বিশ্বনাথে ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক
Why this classification
This is a real, recent physical clash in Bishwanath, Sylhet, where two village groups fought with stones and bricks from 8 to 10 pm on Sunday, 8 March 2026. More than 50 people were injured, including a schoolboy, and some were admitted to hospital. No police complaint has been filed because local officials offered a settlement.
Killed
0
Injured
50
Summary
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা ও আনরপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে গত ৮ মার্চ (রোববার) রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষ হয়, যাতে স্কুলছাত্রসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতরদের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, স্থানীয় চেয়ারম্যান ও থানার দারোগার আপস মীমাংসার প্রস্তাবের কারণে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 50
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের দায়ে আটক ১০ তরুণ
অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের দায়ে আটক ১০ তরুণ সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬ | ০৯:৪২ | আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ | ১১:৫১ | প্রিন্ট সংস্করণ সিলেট নগরীতে দুই ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ আদায়, বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১০ তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। ওই সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোনসেট, নগদ টাকা, ঘটনায় ব্যবহৃত কাঁচি, চাকু, লোহার রুল এবং তাদের কবল থেকে এক ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে পুলিশ। সোমবার বিকেলে কোতোয়ালি থানার সামনে আয়োজিত এক সংবাদ বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, রোববার রাতে নগরীর জিন্দাবাজার এলাকার তাঁতিপাড়ার নাজমা নিবাস নামে ৫৬ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। আটকৃরা হলো– দক্ষিণ সুরমার গোটাটিকর এলাকার মো. সেলিম আহমদের ছেলে তানজিম মাহবুব নিশান (২১), উপশহর এলাকার মোক্তাদিরের ছেলে আহসান হাবিব মুন্না (১৯), ছাতক উপজেলার মণ্ডলপুর গ্রামের ফয়জুল করিমের ছেলে বর্তমানে হাওয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা জুবাইন আহমদ (১৯), জালালাবাদ থানার আমানতপুর এলাকার আব্দুল মন্নানের ছেলে বর্তমানে শিবগঞ্জ লামাপাড়া এলাকার বাসিন্দা সুফিয়ান আহমদ (১৯), এয়ারপোর্ট থানার চৌকিদেখী এলাকার আনোয়ার মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন (১৯), কাজীটুলা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মারজান (১৯), ছাতক উপজেলার রায়সন্তোষপুর গ্রামের সুজন মিয়ার ছেলে বর্তমানে হাউজিং এস্টেট এলাকার বাসিন্দা মোসাদ্দেক আলী (১৮), হাওয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা রুমান আহমদের ছেলে ফারদিন আহমদ (১৮), শিবগঞ্জ মজুমদারপাড়ার রতনের ছেলে জয়নাল আবেদীন রাব্বি (১৮) ও হাওয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা মানিক মিয়ার ছেলে মিজান আহমদ (১৮)। ওই সময় তাদের কাছে থাকা ভুক্তভোগী প্রবাসী জাহিদ আহমদকে উদ্ধার করে পুলিশ। জাহিদ আহমদ গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেপাশা এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মাহতাবপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বর্তমানে গোয়াবাড়ি এলাকায় বসবাসকারী সুহেল সরকারকে রোববার সন্ধ্যায় তাঁতিপাড়া পয়েন্ট থেকে ১৪-১৫ জন দুর্বৃত্ত অপহরণ করে। তাঁকে তাঁতিপাড়ার ‘নাজমা নিবাস’ নামে একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে চাকু ও কাঁচি দিয়ে ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তাঁর কাছ থেকে নগদ টাকা আদায়ও করা হয়। পরে ভিকটিমের জামাকাপড় খুলে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি সুহেল সরকার কোতোয়ালি থানাকে অবগত করলে পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, ১০ জনকে আটকের সময় তাদের জিম্মা থেকে আরেক প্রবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
বিশ্বনাথে ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক
বিশ্বনাথে ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক Advertisement বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সিলেটের বিশ্বনাথে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। রোববার উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা ও আনরপুর গ্রামবাসীর মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত স্থায়ী এই সংঘর্ষে স্কুলছাত্রসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে গুরুতর কয়েকজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দশপাইকা গ্রামের পক্ষের আহতরা হচ্ছেন- নিজাম উদ্দিন, জুবেল মিয়া, খালেদ খান, শানুর আলী, বাক্প্রতিবন্ধী মাসুক মিয়া, জামাল মিয়া, কামাল মিয়া, চাঁদ উদ্দিন, শাহিন খান ও আব্দুল আলিম। আনরপুর গ্রামের পক্ষে আহতরা হচ্ছেন- সেলিম মিয়া, সাইদুর রহমান, আব্দুল মালিক, স্কুলছাত্র ফয়েজ আহমদ, মান্না মিয়া, আরকুম আলী ও আফজল মিয়া। এছাড়াও রাতের ইটপাটকেলে উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন। জানতে চাইলে দশপাইকা গ্রামের আব্দুল হামিদ খান সুমেদ জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যান আরব খান ও থানার দারোগা জহিরুল ইসলাম বিষয়টি আপস মীমাংসার প্রস্তাব দিয়েছেন। ফলে আমাদের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। এদিকে জানতে চাইলে আনরপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীন বলেন, সংঘর্ষে গ্রামের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের পক্ষ থেকে মামলার কোনো পদক্ষেপ নেইনি।
