মৌলভীবাজারে বাস ভাঙচুরের প্রতিবাদে হবিগঞ্জে সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

The article reports a recent (1 Oct 2026) transport strike with bus seizure, vandalism and beating of workers, which meets the violence criteria and falls within the 14‑day window, so it is classified as violence. No political party is directly involved, so it is not political violence.

Reported by:Ajker PatrikaJugantorSamakalCorroborated · 3 sources
11/09/26•Habiganj Municipal Bus Terminal

Killed

0

Injured

0

Summary

১ অক্টোবর থেকে হবিগঞ্জ জেলায় বাস, অটো রিকশা ও মাইক্রোবাসসহ সব গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছে, যা বাস আটকে ভাঙচুর ও শ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আবু মঈন চৌধুরী সোহেলআবু নাঈম চৌধুরী সুহেল

Affected infrastructure

busesCNG auto‑rickshawsmicrobuses

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 18/05/26open original ↗

হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট, দুর্ভোগ

হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট, দুর্ভোগ ছবি: ফাইল হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬ | ১০:৩৯ মৌলভীবাজার রুটে বাস চলাচলে বাধা, শ্রমিকদের মারধর ও বাস ভাঙচুরের ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান না হওয়ায় আবারও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতি। গতকাল রোববার হবিগঞ্জ থেকে সিলেটগামী সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করা হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী, অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা। বিশেষ করে নারী ও শিশু এবং অফিসগামী যাত্রীদের বেশি দুর্ভোগের শিকার হন। জানা গেছে, হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটটি মৌলভীবাজার জেলার ওপর দিয়ে গেছে। দুই বছর ধরে এ রুটে হবিগঞ্জের বাস চলাচল নিয়ে বিরোধ চলছে দুই জেলার মালিক সমিতির মধ্যে। এ নিয়ে একাধিকবার হামলা, পাল্টা হামলাসহ ঘটেছে বাস চলাচল বন্ধের ঘটনাও। সবশেষ গত শুক্রবার সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসা হয় প্রশাসনের মধ্যস্ততায়। কিন্তু তাতেও কোনো সুরাহা হয়নি। গত শনিবার আবারও হবিগঞ্জের বাস আটকে শ্রমিকদের মারধর করার অভিযোগ উঠে মৌলভীবাজারের শ্রমিকদের বিরুদ্ধে। ফলে তাৎক্ষণিক হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে প্রশাসনের মধ্যস্ততায় অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে সুরাহা না হওয়ার রোববার সকাল থেকে হবিগঞ্জ-সিলেট, হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজারসহ জেলার সব অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ করা হয়। গতকাল সকালে সরেজমিন শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দেখা যায়, সকাল থেকে হবিগঞ্জ-সিলেট, হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেটসহ জেলার অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় স্ট্যান্ডে সারি সারি করে বাসগুলো দাঁড়িয়ে রয়েছে। এত করে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দৈনন্দিন যাত্রীরা। সকালে কাজে বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাসস্ট্যান্ডে এসে অনেককে ফিরে যেতে দেখা গেছে। দূরপাল্লার যাত্রীরাও পড়েছেন অনিশ্চয়তায়। অনেকেই বাধ্য হয়ে অটোরিকশাসহ বিকল্প যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় জেলার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডেও যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। সিলেটগামী যাত্রী কারিমুল ইসলাম বলেন, ‘আমি আমার অসুস্থ ভাইকে নিয়ে সিলেট যাওয়ার জন্য টার্মিনালে এসেছিলাম। এখন এসে দেখি বাস বন্ধ। তাই বাধ্য হয়ে আমাকে বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে।’ শিক্ষার্থী নয়ন চৌধুরী বলেন, ‘কয়েক দিনের ছুটিতে আমি বেড়াতে বাড়ি এসছিলাম। এখন ফেরার পথে বাস পাচ্ছি না। যে কারণে আমাকে শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে সিলেট যেতে হবে। এতে সময়ও বেশি লাগবে।’ নুরুন্নাহার বেগম নামে এক নারী জানান, তিনি পরিবার নিয়ে সিলেটে থাকেন। সন্তানদের নিয়ে সিলেট যাওয়ার জন্য হবিগঞ্জে এসেছিলেন। এখানে বাসস্ট্যান্ডে এসে শুনতে পান বাস বন্ধ। যে কারণে চরম বিপদে পড়েছেন। মনিরুল ইসলাম নামের অপর এক ভুক্তভোগী বলেন, প্রয়োজনীয় কাজে তিনি মৌলভীবাজার যেতে বাসস্ট্যান্ডে এসেছিলেন। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় এখন যেতে পারছেন না। কয়েক দিন পরপর এভাবে আকস্মিক ধর্মঘটের কারণে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যা যাত্রীদের দুর্ভোগে ফেলছে। হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলার পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। এখনও সমস্যার গ্রহণযোগ্য সমাধান হয়নি। এ কারণে আমরা বাস চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছি। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। - বিষয় : - মৌলভীবাজার

