নাটোরে পাওয়ার গ্রিড সাবস্টেশনে ২ কোটি টাকার মালামাল লুট
Why this classification
Armed robbers broke into a power grid construction site in Natore on the night of 25 March 2026, held four guards at gunpoint, and tied their hands, feet, and eyes while stealing batteries, copper cable, and other materials worth about 1.93 crore taka. Because the guards were physically restrained at gunpoint, this is a violent attack and not just a theft.
Killed
0
Injured
0
Summary
২৫ মার্চ ২০২৬ (বুধবার) রাতে নাটোরের বড়াইগ্রামে নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড সাবস্টেশনে দুর্বৃত্তরা অস্ত্রের মুখে চার পাহারাদারকে হাত-পা বেঁধে রেখে ব্যাটারি, তামার তার ও অন্যান্য সামগ্রী লুট করে। লুট হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বলে জানানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
বড়াইগ্রামে নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড স্টেশনে ডাকাতি
বড়াইগ্রামে নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড স্টেশনে ডাকাতি ২ কোটি টাকার মালপত্র লুট সংগৃহীত নাটোর সংবাদদাতা প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬ | ১৭:৩০ নাটোরের বড়াইগ্রামে নির্মাণাধীন একটি পাওয়ার গ্রিড সাব-স্টেশনের চার পাহারাদারকে হাত-পা বেঁধে প্রায় ১ কোটি ৯২ লাখ টাকার বৈদ্যুতিক মালপত্র লুট করে নিয়ে গেছে একদল দুর্বৃত্ত। বুধবার (২৫ মার্চ) গভীর রাতে উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের কাছুটিয়া খেজুরতলা এলাকায় এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাহারাদারদের ভাষ্যমতে, বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে নির্মাণাধীন সাব-স্টেশনের গেটে নক করলে তারা গেট খুলে দেন। এ সময় ৫-৬ জন লোক ভেতরে ঢুকে আব্দুস সাত্তার নামে একজনকে খুঁজতে থাকে। সেখানে ওই নামে কেউ নেই জানালে তারা তল্লাশির নামে পাহারাদার মকছেদ আলী, আবুল কাশেম, শফিকুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে সোহাগকে ঘরে ডেকে নেয়। এরপর আরও ১৫-২০ জন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ভেতরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে তাদের চোখ, মুখ ও হাত-পা বেঁধে ফেলে। পাহারাদার আবুল কাশেম বলেন, ‘আমাদের বেঁধে রেখে রাত ১টা পর্যন্ত তারা লুটতরাজ চালায়। অনেক চেষ্টার পর ভোর ৪টার দিকে সোহাগ নিজের বাঁধন খুলে আমাদের মুক্ত করে। এরপর একজনের মোবাইল নিয়ে আমরা ৯৯৯-এ এবং স্যারদের ফোন করি।’ পাওয়ার গ্রিডের উপসহকারী প্রকৌশলী আনাস আলী জানান, পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি’র (পিজিবিসি) উদ্যোগে এই সাব-স্টেশনটি নির্মাণ করা হচ্ছে। দুর্বৃত্তরা কেবল মালপত্রই নেয়নি, প্রমাণের সপক্ষে থাকা দুটি সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক এবং পাহারাদারদের মোবাইল ফোনও নিয়ে গেছে। চায়না কোম্পানি সিসির স্থানীয় প্রতিনিধি প্রকৌশলী সোলায়মান আলী জানান, ডাকাতরা ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ৩৬৮টি ব্যাটারি, ৫৩ লাখ টাকা মূল্যের দুই হাজার মিটার তামার তার এবং ২৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের অন্যান্য সামগ্রী লুট করেছে। সব মিলিয়ে লুণ্ঠিত মালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৯২ লাখ টাকারও বেশি। নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মাহবুবুর রশীদ জানান, গ্রিডটির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের পথে ছিল। এখান থেকে বড়াইগ্রামসহ পার্শ্ববর্তী ৫টি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল এবং আগামী জুন মাসেই এটি উদ্বোধন করার কথা ছিল। তবে এই বিশাল ক্ষতির পর নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়বে। নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম বলেন, ‘ঘটনা উদ্ঘাটনে ডিবির একটি বিশেষ টিম কাজ শুরু করেছে। পিজিসিবির পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত আটক ও লুণ্ঠিত মালপত্র উদ্ধারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
