প্রতিপক্ষের হামলায় আহত শ্রমিকদল নেতার মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Dhaka. It involved BNP against BNP. Reported casualties: 1 killed and 1 injured. Reported by 2 sources.

Reported by:SamakalDhaka PostCorroborated · 2 sources
13/08/26•Sher-e-Bangla Nagar

Killed

1

Injured

0

Summary

শ্রমিক দল নেতা আবু বকর সিদ্দিক রাসেল গত ১৩ আগস্ট হামলার শিকার হন এবং ২০ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। হামলার পেছনে রাজনৈতিক রেষারেষি ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

Abu Bakar Siddique RusselJahid Hossain MorolShirin AkterMonirul Islam

Tags

Political AssassinationParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 21/08/26open original ↗

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত শ্রমিকদল নেতার মৃত্যু

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত শ্রমিকদল নেতার মৃত্যু আবু বকর সিদ্দিক রাসেল সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬ | ২০:৩৯ | আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৬ | ২৩:৫৭ রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত মোহাম্মদপুরের শ্রমিক দল নেতা আবু বকর সিদ্দিক রাসেল চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। হাসপাতাল এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে পুলিশের ধারণা। গত ১৩ আগস্ট হামলার শিকার হন তিনি। এরপর থেকে রাসেল জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) ভর্তি ছিলেন। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় শেরে বাংলা নগর থানা পুলিশ। নিহতের স্ত্রী শিরিন আক্তার সমকালকে বলেন, তার স্বামী শ্রমিক দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩১ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সভাপতি পদের জন্য রাসেল মনোনয়ন জমা দেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামীকে যুবদল নেতা জাহিদ হোসেন মোড়ল প্রার্থী হতে নিষেধ করেন। কিন্তু তিনি তা না শোনায় গত ১৩ আগস্ট জাহিদ মোড়লের নির্দেশে তার স্বামীর ওপর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে হামলা করা হয়। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। হামলার দুইদিন পর রাসেলের স্ত্রী মোছা. শিরিন আক্তার বাদী হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় জাহিদ হোসেন মোড়ল, পিচ্চি রাকিব, জহিরুল ইসলাম বিপ্লবসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫–২০ জনকে আসামি করা হয়। নিহত রাসেলের মেয়ে বলেন, ‘জাহিদ মোড়ল, শান্ত, পিচ্চি হেলালের কারণে আমার বাবা মারলো। আমার বাবা আজকে যেভাবে মরলো আমি এর সঠিক বিচার চাই।’ নিহতের রাসেলের স্বজনরাও জাহিদ মোড়ল, শান্ত, পিচ্চি হেলালের বিচারের দাবি করেন। শেরে বাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, রাসেলের ওপর হামলার ঘটনায় গত শনিবার রাতে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা হয়েছিল। মারা যাওয়ার পর এটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে। এ মামলায় আগেই কয়েকজন আসামি আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। - বিষয় : - হামলায় নিহত - শ্রমিক দল নেতা

Source 2: Dhaka Post · 20/08/26open original ↗

হামলায় আহত শ্রমিকদল নেতার মৃত্যু

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনার সাত দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন শ্রমিকদল নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক রাসেল। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটে জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে (নিটোর) তার মৃত্যু হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন মোড়লের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান জানান, নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রাসেলকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় তার স্ত্রী শিরিন আক্তার যুবদল নেতা জাহিদ হোসেন মোড়লকে প্রধান আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাসেলের মৃত্যু হওয়ায় এটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। নিহতের স্ত্রী শিরিন আক্তার অভিযোগ করেন, ‘যুবদল নেতা জাহিদ মোড়লের নির্দেশে তার সন্ত্রাসী বাহিনী সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে আমার স্বামীকে কুপিয়ে আহত করে। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আজ তিনি মারা গেলেন। এর আগে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেছিলাম। সে সময় হুকুমের নির্দেশদাতা জাহিদ মোড়লসহ অনেকে আদালত থেকে জামিন নিয়ে আসেন।’ হামলার কারণ বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। জাহিদ মোড়ল তাকে প্রার্থী হতে নিষেধ করেছিলেন। কথা না শোনায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। জাহিদ মোড়ল নিজের সিন্ডিকেটের লোক বসাতে আমার স্বামীকে সরিয়ে দিতে এই হামলা করিয়েছেন। তার নির্দেশেই আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট বিচার চাই।’ শিরিন আক্তার আরও বলেন, ‘আমার স্বামীকে যারা হত্যা করেছে, আমি সেই সব আসামির বিচার চাই। হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িত ২২ জনের নাম উল্লেখ করে আমি মামলা করেছিলাম। আমি চাই আমার স্বামীকে যারা হত্যা করেছে, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে কঠোর তাদের ফাঁসি দেওয়া হোক।’ উল্লেখ্য, গত ১৩ আগস্ট রাত আটটার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে রাসেলের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রী শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন মোড়লকে প্রধান আসামি করে আরও ২১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন– পিচ্চি রাকিব, জহিরুল ইসলাম বিপ্লব, পিচ্চি জুয়েল, মনির হোসেন, মনির হোসেন শান্ত, পাপ্পু, আসাবুর রহমান, লিমন, মামা সাইফুল, সোহেল, সুজন ওরফে কালা সুজন, আল আমিন, ছোট ফেরদৌস, জাফর, জসিম, ইমরান, খাইরুল, ইমরান হোসেন বায়েজিদ, উজ্জ্বল, জীবন ও ফেরদৌস। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ব্যবসায়ী আবু বক্কর সিদ্দিক রাসেলের সঙ্গে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক বিরোধের কারণে ১ নম্বর আসামি জাহিদ হোসেন মোড়ল আগে থেকেই তার ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। তাকে শায়েস্তা ও প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে জাহিদ অন্যান্য আসামির সঙ্গে যোগসাজশ ও পরিকল্পনা করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ আগস্ট রাত আনুমানিক আটটার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে রাসেল অবস্থানকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এজাহারে আরও বলা হয়, ১ নম্বর আসামি জাহিদ হোসেন মোড়লের নির্দেশে অন্য আসামিরা সামুরাই, চাপাতি ও লোহার রড নিয়ে রাসেলের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে ৬ নম্বর আসামি মনির হোসেন শান্ত তার হাতে থাকা সামুরাই দিয়ে রাসেলকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা ও শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লক্ষ্য করে কোপ দেন। প্রাণরক্ষার্থে রাসেল ডান হাত দিয়ে সেই কোপ প্রতিহত করার চেষ্টা করলে সামুরাইয়ের আঘাত তার ডান হাতের কনুইয়ে লাগে এবং গুরুতর জখম হয়। এ সময় ৭ নম্বর আসামি পাপ্পু তার হাতে থাকা চাপাতি দিয়ে রাসেলের মাথায় আঘাত করেন। রাসেল ওই আঘাত বাম হাত দিয়ে প্রতিহত করতে গেলে তার বাম হাতের তিনটি আঙুল কেটে জখম হয়। এজাহারে আরও জানানো হয়, হামলার সময় অন্য আসামিরাও রাসেলকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাদের হাতে থাকা চাপাতি ও লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপ ও আঘাত করে জখম করেন। রাসেলের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এসএএ/বিআরইউ