Source 2: Ajker Patrika · 01/10/26open original ↗

মৌলভীবাজারে বাস ভাঙচুরের প্রতিবাদে হবিগঞ্জে সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট

মৌলভীবাজারে বাস আটকে ভাঙচুর ও শ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল থেকে হবিগঞ্জ জেলায় অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। ধর্মঘটের কারণে জেলার অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য গণপরিবহনও।ধর্মঘটের ফলে হবিগঞ্জের সঙ্গে সিলেট বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার সড়ক যোগাযোগ কার্যত ব্যাহত হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে ধর্মঘটের বিষয়টি না জেনে সকালে বাস টার্মিনালে এসে অনেক যাত্রীকে ফিরে যেতে দেখা গেছে। হবিগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনাল, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর, শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজসহ বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের দুর্ভোগের খবর পাওয়া গেছে।বৃহস্পতিবার সকালে হবিগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাসগুলো। কোনো বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যায়নি। আবার অন্য কোনো বাসও টার্মিনালে প্রবেশ করেনি। বিরোধের সূত্রপাত যেভাবেহবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, মৌলভীবাজারের মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বারবার হবিগঞ্জের বাস আটক করে শ্রমিকদের মারধর করছেন। এর প্রতিবাদেই ১ অক্টোবর সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।তাঁদের দাবি, পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবিগঞ্জের বাসগুলো যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।আবু মঈন চৌধুরী সোহেল জানান, গত ১১ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারে হবিগঞ্জের ২৫টি বাস আটক করে শ্রমিকদের মারধর করা হয়। এরপর ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে হবিগঞ্জ-সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গত ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পরিবহন মালিক সমিতি হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের বাস মালিক নেতাদের ঢাকায় ডাকে। সেখানে বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন ও বাংলাদেশ পরিবহন মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় একটি সিদ্ধান্ত হয়।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১২ জুন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস চলাচল করবে এবং মৌলভীবাজারে আটক বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হবে।তবে আবু মঈন চৌধুরী সোহেলের দাবি, ২১ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করা হলেও আটক বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়নি। পরে ২২ সেপ্টেম্বর বাসগুলো ফেরত পাওয়া গেলেও কয়েকটি বাস থেকে তেল ও ব্যাটারি চুরি এবং গ্লাস ভাঙচুর অবস্থায় পাওয়া যায়।এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর ওই রুটে পুনরায় বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু এরই মধ্যে মৌলভীবাজারে আবারও হবিগঞ্জের তিনটি বাস আটকে রাখা এবং শ্রমিকদের আটকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে রাত ১১টার দিকে শ্রমিকদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান তিনি। ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষহবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম চৌধুরী সুহেল বলেন, মৌলভীবাজারের পরিবহন নেতাদের এ ধরনের আচরণের কারণে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি বলেন, হবিগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজারে পেশাগত, ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু পরিবহন বিরোধের কারণে তাঁদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।এ অবস্থায় প্রতিবাদ হিসেবে ১ অক্টোবর থেকে হবিগঞ্জ জেলার মহাসড়কসহ সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। বাসের পাশাপাশি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য গণপরিবহন বন্ধ রাখার জন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টরা এতে সাড়া দিয়েছেন।সর্বাত্মক ধর্মঘটের কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে হবিগঞ্জ জেলার সব রুটে গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে সিলেট বিভাগের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।

Source 3: Jugantor · 06/06/26open original ↗

হবিগঞ্জে নারীকে অ্যাসিডে ঝলসে দিল সাবেক স্বামী

হবিগঞ্জে নারীকে অ্যাসিডে ঝলসে দিল সাবেক স্বামী Advertisement হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ হবিগঞ্জে রুবিনা আক্তার (২৫) নামে একটি কোম্পানির শ্রমিকের মুখমণ্ডল অ্যাসিডে ঝলসে দিয়েছে তার প্রাক্তন স্বামী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা জাতীয় বার্ণ ইনস্টিটিউটে প্রেরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল হক মুনশী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্ত উজ্জলকে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সদর উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের উজ্জল মিয়ার (২৮) সাথে প্রায় ৩ বছর আগে বিয়ে হয় রুবিনার। বিয়ের পর তাদের ২টি সন্তান জন্ম নেয়। এক পর্যায়ে তাদের মাঝে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত ৬ মাস পূর্বে উজ্জলকে তালাক দেন রুবিনা। তাদের দুই সন্তান বর্তমানে উজ্জল মিয়ার কাছে রয়েছে। এর পরও রুবিনার পিছু ছাড়েননি উজ্জল। বিভিন্ন সময়ে রাস্তাঘাটে আসা যাওয়ার পথে এবং তার কর্মস্থলে গিয়েও রুবিনাকে বিরক্ত করতেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। বৃহস্পতিবার রাতে রুবিনা কোম্পানি থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে শহরতলির বহুলা এলাকায় বাড়ির পাশে পৌঁছলে উজ্জল তার মুখে এসিড নিক্ষেপ করেন। তখন রুবিনা চিৎকার শুরু করলে লোকজন এগিয়ে এলে উজ্জল পালিয়ে যান।