নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে নারীকে পেটালেন যুবদল নেতা, ভিডিও ভাইরাল

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a valid violent incident: a local Jubo Dal leader allegedly beat a housewife and her husband with an iron rod in public on Saturday, 13 June 2026, and the incident is recent and inside Bangladesh. The article reports the attack directly, so it is not just commentary or a statistical roundup.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
13/06/26•চরলক্ষী গ্রাম, মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড, সুবর্ণচর

Killed

0

Injured

2

Summary

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ১৩ জুন ২০২৬ (শনিবার) বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় যুবদল নেতা মো. সফিক বেতনের বিরোধের জেরে এক গৃহবধূ ও তার স্বামীকে লোহার রড দিয়ে প্রকাশ্যে পিটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মারধরের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও থানায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

মো. সফিক (৩৮), স্থানীয় যুবদল নেতা ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদকনূরে মাওলা, সফিকের ভগ্নিপতিভুক্তভোগী গৃহবধূভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী

Affected infrastructure

রিং জাল

Tags

Drug War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 14/06/26open original ↗

নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে নারীকে পেটালেন যুবদল নেতা, ভিডিও ভাইরাল

নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে নারীকে পেটালেন যুবদল নেতা, ভিডিও ভাইরাল নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক নারীকে পেটাচ্ছেন স্থানীয় যুবদল নেতা। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬ | ১৮:৫৪ | আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬ | ১৮:৫৫ নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় এক নারীকে প্রকাশ্যে পিটিয়েছেন মো. সফিক (৩৮) নামের যুবদলের স্থানীয় একজন নেতা। শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরলক্ষী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে বিকেলে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত যুবদল নেতা সফিক মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। মারধরের শিকার ওই নারীর স্বামী যুবদল নেতার মাছের খামারে কাজ করেন। ভুক্তভোগী গৃহবধূ অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী গত দুই মাস ধরে সফিকের অধীনে কাজ করলেও বেতন পাননি। বেতন চাইতে গেলে সফিক দাবি করেন, তার স্বামী ইয়াবা সেবন করে সব টাকা খরচ করেছেন। ঈদুল আজহার সময়ও বেতন না পাওয়ায় তাদের পরিবারকে কষ্টে দিন কাটাতে হয়েছে। এরপর তিনি স্বামীকে সফিকের কাজে যেতে নিষেধ করেন, যা নিয়ে সফিক ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তিনি আরও বলেন, শনিবার সকালে বাড়ির পাশের নদীতে বসানো একটি রিং জাল সফিক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তারা বাধা দেন। এ সময় সফিক তার স্বামীকে প্লাস্টিকের পাইপের ভেতরে লোহার রড ঢুকিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। পরে বেলা ১১টার দিকে সফিক তার ভগ্নিপতি নূরে মাওলাকে সঙ্গে নিয়ে এসে আবারও তার স্বামীকে মারধর শুরু করেন। স্বামীকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। ওই গৃহবধূ জানান, সফিক ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার স্বামীকে দিয়ে অবৈধ মাদক ব্যবসা পরিচালনা করাতেন। আবার হিসেবে গরমিল হলে বেজায় গালমন্দ করতেন। সব সময় তার প্রজেক্টে ১০-১৫টি মোটরসাইকেল থাকে। প্রায় সেখানে হরেক রকম মাদকের আসর বসে। এসব অভিযোগ অস্বীকার করে যুবদল নেতা মো. সফিক বলেন, ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের ভালো সম্পর্ক ছিল। কয়েক দিন আগে তার স্বামী আমার বোনের বসত ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করেন, আমার মাছ চুরি করেন। শনিবার সকালে জাল নিয়ে আসার পথে খুকি ও তার স্বামী আমাকে আক্রমণ করে এবং আমার নাক ফাটিয়ে দেয়। এ বিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - নোয়াখালী - যুবদল নেতা - ভিডিও ভাইরাল

Source 2: Jugantor · 13/06/26open original ↗

নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে নারীকে পেটানোর অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে নারীকে পেটানোর অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে Advertisement সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরলক্ষী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পূর্ববিরোধের জেরে এক নারীকে প্রকাশ্যে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা মো. সফিকের (৩৮) বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরলক্ষী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার তাসলিমা আক্তার খুকি (৩৫) একই গ্রামের মো.খলিল ড্রাইভারের স্ত্রী। অভিযুক্ত মো. সফিক মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং একই এলাকার মনতারাগো বাড়ির সামছুদ্দিন মোল্লার ছেলে। ভুক্তভোগী খুকি অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী গত দুই মাস ধরে সফিকের অধীনে কাজ করলেও বেতন পাননি। বেতন চাইতে গেলে সফিক দাবি করেন, তার স্বামী ইয়াবা সেবন করে সব টাকা খরচ করেছেন। ঈদুল আজহার সময়ও বেতন না পাওয়ায় তাদের পরিবারকে কষ্টে দিন কাটাতে হয়েছে। এরপর তিনি স্বামীকে সফিকের কাজে যেতে নিষেধ করেন, যা নিয়ে সফিক ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তিনি আরও বলেন, শনিবার সকালে বাড়ির পাশের নদীতে বসানো একটি রিং জাল সফিক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তারা বাধা দেন। এ সময় সফিক তার স্বামীকে প্লাস্টিকের পাইপের ভেতরে লোহার রড ঢুকিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। পরে বেলা ১১টার দিকে সফিক তার ভগ্নিপতি নূরে মাওলাকে সঙ্গে নিয়ে এসে আবারও তার স্বামীকে মারধর শুরু করেন। স্বামীকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। খুকি আরও অভিযোগ করেন, সফিক তার প্রজেক্টে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার স্বামীকে দিয়ে অবৈধ মাদক ব্যবসা পরিচালনা করাতেন। আবার হিসেবে গরমিল হলে বেজায় গালমন্দ করতেন। সব সময় তার প্রজেক্টে ১০-১৫ টি মোটরসাইকেল থাকে। প্রায় সেখানে হরেক রকম মাদকের আসর বসে। অভিযোগ অস্বীকার করে যুবদল নেতা মো. সফিক বলেন, খুকির পরিবারের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের ভালো সম্পর্ক ছিল। কয়েক দিন আগে তার স্বামী আমার বোনের বসত ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করেন, আমার মাছ চুরি করেন। শনিবার সকালে জাল নিয়ে আসার পথে খুকি ও তার স্বামী আমাকে আক্রমণ করে এবং আমার নাক ফাটিয়ে দেয়। এ বিষয়ে চরজব্বর থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।