ভৈরবের মেঘনায় ডাকাতের উপদ্রবে মাঝিরা অতিষ্ঠ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

Seven or eight armed robbers boarded a cargo trawler in the Meghna River, threatened the boatmen and crew with weapons, and stole goods worth about 2 lakh taka. The incident happened within the last two weeks, and no injuries were reported.

Reported by:JugantorSingle source
08/04/26•মেঘনা নদী, আশুগঞ্জ ঘাট এলাকা

Killed

0

Injured

0

Summary

ভৈরবের মেঘনা নদীতে ৭-৮ জন ডাকাত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত দেড়টায় একটি মালবাহী ট্রলারে উঠে মাঝি ও কর্মীদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পাঁচ দিন পরও কোনো ডাকাত ধরা পড়েনি এবং মাঝিরা থানায় লিখিত অভিযোগ দেননি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

অস্ত্রধারী ৭-৮ জন ডাকাতট্রলারের মাঝি ও কর্মীরাভৈরব নৌ-থানার ইনচার্জ সুব্রত কুমার পোদ্দার

Affected infrastructure

মালবাহী ট্রলার

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 13/04/26open original ↗

ভৈরবের মেঘনায় ডাকাতের উপদ্রবে মাঝিরা অতিষ্ঠ

ভৈরবের মেঘনায় ডাকাতের উপদ্রবে মাঝিরা অতিষ্ঠ Advertisement ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভৈরবের মেঘনায় নৌ-ডাকাতদের উপদ্রবে মাঝিরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। প্রতিনিয়ত নদীতে ডাকাতি হলেও পুলিশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। প্রায় দিন ডাকাতদল মালবাহী ট্রলার ও বাল্কহেডে ডাকাতি করে লাখ লাখ টাকার মাল লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এমনকি সরকারি সারবাহী বাল্কহেড ছিনতাই করে সার লুটের চেষ্টা করা হয়েছে। জানা গেছে, ৭ এপ্রিল একটি ট্রলার ভৈরব থেকে মালামাল নিয়ে রাতে আশুগঞ্জ ঘাটে নোঙর করে। পরদিন ৮ এপ্রিল ভোরে সুনামগঞ্জে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্ত ৭-৮ জন ডাকাত মঙ্গলবার রাত দেড়টায় ট্রলারে উঠে মাঝি ও স্টাফদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ভৈরব নৌ-থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও গত ৫ দিনেও কোনো ডাকাতকে ধরতে পারেনি। পুলিশের অভিযোগ-ট্রলারের মাঝি এখনো থানায় অভিযোগ দেয়নি। গত বছরের ১০ অক্টোবর ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার মানিকনগর এলাকায় মেঘনা নদীতে একটি সারবোঝাই বাল্কহেড ছিনতাই করে। বাল্কহেডে ৩১৭ টন (৬৩৪০ বস্তা) সার ছিল। বাল্কহেডটি মুন্সীগঞ্জ থেকে সরকারি সারবোঝাই করে সুনামগঞ্জের সার গুদামে সার পৌঁছানোর কথা ছিল। সারবোঝাই বাল্কহেডটি থেকে মানিকনগর ঘাটে রাতে ডাকাতরা ট্রলারচালকসহ স্টাফদের নদীতে ফেলে দেয়। সার পরিবহণ ঠিকাদারের প্রতিনিধিকে হাত-মুখ বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ পরদিন ১১ অক্টোবর সারবোঝাই বাল্কহেডটি উদ্ধার করে। কয়েক মাস আগে ট্রলারের চালকরা আন্দোলন করে নদীপথে ট্রলার চালানো বন্ধ করে প্রতিবাদ করে। তাদের দাবি নদীপথে নৌ-পুলিশ নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। ভৈরব থেকে প্রতিদিন ট্রলারগুলো মালবোঝাই করে হাওড়ে যাওয়ার পথে ভৈরবের খলাপাড়া, সরাইলের ধোবাজাইল, রাজাপুর, আশুগঞ্জের বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে পৌঁছালেই নৌ-ডাকাতরা নদীতে ট্রলার ও লঞ্চে ডাকাতি করে। ডাকাতদল ইঞ্জিনবাহী ট্রলার নিয়ে মেঘনা নদীতে ওতপেতে থাকে। মালবাহী বা যাত্রীবাহী ট্রলার দেখলেই তারা হামলা চালায়। এ অবস্থায় মেঘনার নদীপথ ডাকাতদের কারণে অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। নৌ-ডাকাতদের উপদ্রবে মাঝিরা এখন অতিষ্ঠ বলে তাদের অভিযোগ। ভৈরব নৌ-থানার ইনচার্জ সুব্রত কুমার পোদ্দার এ বিষয়ে জানান, আমি কয়েকদিন আগে থানায় যোগদান করেছি। আগের বিষয়গুলোয় অবগত নই। তবে কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকে মেঘনা নদীতে টহল জোরদার করেছি। এছাড়া ভৈরব থেকে মালবাহী ট্রলারগুলো যখন ভোরে ছাড়া হয় তখন মাঝিরা পুলিশকে অবগত করলে আমরা প্রহরা দিয়ে এগিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। নৌ-ডাকাতদের চিহ্নিত করে তাদের ধরতে অভিযান চালাব। তিনি বলেন, ডাকাতির ঘটনায় মাঝিরা থানায় অভিযোগ দিতে আসে না। অভিযোগ দিলে আমাদের কাজ করতে সুবিধা হয়। তারপরও নদীপথ নিরাপদ রাখতে আমরা চেষ্টা করছি।