ভৈরবে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ
Why this classification
A seven-month-old child's body was found in a pond on 23 April 2026 after the father had taken the child away from the mother during a family dispute and never returned him. The discovery is potentially linked to a crime, so it counts as a violent incident, though the cause of death has not been officially confirmed.
Killed
1
Injured
0
Summary
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মানিকদি পূর্বকান্দা এলাকার একটি বনের ডোবা থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) সাত মাস বয়সি শিশু তানভিরের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। ১৬ এপ্রিল বাবা মেরাজ মিয়া চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে শিশুকে নিয়ে যাওয়ার পর আর ফেরত দেননি, এবং ২১ এপ্রিল শিশুর মা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
60% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
৭ মাসের সন্তানকে ডোবায় ফেলে হত্যার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে
৭ মাসের সন্তানকে ডোবায় ফেলে হত্যার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে ছবি: সংগৃহীত ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১৮:২৭ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৭ মাসের শিশু সন্তানকে ডোবায় ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত বাবা মেরাজ মিয়া (২৪) ও শিশুটির দাদি রাবেয়া বেগম (৬০) ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ গোলাপ মিয়ার ডোবা থেকে শিশু তানভীরের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে মেরাজ মিয়ার সঙ্গে তাসলিমা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে সাত মাস আগে এ শিশুর জন্ম হয়। মেরাজ কখনো অটোচালক, কখনো জুতার কাজ করতেন এবং মাদকাসক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নেশার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই পরিবারে ঝগড়া করতেন। ১০ দিন আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রী ও সন্তান তানভীরকে বাড়ি থেকে বের করে দেন মেরাজের মা ও ভাইয়েরা। এরপর থেকে সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে গিয়ে থাকতে শুরু করেন শিশুটির মা তাসলিমা। সেখানে গিয়েও স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া লেগে থাকত মেরাজের। এক সপ্তাহ আগে শিশুটি অসুস্থ হলে দাদি রাবেয়া বেগম চিকিৎসার কথা বলে নানা বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়িতে এনে নাতিকে আটকে রাখেন। তিনদিন পর শিশুটির মাকে জানান শিশুটিকে তার বাবা বিক্রি করে দিয়েছেন। পরে পুলিশকে বিষয়টি অবগত করলে তারা গিয়ে শিশুটিকে বের করে দিতে দাদি রাবেয়া বেগম বাবা মেরাজকে চাপ দেয়। ২২ এপ্রিল রাতে বাবা মেরাজ মিয়া শ্বশুরবাড়ির স্বজনদের জানান শিশুটিকে গোলাপ মিয়ার ডোবায় ফেলে এসেছেন। সেখানে গেলে শিশুটিকে পাওয়া যাবে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে নানার বাড়ির লোকজন স্থানীয়দের নিয়ে গিয়ে শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পায়। শিশুর মা তাসলিমা বেগম বলেন, কয়েকদিন আগে আমার সঙ্গে স্বামী ও তার পরিবারের ঝগড়া হলে আমি আমার সন্তান তানভীরকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যাই। আমার ছেলের ডায়রিয়া হলে পরের দিন তার দাদি ওষুধ কিনে দেওয়ার কথা বলে তাকে তাদের বাড়ি নিয়ে যান। এরপর থেকেই আমার ছেলে নিখোঁজ। আমি ভাবতে পারছি না একজন বাবা তার সন্তানকে হত্যা করতে পারে। আমি আমার স্বামীকে ফোন করলেই তিনি বলতেন তোকে ও তোর সন্তানকে আমি হত্যা করব। শিশুটির মা অভিযোগ করে আরও বলেন, ২২ এপ্রিল আমার স্বামী আমাকে ফোন দিয়ে বলেন তোর ছেলেকে কোনোদিন ফিরে পাবি না। আমার ছেলেকে তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমি আমার স্বামী ও শাশুড়িসহ জড়িত সবার বিচার চাই, ফাঁসি চাই। ভৈরব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। - বিষয় : - কিশোরগঞ্জ - ভৈরব - হত্যার অভিযোগ
মামলা করায় বাদীর পরিবারকে মারধর ও কুপিয়ে জখম, আহত ৭
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে তিস্তা সেচ ক্যানেলের রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন করায় সোনা বাবু (২৪) নামে এক ব্যক্তি হুমকি ও হয়রানির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেন। এঘটনার পর বাদীসহ তার পরিবারের লোকজনকে মারধর করেছে আসামিরা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে সদর ইউনিয়নের বাজারের গরুহাটি সংলগ্ন দোকানে এ ঘটনা ঘটে। আসামিরা হলেন- সদর ইউনিয়নের মধ্যে রাজীব ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মৃত ওসমান আলীর ছেলে দুলু মিয়া (৩২), মৃত আজিমুদ্দিনের ছেলে ফজলু মিয়া (৬০), নুর মোহাম্মদের ছেলে নুরনবী (৪০) ও মৃত আছিমুদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম ব্যাল (৫৫)। