মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

ঘটনাটি একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর, যা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা চাপ সৃষ্টির অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। হামলার পেছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ থাকায় এটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

Reported by:JugantorSingle source
24/09/26•রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার, মিরপুর

Killed

0

Injured

0

Summary

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলার পর কেন্দ্রটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যসেবা চালু করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

মাহমুদুর রহমান মান্নাডা. নাসরিন আখতারদেওয়ান আবদুর রশিদ নীলুআবুল হাসান রুবেল

Affected infrastructure

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার

Tags

Party ClashVandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 24/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 30/09/26open original ↗

পঞ্চমদিনে ফ্যানের নিচে স্বাস্থ্যসেবা ধ্বংসস্তূপে চাঞ্চল্য

রাড্ডায় পেছনে চলছে দেওয়াল নির্মাণ পঞ্চমদিনে ফ্যানের নিচে স্বাস্থ্যসেবা ধ্বংসস্তূপে চাঞ্চল্য যুগান্তর প্রতিবেদন ও মিরপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফাইল ছবি রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে মঙ্গলবারও চলেছে সেবাদান কার্যক্রম। কয়েকটি কক্ষ পরিষ্কার করে সীমিত পরিসরে টিকাদান ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একটি কক্ষে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিয়ে একটি সিলিং ফ্যান লাগানো হয়েছে। পেছনের দিকে একটি বারান্দায় ইটের গাঁথুনি দিয়ে দেওয়াল নির্মাণের কাজ চলে। তবে পানির সংযোগ চালু হয়নি এবং শৌচাগার পুরোপুরি মেরামত করা হয়নি। এমন ভাঙাচোরা ও ধুলোময় পরিবেশে চিকিৎসা পেয়েও খুশি শিশুদের নিয়ে আসা মায়েরা। সবকিছু ঠিক হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। তখন পুরোদমে টিকাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা শুরু করা যাবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ। এদিকে, সচিবালয়ে গতকাল মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার দুঃখিত ও বিব্রত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। হামলা ও লুটপাটের পেছনে কোনো ‘বড়ভাই’ বা ‘বড় আপা’ না থাকলে ঢাকা শহরে কোনো সন্ত্রাসী গ্রুপের এত সাহস নেই-রাড্ডা পরিদর্শনে এসে এমন মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। এদিন কেন্দ্রটিতে হামলার বিচার ও অবিলম্বে স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন। বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। শনিবার থেকে সীমিত পরিসরে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দুদিন সড়কের পাশে ত্রিপল টানিয়ে টিকা দেওয়া হয়। সোমবার থেকে কেন্দ্রের একটি ভাঙা কক্ষের ভেতরে টিকাদান শুরু হয়। গতকাল পঞ্চমদিনের মতো একটি কক্ষে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিয়ে একটি সিলিং ফ্যান লাগানো হয়েছে। অন্যান্য কক্ষও পরিষ্কার করে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিয়ে পাখা বসানোর কাজ শেষের দিকে। তবে দুপুর পর্যন্ত পানির সংযোগ চালু হয়নি। শৌচাগারও পুরোপুরি মেরামত করা হয়নি। পেছনের দিকে একটি বারান্দায় ইটের গাঁথুনি দিয়ে দেওয়াল নির্মাণের কাজ চলছে। স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসেবা চালু হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। টিকা দিতে এসেছিলেন মিরপুরের বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল আমিন। তিনি বলেন, জায়গাটি অনেক সুন্দর ছিল। শিশুদের টিকা দেওয়া ছাড়াও কয়েক ধরনের সেবা পাওয়া যেত। সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার বলেন, একটি কক্ষ প্রস্তুত করা সম্ভব হয়েছে। সেখানে সরকারি কর্মসূচির টিকা এবং হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য সেবাও সীমিত পরিসরে দেওয়া যাচ্ছে। গর্ভবতী মায়েদের সেবা, প্রসব-পরবর্তী সেবা, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও পুষ্টিসেবা পুরোপুরি চালু করতে আরও সময় লাগবে। দ্রুততর সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ করে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। হামলাকারীদের পেছনে ‘বড়ভাই’ বা ‘বড় আপা’ আছে : নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, হামলা ও লুটপাটের পেছনে কোনো ‘বড়ভাই’ বা ‘বড় আপা’ না থাকলে ঢাকা শহরের কোনো সন্ত্রাসী গ্রুপের এত সাহস নেই যে, এমন একটি প্রতিষ্ঠানকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে। তিনি বলেন, পাকিস্তান আমলেও হাসপাতালের ওপর এমন বর্বর হামলার কথা আমার মনে পড়ে না। আরও অনেক জায়গায় এমন ঘটনা ঘটছে। সরকার যদি এখনই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, তবে জনগণের কাছে একটি বড় নেতিবাচক বার্তা পৌঁছাবে। সরকারের এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া উচিত। হামলার বিচার চাইলেন গণসংহতির নেতৃবৃন্দ : মঙ্গলবার দুপুরে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেলের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র পরিদর্শন করে। এ সময় তারা কেন্দ্রটিতে হামলার বিচার ও অবিলম্বে স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানান।