
Killed
0
Injured
1
Summary
পিরোজপুরের নাজিরপুরে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পরকীয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ার পর ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মুন্না প্রকাশ্যে স্ত্রী মারিয়া ইসলাম মায়াকে মারধর করেন। ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে জেলা ছাত্রদল তাঁকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার
ফেসবুকে স্ত্রীকে লাঞ্ছিত করার ভিডিও ভাইরাল ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার পিরোজপুর ও নাজিরপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৩৩ পিরোজপুরের নাজিরপুরে প্রকাশ্যে স্ত্রীকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আরিফুল ইসলাম মুন্না নামে এক ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করেছে জেলা ছাত্রদল। রোববার রাতে জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক খালিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কার হওয়া আরিফুল ইসলাম মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরে আলমের ছেলে ও উপজেলার মাটিভাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার জানান, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আরিফুল ইসলাম মুন্নাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। জানা যায়, আরিফুল ইসলামের হাতে তাঁর স্ত্রী লাঞ্ছিত হওয়ার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, আরিফুল ইসলাম তাঁর স্ত্রী মারিয়া ইসলাম মায়াকে মারধর করছেন। এ সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘তোকে আমি ডিভোর্স দিয়েছি। আমাকে কেন জ্বালাতন করো।’ আরিফুল ইসলামের স্ত্রী মারিয়া ইসলাম মায়া জানান, ভালোবেসে প্রায় আড়াই বছর আগে পরিবারের অমতে তারা বিয়ে করেন। ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখেন আরিফুল। পরে তিনি একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মাটিভাঙ্গা কলেজের পাশে একটি বাড়িতে পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত থাকা অবস্থায় আরিফুলকে হাতেনাতে ধরেন তিনি। পরে আরিফুল তাঁকে প্রকাশ্যে মারধর করেন এবং ডিভোর্স দেওয়ার হুমকি দেন। অভিযোগ অস্বীকার করে আরিফুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক ঝামেলার কারণে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সেই সময় দূর থেকে কেউ ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দিয়েছে। নাজিরপুর থানার ওসি হারুন অর রশিদ জানান, এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - বহিষ্কার
