শ্যামলীতে চিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবি যুবদল নেতার
Why this classification
A man claiming to be a Jubo Dal leader came to a Dhaka hospital with a group, demanded money, threatened staff, forced his way into an operating theatre, and physically harassed a hospital worker. The Jubo Dal leadership says he is not a member, and the incident is recent (Friday, 10 April 2026).
Killed
0
Injured
0
Summary
ঢাকার শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে ১০ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার) যুবদল পরিচয়ধারী মঈন উদ্দিন দলবল নিয়ে ঢুকে চাঁদা দাবি ও হুমকি দেন, অপারেশন থিয়েটারে জোরপূর্বক প্রবেশ করেন এবং এক কর্মী হানিফকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। যুবদলের নেতৃত্ব জানিয়েছে অভিযুক্ত ব্যক্তি সংগঠনের কেউ নন; থানায় জিডি হয়েছে এবং র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শ্যামলীতে চিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবি যুবদল নেতার
শ্যামলীতে চিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবি যুবদল নেতার Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর শ্যামলীতে ‘মানবিক ডাক্তার’খ্যাত অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে মঈন উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুক্রবার এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন হাসপাতালে গিয়ে ওই চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি যুবদলের কেউ নন এবং সংগঠনের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করছেন। এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এমজেডএম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, বিষয়টি প্রথমে পুলিশের কাছে গেছে এবং যাচাই চলছে। একই সঙ্গে র্যাবও ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্ত মঈন উদ্দিন দলবল নিয়ে হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করে হাসপাতালে কর্মরতদের হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি তিনি জোরপূর্বক অপারেশন থিয়েটারেও (ওটি) প্রবেশ করেন। ফুটেজে সিকেডির কর্মী হানিফকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করতেও দেখা যায়। এ বিষয়ে শনিবার হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলন করেন অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম। এ সময় রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও হাসপাতালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকেই মঈন উদ্দিন বিভিন্ন ধরনের মালামাল সরবরাহের কাজ চাইছিলেন। এ নিয়ে নানা সময়ে ডিসটার্ব করতেন। এমনকি আমার অজ্ঞাতসারে ডিম এবং চালও সরবরাহ করতেন। কিন্তু আমরা লক্ষ করি, বাজারদরের চেয়ে প্রতি কেজিতে অন্তত ১০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। আমরাই সরাসরি বাজার থেকে আনার সিদ্ধান্ত নিই। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং শুক্রবার সকালে হাসপাতালে এসে ‘মব’ তৈরির চেষ্টা করেন ও কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এর আগে ২৯ মার্চও তিনি হাসপাতালে এসে কর্মচারীদের হুমকি দেন এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এ ঘটনায় ৩০ মার্চ শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। অধ্যাপক কামরুল আরও বলেন, একপর্যায়ে তিনি (মঈন উদ্দিন) বলেন, ৫ লাখ টাকা লাগবে না, আমাকে কাজগুলো দিলেই হবে। এর আগে হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিন আবু বকর সিদ্দিক জানান, ৫ আগস্টের পর মঈন উদ্দিন নিজেকে যুবদলের শেরেবাংলা থানার সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে হাসপাতালে খাবার সরবরাহ শুরু করেন। তবে রোজার ঈদের আগে ২৫ বস্তা চাল সরবরাহে প্রতি কেজিতে ১১ টাকা বেশি নেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়লে তাকে সরবরাহ কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি চাপ ও হুমকি দিতে থাকেন। কামরুল ইসলাম রাজধানীর শ্যামলীতে সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ১৭ বছরে প্রতিষ্ঠানটি দুই হাজারের বেশি সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করেছেন। পাশাপাশি রোগী ও স্টাফদের জন্য প্রতিদিন তিন বেলা বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে এবং সেখানে স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। চাঁদাবাজরা মানবিক চিকিৎসককেও সম্মান দেখাতে ব্যর্থ হলো- জামায়াত আমির : জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম শুধু একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকই নন, তিনি অসহায় ও গরিব মানুষের বন্ধু এবং একজন মানবিক চিকিৎসক হিসাবে সর্বমহলে পরিচিত ও প্রশংসিত। শেষ পর্যন্ত চাঁদাবাজরা এমন একজন জ্যেষ্ঠ, প্রথিতযশা ও মানবিক চিকিৎসককেও সম্মান দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তার সঙ্গে গর্হিত আচরণ করেছে। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি অসাধু চক্র সমাজসেবামূলক কাজ থেকে জনগণকে বঞ্চিত করছে, যা দিবালোকের মতো স্পষ্ট। এসব দুষ্টচক্রকে কঠোরভাবে দমন করা সময়ের দাবি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