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ঠিকাদার ও আসামিরা জোশসাজসে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে তিস্তা সেচ ক্যানেলের রাস্তার কাজ করছিলেন। গত মার্চ মাসের ১৭ তারিখে সেই কাজের অনিয়ম নিয়ে স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন। এতে কর্তৃপক্ষ কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় আসামিরা মামলার বাদীকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও হয়রানি করে আসছিলেন। পরে ভুক্তভোগী মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পরে আসামিরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গতকাল রাতে আসামিরাসহ কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে এসে মামলার বাদীর ভাইয়ের দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এসময়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান ৷ পরে তার পরিবারের লোকজন জানতে পেরে হাসপাতালে ছুটে আসেন। এসময়ে আসামিরা হাসপাতালে এসে তাদেরও মারধর করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাদীর পরিবারের লোকজনকে গুরুতর জখম করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ার কারণে চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। মামলার বাদী সোনা বাবু বলেন, আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিলাম এজন্য আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা দোকান করে খাই- স্থানীয়দের সঙ্গে অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সেজন্য আমাদের বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হয় পরে ভয়ে আদালতে মামলা দায়ের করি। কিন্তু মামলা দায়ের করার পরে আসামিরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে গতকাল আমার ভাইয়ের দোকানে গিয়ে হামলা চালায় ভাঙচুর করে তাকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা আমার ভাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এসময়ে আসামিরা হাসপাতালে এসে আমার পরিবারের লোকজনের ওপর হামলা চালায় ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করেন৷ ভুক্তভোগী বাদল ইসলাম বলেন, গতকাল রাতে আমি দোকান করছিলাম এসময়ে আসামিরাসহ কয়েকজন এসে আমাকে মারধর শুরু করেন। আমি কিছু বুঝে ওঠার আগে তারা আমার দোকানের সবকিছু ভেঙে দেয়। পরে আমাকে আশপাশের লোকজন হাসপাতালে নিয়ে আসলে তারা হাসপাতালে এসে আমার স্ত্রী বাবাসহ সবাইকে মারধর করেন। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি ভয়ে কোথাও যেতে পারছিনা। আসামিরা হাসপাতালের বাহিরে দাঁড়িয়ে আছেন লাঠিসোঁটা নিয়ে আমরা বের হলেই মারধর করবে। বাদল ইসলামের স্ত্রী হিয়া আক্তার বলেন, গতকাল আমার স্বামীকে মারধর করার কথা শুনে হাসপাতালে ছুটে আসি। এসময়ে এখানে আসা মাত্রই আসামিরা আমাদের মারধর শুরু করেন। হাসপাতালে থাকাকালীন সময়ে আমাদের মারধর করা হয়। আমাকে মারধর করে শ্লীলতাহানি করেছেন। অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় আমাদের এমন করা হলো আমরা বিচার চাই। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও সাবেক ইউপি সদস্য তৈয়ব আলী বলেন, এ সময় অতর্কিত হামলা করা হয়। আমার পকেটে ৫০ হাজার টাকাসহ তিনটি মোবাইল ছিল, সেগুলো সব ছিনিয়ে নিয়েছে। দোকানে হামলা করে সব জিনিসপত্র ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে এমন হেনস্তা মারধরের স্বীকার হলাম। প্রশাসনের কাছে বিচার চাই। এ বিষয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, মারামারি ঘটনা শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাহজাহান ইসলাম লেলিন/আরকে
ভৈরবে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ
পারিবারিক কলহ ভৈরবে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ Advertisement ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ডোবা থেকে সাত মাস বয়সি তানভির ওরফে মুজাহিদ নামের এক শিশুর ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে ভৈরবের মানিকদি গ্রামের পূর্বকান্দা এলাকার বনের ডোবা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত শিশু মানিকদি পুরানগাঁও এলাকার মেরাজ মিয়ার ছেলে। জানা যায়, দুই বছর আগে মানিকদি গ্রামের পূর্বকান্দা এলাকার মৃত আক্তার হোসেনের মেয়ে তাসলিমা বেগমের সঙ্গে একই পুরানগাঁও গ্রামের ফেলু মিয়ার ছেলে মেরাজের প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে হয়। সাত মাস আগে তাদের ঘরে জন্ম নেয় তানভির নামের এক ছেলে সন্তান। কিছু দিন আগে স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়ার হওয়ার পর বাবার বাড়িতে চলে আসে তাসলিমা বেগম। এরপর গত ১৬ এপ্রিল শিশুর বাবা মেরাজ মিয়া তার শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীর কাছ থেকে শিশু সন্তানকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায়। তারপর সারাদিন যাওয়ার পর শিশুর মায়ের কাছে ফেরত দিয়ে যায়নি। পরদিন তাসলিমার বাবার বাড়ির কয়েকজন লোক শিশুকে ফেরত আনতে মেরাজের বাড়িতে গেলে শিশু তানভিরকে পাওয়া যায়নি। পরে ২১ এপ্রিল শিশুর মা তাসলিমা বেগম ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বৃহস্পতিবার সকালে বিলের ডোবায় শিশুর লাশ দেখতে স্থানীয়রা খবর দিলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।
