বাউফলে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ইউপি উদ্যোক্তাকে মারধরের অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a physical beating and theft by a BNP leader’s group, which is a concrete violent act occurring on 16 June 2026 in Bangladesh, thus it meets the violence criteria.

Reported by:JugantorSingle source
16/06/26•Daspara Union Parishad Office

Killed

0

Injured

1

Summary

১৬ জুন, পটুয়াখালী বাউফলে দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উদ্যোক্তা সাইফুল হাসানকে আলী আজম চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৫-২০ জন দল মারধর করে ল্যাপটপ নিয়ে যায়। ইউপি চেয়ারম্যানের শ্যালক হওয়ায় গেট ও অফিসের দরজা তালা করা হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

আলী আজম চৌধুরীসাইফুল হাসান

Affected infrastructure

Union Parishad office gateoffice doorlaptop

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 16/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 16/06/26open original ↗

বাউফলে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ইউপি উদ্যোক্তাকে মারধরের অভিযোগ

বাউফলে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ইউপি উদ্যোক্তাকে মারধরের অভিযোগ Advertisement বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:৫৬ পিএম ভুক্তভোগী সাইফুল হাসান। পটুয়াখালীর বাউফলে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) উদ্যোক্তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার কয়েকজন ইউপি সদস্যের কাছ থেকে দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এএনএম জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে জোর করে অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ইউপি চেয়ারম্যানের শ্যালক হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে উদ্যোক্তা সাইফুল হাসানকে মারধর করা হয় বলে দাবি করা হয়। একপর্যায়ে তার ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং ইউপি কার্যালয়ের মূল ফটক ও তার অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সাইফুল হাসান অভিযোগ করে জানান, প্রতিদিনের মতো তিনি মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে নাগরিক সেবা দিচ্ছিলেন। দুপুর ১টার দিকে আলী আজম চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল সেখানে গিয়ে তাকে কক্ষ ছাড়তে বলেন। ইউএনওর অনুমতি ছাড়া তিনি কক্ষ ছাড়বেন না জানালে তাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে কিল-ঘুসি মেরে আহত করা হয় এবং তার ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়া হয়। দাসপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, সোমবার বেলা ১০টার দিকে আলী আজম চৌধুরীর নেতৃত্বে ৪০-৪৫ জনের একটি দল কালাইয়া বাজারে তার বাসায় গিয়ে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে বলে। কাগজে কী লেখা আছে জানতে চাইলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের কথা বলা হয়। তিনি স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানালে জোরপূর্বক তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এ বিষয়ে তিনি ইউএনওর কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য কুলসুম বেগম। তিনি বলেন, ওই কাগজে স্বাক্ষর করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। আগের দিন চোখের অস্ত্রোপচারের পর বিশ্রামে থাকায় ভীত হয়ে তিনি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা আলী আজম চৌধুরী বলেন, যা কিছু ঘটেছে, তা ইউপি সদস্যরা করেছেন। কোনো ঘটনার সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার নাম জড়ানো হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, উদ্যোক্তাকে মারধরের খবর পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কয়েকজন সদস্যের দেওয়া অনাস্থা আবেদন পাওয়া গেছে। পাশাপাশি দুই ইউপি সদস্যের কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।