দখলে হাতবদল
Why this classification
The article describes a specific incident of physical assault and looting motivated by political factionalism within the BNP.
Killed
0
Injured
0
Summary
দাগনভূঁইয়ার ফাজিলের ঘাট সড়কে দলীয় কোন্দলের জেরে নির্মাণসামগ্রী লুট এবং শ্রমিকদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ঠিকাদার থানায় জিডিও করেছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
দখলে হাতবদল
দাগনভূঁঞা পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্প দখলে হাতবদল বিএনপির দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারের জেরে ঢিমেতালে কাজ Advertisement দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ দাগনভূঞা পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও নাগরিকরা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট সংস্কার বা নির্মাণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, গরু জবাইয়ে কোনো নির্ধারিত জায়গা না থাকা, প্রায় সড়কেই সড়কবাতির অভাব, হকার উচ্ছেদ না করা, সৌন্দর্য বর্ধিতকরণে পদক্ষেপ না নেওয়াসহ নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত পৌরবাসী। এরই মাঝে কর বর্ধিত করায় পৌরবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে মানববন্ধন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এ যেন গোদের ওপর বিষফোঁড়। এদিকে উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকা নয়ছয়ে ঢিমেতালে চলছে কাজ। বিগত সময়েও উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ দলীয় লোকদের কব্জায় ছিল, বর্তমানে তা পরিবর্তিত দলীয় লোকদের হাতে চলে গেছে। জানা গেছে, বর্তমানে পৌরসভার বিভিন্ন প্রকল্পের প্রায় শতকোটি টাকার কাজ চলমান আছে। পৌরসভার চারটি প্যাকেজে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ৫০ কোটি ও আইইউজিআইপি প্রকল্পের ৪০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ ঢিমেতালে চলছে বিগত তিন বছর ধরে। পৌরসভার উন্নয়ন কাজ ঢিমেতালে চলার কারণ হিসাবে বিএনপির দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে ঠিকাদার ফ্রন্টলাইনে এসে কাজ করা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রকল্প জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পূর্বে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের লোকদের করায়ত্বে ছিল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তন হলে তা হাতবদল হয়ে বর্তমান সরকারদলীয় লোকদের দখলদারিত্বে চলে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ঠিকাদারের সঙ্গে সরকারদলীয় লোকদের অঘোষিত চুক্তিতে নয়ছয়ে কাজ হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে টেন্ডারে চারটি প্যাকেজের মধ্যে ১ ও ২নং প্যাকেজের ঠিকাদার মেসার্স প্রগতি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মনজুরুল হককে ফোন করলে সাংবাদিক পরিচয় জেনেই তিনি লাইন কেটে দেন। এরপর বারবার ফোন করলে ফোন একবার ধরেন তার মেয়ে। তার বাবা মনজুরুল হকের সঙ্গে কথা বলতে চাই শুনেই রং নম্বর বলে কেটে দেন। তার দুটি প্যাকেজে কাজের বরাদ্দ ছিল প্রায় ২২ কোটি টাকা। ৩নং প্যাকেজের ঠিকাদার মো. সেলিম কাজের বিষয়ে বিব্রতবোধ করে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। জানা যায়, এ প্যাকেজের কাজটির দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুল উদ্দিন। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ‘ঠিকাদার মিরেশ্বরাই অর্থনৈতিক জোনে ব্যস্ত থাকায় পৌরসভার উন্নয়নের স্বার্থে কাজটি তদারকি করছি।’ ৪নং প্যাকেজের ঠিকাদার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ড্রেন ও সড়কের বরাদ্দকৃত ১৩ কোটি টাকার কাজ করছেন তিনি। কাজের অগ্রগতি বিষয়ে জানান, পরিস্থিতি ও বর্ষা মৌসুমের কারণে কাজ ২০ শতাংশ হয়েছে। কাজটি তিনি নিজে করছেন কি-না জানতে চাইলে কোনো সদুত্তর দেননি। কুয়েত সরকারের তহবিলের সাড়ে চার কোটি টাকার সড়কের কাজ পান বিএনপি সমর্থিত মেসার্স লাকি এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার আবদুল কাদের। দলীয় গ্রুপিংয়ের শিকার হয়ে তার পৌর শহরের ফাজিলের ঘাট সড়কের নির্মাণসামগ্রী লুট এবং শ্রমিকদের মারধর করার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে থানায় জিডিও করেন। অবশেষে গ্রুপভিত্তিক আপস করে কাজ করার সবুজ সংকেত মেলে জানা গেছে। পৌরসভার কোভিড ফান্ডের এক কোটি ৫৭ লাখ টাকার কাজ পান ঠিকাদার মো. সোহেল। দুটি প্যাকেজে মধ্যে একটি প্যাকেজ শেষ করেছেন এবং অপর প্যাকেজের কাজও শেষ পর্যায়ে আছে বলে জানা যায়। এডিবির তিন কোটি ২০ লাখ টাকার বরাদ্দকৃত প্রকল্পে বিএনপির দুই গ্রুপ ভাগবাটোয়ারা করে কাজ করছে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে ১০ কোটি টাকার ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’ সাইট সিলেকশন বা ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন না হওয়ায় ঝুলে আছে। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন বলেন, বিএনপির কোনো নিবেদিত নেতাকর্মী শক্তি প্রদর্শন করে কোনো টেন্ডারের কাজ করছে না। দলছুট, বহিষ্কৃত, চাঁদাবাজ একটি গোষ্ঠী জাতীয়তাবাদী শক্তির নাম বিক্রি করে অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। অপরদিকে বিএনপির একাংশের নেতা জাশেদুর রহমান ফটিক (বহিষ্কৃত) বলেন, টেন্ডারের সঙ্গে তিনি বা তার গ্রুপ আদৌ জড়িত নন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. শাহীদুল ইসলাম পৌরসভার প্রকল্প বাস্তবায়নে বিষয় বলেন, আইইউজিআইপি প্রকল্পগুলোর কাজ চলমান আছে। আরও উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রথম শ্রেণির দাগনভূঞা পৌরসভার দেশের পৌরসভার মধ্যে মডেল পৌরসভা হিসাবে স্বীকৃতি সমুন্নত থাকুক এ প্রত্যয়ে কাজ করছি।’