নাটোরে পাওয়ার গ্রিড সাবস্টেশনে ২ কোটি টাকার মালামাল লুট
নাটোরে পাওয়ার গ্রিড সাবস্টেশনে ২ কোটি টাকার মালামাল লুট Advertisement বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম ছবি: সংগৃহীত নাটোরের বড়াইগ্রামে নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড সাব-স্টেশন থেকে এক কোটি ৯৩ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের কাছুটিয়া খেজুরতলা এলাকায় নির্মাণাধীন ওই গ্রিডে কর্মরত চারজন পাহারাদারকে বেঁধে রেখে এসব মালামাল লুটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) সুমন কুমার ও বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোভন চন্দ্র হোড়। গ্রিডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনাস আলী জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিবিসি) উদ্যোগে এ সাব-স্টেশনটি নির্মাণ করা হচ্ছে। গ্রিডে বতর্মানে সিভিল কন্ট্রাকশান ও ইলেকট্রিক ফিটিংসের কাজ চলছে। এখানে সার্বক্ষণিক চারজন পাহারাদার নিযুক্ত রয়েছেন। ইলেকট্রিক অংশের কাজ করছে চায়না ন্যাশনাল ওয়ার অ্যান্ড ক্যাবল ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট কর্পোরেশন (সিসি কোম্পানি)। চায়না কোম্পানি সিসির স্থানীয় প্রতিনিধি প্রকৌশলী সোলায়মান আলী জানান, লুটকারীরা প্রায় এক কোটি ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ৩৬৮টি ব্যাটারি, ৫৩ লাখ টাকা মূল্যের দুই হাজার মিটার তামার তার এবং ২৬ লাখ ৬০ হাজার ২৮৯ টাকার অন্যান্য সামগ্রী লুটে নিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে এক কোটি ৯২ লাখ ৬০ হাজার ২৮৯ টাকার মালামাল লুট হয়েছে। তিনি আরও জানান, এখানে দুটি সিসি ক্যামেরা ছিল। তারা এসব সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে গেছে। একই সঙ্গে পাহারাদারদের কাছে থাকা মোবাইল ফোনও নিয়ে গেছে। পাহারাদার মকছেদ আলী (৪২) বলেন, আমিসহ আবুল কাশেম (৫৫), শফিকুল ইসলাম (৪৮) ও তার ছেলে সোহাগ (২৪) এখানে পাহারাদারের কাজ করি। আমরা সবাই কাছুটিয়াসহ আশপাশের গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার সন্ধ্যায় আমরা সবাই ডিউটিতে ছিলাম। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শফিকুল খেতে যান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে নক করলে গেট খুলে দেই। এ সময় হঠাৎ ৫ থেকে ৬ জন লোক শফিকুলের কলার ধরে ভেতরে নিয়ে আব্দুস সাত্তার নামে একজনকে খুঁজতে থাকেন। এ সময় আমরা সাত্তার নামে কেউ নেই জানালে তারা ঘরে চেক করার নামে আমাদের চারজনকেই ডেকে নিয়ে আসেন। পরে আরও ১৫ থেকে ২০ জন লোক ভেতরে ঢুকেন। একপর্যায়ে তারা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমাদের হাত, মুখ, চোখ ও পা বেঁধে ফেলেন। অন্য পাহারাদার সোহাগ হোসেন বলেন, আমাদের একটি ঘরের ভেতরে আটকে রাখা হয়। এরপরে সাব-স্টেশনের ভেতরে গাড়ি ঢোকা এবং বিভিন্ন কাজ করার শব্দ পাই। প্রায় রাত ১টা পর্যন্ত তারা এসব করেছে। পরে বেশ কিছুক্ষণ শব্দ না পেয়ে অনেক চেষ্টা করে সোহাগ প্রথমে নিজেকে মুক্ত করে এবং সবার বাঁধন খুলে দেন। আমরা জানালার পর্দার স্ট্যান্ড দিয়ে ছিটকিনি খুলে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বের হই। এরপর বাইরে গিয়ে একজনের মোবাইল নিয়ে ৯৯৯ এ এবং আমাদের স্যারদের কল করে জানাই। নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মাহবুবুর রশীদ জানান, পাওয়ার গ্রিডের নির্মাণ কাজ শেষের পথে। এখান থেকে বড়াইগ্রাম, গুরুদাসপুর, নাটোর সদর, লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। আগামী জুন মাসে এটি উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এ ঘটনার পরে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করাটা কঠিন হয়ে গেল। বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার কারণ উদঘাটনে আমাদের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশের টিম কাজ শুরু করেছে। ঘটনায় জড়িতদের আটক এবং মালামাল উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।
