টয়লেট থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত যুবকের মা-বাবা আটক

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

An 11-year-old girl was found dead, hidden in the toilet of the house of an accused local man, who confessed by phone to killing her. Locals suspect she was raped before being strangled, though the postmortem is still pending.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
08/05/26•রামচন্দ্রকুড়া গ্রাম, নালিতাবাড়ী

Killed

1

Injured

0

Summary

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের একদিন পর ১১ বছরের শিশু সানজিদা আক্তারের মরদেহ অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনের বাড়ির টয়লেট থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের ধারণা শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে, তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের আগে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত নয়; অভিযুক্ত পলাতক এবং তার বাবা-মা ও বোন আটক রয়েছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Sanjida Akter (11, victim)Billal Hossain (accused, absconding)Chan Mia (accused's father, detained)Tahuron Nesa (accused's mother, detained)Rabiya (accused's sister, detained)Chan Bhanu (victim's grandmother)Ashrafuzzaman, acting OC, Nalitabari Thana

Affected infrastructure

Toilet of accused's house (body concealed)

Tags

RapeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 09/05/26open original ↗

টয়লেট থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত যুবকের মা-বাবা আটক

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া গ্রামে নিখোঁজের একদিন পর সানজিদা আক্তার (১১) নামে এক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের বাড়ির টয়লেট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন একই গ্রামের অভিযুক্ত যুবক বিল্লাল হোসেন। তিনি মোবাইলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। স্বীকারোক্তি পর তার বাবা চাঁন মিয়া, মা তহুরন নেছা ও বোন রাবিয়াকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। পরে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ছোটবেলায় বাবা-মা হারানো সানজিদা আক্তারের লালন-পালন করছিলেন তার নানী চাঁন ভানু। বৃহস্পতিবার বিকেলে সে প্রতিবেশী চাঁন মিয়া পাগলার বাড়িতে খেলতে যায়। সন্ধ্যার পর বাড়িতে না ফিরলে স্বজনরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। ঘটনার দিন সারারাত ও পরদিন শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে সানজিদার স্বজনরা অভিযুক্ত যুবকের বাবা ও মাকে চাপ দিলে তারা পলাতক ছেলে বিল্লালের মোবাইল নম্বর দেন। পরে ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে বিল্লাল সানজিদাকে হত্যা করে নিজেদের টয়লেটে লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করে। এরপর স্থানীয়রা টয়লেটে গিয়ে শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। স্থানীয়দের ধারণা, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন যুবকের বাবা মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে । পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মো. নাইমুর রহমান তালুকদার/এনটি

Source 2: Jugantor · 09/05/26open original ↗

নি‌খোাঁ‌জের ২৪ ঘণ্টা পর টয়‌লেটে মিলল শিশুর লাশ

নিখোাঁজের ২৪ ঘণ্টা পর টয়লেটে মিলল শিশুর লাশ Advertisement শেরপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ১২:০৩ এএম ফাইল ছবি শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর ১০ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) রাতে রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাটা এলাকার একটি টয়লেট থেকে সানজিদা নামের ওই কন্যাশিশুর মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, গত ৭ মে বৃহস্পতিবার বিকালে শিশুটি নিখোঁজ হয়। সর্বশেষ তাকে স্থানীয় যুবক বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে দেখা যায়। পরে পরিবারের চাপের মুখে মোবাইল ফোনে বিল্লাল স্বীকার করে, সে শিশুটিকে হত্যার পর তার বাড়ির টয়লেটে রেখে গেছে। এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিল্লালের বাবা চান মিয়া, মা তহরন ও বোন রাবেয়াকে থানায় নিয়েছে পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত বিল্লাল এখনো পলাতক রয়েছে। নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে। এদিকে সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) আফসান আল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।