অটোরিকশাচালকদের বিক্ষোভ, অবরোধ
Why this classification
ঘটনাটি সাম্প্রতিক (গতকাল) এবং বাংলাদেশে সংঘটিত। বিক্ষোভের সময় বাস ও রিকশা ভাঙচুর এবং যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়ার মতো সহিংস ঘটনা ঘটেছে, যা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বাইরে। তাই এটি সহিংস ঘটনা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
0
Summary
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর প্রেস ক্লাব, পল্টন, গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকায় অটোরিকশা চালকরা বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে। এ সময় একটি বাস ভাঙচুর, রিকশা ভাঙচুর এবং যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে, যানজট সৃষ্টি হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Auto-rickshaw drivers
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
অটোরিকশাচালকদের বিক্ষোভ, অবরোধ
অটোরিকশাচালকদের বিক্ষোভ, অবরোধ গ্রেপ্তার চার নেতার নিঃশর্ত মুক্তি এবং ব্যাটারিচালিত রিকশা উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের দাবিতে গতকাল সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন অটোরিকশা মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা সমকাল সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:৩০ | প্রিন্ট সংস্করণ চলাচলে বাধা, মামলা ও জরিমানার প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকরা বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে রিকশা ভাঙচুর ও যাত্রীদের যানবাহন থেকে নামিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। কোথাও কোথাও যাত্রীদের সঙ্গে চালকদের হাতাহাতিও হয়েছে। এতে বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজট দেখা দেয়, ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। রাজধানীতে বর্তমানে ১০ লাখের বেশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। অভিযোগ রয়েছে, বৈধ-অবৈধ বিভিন্ন গ্যারেজে সরাসরি বৈদ্যুতিক লাইন টেনে এসব বাহনে চার্জ দেওয়া হচ্ছে। এতে বিপুল বিদ্যুৎ চুরি ও সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে চাপ পড়ছে। অনিয়ন্ত্রিত চলাচলে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায় অটোরিকশা বন্ধে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় মামলা ও জরিমানাও করা হচ্ছে। চলাচলে বাধা, মামলা ও জরিমানার প্রতিবাদে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকরা এই প্রতিবাদ জানায়। অটোরিকশাচালকদের অভিযোগ, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাটারি চার্জের গ্যারেজগুলোর বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে গাড়ি চার্জ দিতে না পারায় তাদের জীবিকা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি রাস্তায় অটোরিকশা জব্দ করে ডাম্পিংয়ে পাঠানো এবং ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানারও প্রতিবাদ জানান তারা। কয়েক দিন আগে আটক চার চালককে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর অভিযোগ তুলে তাদের মুক্তির দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা। একই সঙ্গে রাজধানীর সব সড়কে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ দেওয়ার দাবিও করেন তারা। সকাল থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব, পল্টন, মানিকনগর, গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় চালকরা অবস্থান নেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে তারা পল্টনে জড়ো হন। পরে মিছিল নিয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কয়েক হাজার চালক সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে পল্টন, জিরো পয়েন্ট, দৈনিক বাংলা ও গুলিস্তান এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। অটোরিকশাচালক শ্রমিক সভাপতি এস এম আবু বক্কার বলেন, গ্যারেজগুলোর বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় হাজার হাজার চালকের জীবিকায় সংকট তৈরি হয়েছে। রাস্তায় বের হলে পুলিশি হয়রানি ও জরিমানার শিকার হতে হচ্ছে। সমাবেশ থেকে তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়ে এস এম আবু বক্কার বলেন, এ সময়ের মধ্যে যৌক্তিক সমাধান না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। পরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চালকেরা প্রেস ক্লাবের সামনের সড়ক ছেড়ে মিছিল নিয়ে পল্টনের দিকে চলে যান। এ সময় কাকরাইল মোড়ে একটি বাস ভাঙচুর করা হয়। ডিএমপির রমনা বিভাগের উপকমিশনার জাহিদুল ইসলাম বলেন, রিকশাচালকদের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কার্যকর সিদ্ধান্ত নেবে। ভাঙচুর, যাত্রী নামানোর অভিযোগ রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় বিক্ষোভ ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিশেষ করে গুলশান ও বনানীতে অটোরিকশা চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘিরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সাধারণ চালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উত্তেজনা দেখা দেয়। আন্দোলন সফল করতে কিছু বিক্ষোভকারী প্যাডেলচালিত রিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচলে বাধা দেন। কয়েকটি রিকশা ভাঙচুর এবং যাত্রীদের জোর করে নামিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। আন্দোলনের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। - বিষয় : - বিক্ষোভ
অটোরিকশা চালককে অজ্ঞান করে হত্যা, চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীতে অটোরিকশা চালক দিদারুল ইসলামকে অজ্ঞান করে হত্যা ও অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় অজ্ঞানপার্টি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ওয়ারী থানা পুলিশ। বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. দেলোয়ার হোসেন ওরফে হৃদয় (৪০), মো. মানিক সরদার (৫২) এবং মো. লিটন (৫০)। নিয়াজ মেহেদী বলেন, গত ২৮ জুন রাত আনুমানিক ৯টার দিকে খিলগাঁও এলাকা থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন চালক দিদারুল ইসলাম। পরদিন ২৯ জুন ভোর ৪টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওয়ারী থানার নবাবপুর রোড এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি জানান, দিদারুল ইসলামকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২ জুলাই রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান। ঘটনার পর ওয়ারী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়। নিয়াজ মেহেদী বলেন, মামলার তদন্তে ওয়ারী থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে। তদন্তে জড়িতদের শনাক্ত করার পর অভিযান চালিয়ে চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, বুধবার রাত ৩টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর, ঢাকার কেরানীগঞ্জ এবং ডিএমপির লালবাগ এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানকালে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া একটি অটোরিকশা, ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা এবং তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। নিয়াজ মেহেদী বলেন, মামলার তদন্তে ওয়ারী থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে। তদন্তে জড়িতদের শনাক্ত করার পর অভিযান চালিয়ে চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসএএ/বিআরইউ
পাওয়ারকার অপারেটরকে মারধরের অভিযোগ, ট্রেন আটকে বিক্ষোভ
পাওয়ারকার অপারেটরকে মারধরের অভিযোগ, ট্রেন আটকে বিক্ষোভ. ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মেইল ট্রেনের পাওয়ারকার অপারেটরকে মারধর করে মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) বিরুদ্ধে।
