ছাত্রদল নেতাদের নিয়ে তালা ভেঙে ঢুকে অবরুদ্ধ উপাচার্য
Why this classification
The article describes a concrete violent incident where student faction supporters and locals clashed, physically assaulted a student, and vandalized university transport vehicles during campus unrest.
Killed
0
Injured
1
Summary
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েটে) ছাত্রদল নেতাদের নিয়ে নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশের পর সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাসে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এ সময় উপাচার্য অবরুদ্ধ হন এবং হাটহাজারী ও বহদ্দারহাটে শিক্ষার্থী মারধর ও বাসে ভাঙচুরের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ছাত্রদল নেতাদের নিয়ে তালা ভেঙে ঢুকে অবরুদ্ধ উপাচার্য
চুয়েটে অচলাবস্থা ছাত্রদল নেতাদের নিয়ে তালা ভেঙে ঢুকে অবরুদ্ধ উপাচার্য Advertisement আসাদুল্লাহ গালিব, চুয়েট প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকেছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। সোমবার সকালে প্রশাসনিক ভবন-২-এর তালা ভেঙে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন। খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাকে দুপুর ১২টার মধ্যে প্রশাসনিক ভবন ত্যাগের আলটিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন ত্যাগ না করায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনে তালা লাগিয়ে দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ সময় ডিবি পুলিশের সাত কর্মকর্তা আটকা পড়েন। পাঁচ ঘণ্টা পর বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ডিবি পুলিশের সাত কর্মকর্তা বের হয়ে যান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ (মঙ্গলবার) থেকে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতি। সন্ধ্যা ৬টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উপাচার্য অবরুদ্ধ ছিলেন। এদিকে নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার খবরে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে চুয়েটগামী একটি বাস অবরুদ্ধ করা হয় বলে জানা গেছে। সেখানে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। এরপর বিকাল সোয়া ৪টার দিকে নগরীর বহদ্দারহাটে শিক্ষার্থী বহনকারী আরেকটি বাসেও দ্বিতীয় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ১১ ও ১২ অক্টোবর ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) আয়োজিত একটি সভায় চুয়েটের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এ জন্য ১০ অক্টোবর বিকালে ঢাকায় যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। তার অনুপস্থিতিতে ১১ ও ১২ অক্টোবরের জন্য যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরাফাত রহমানকে তিনি উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব অর্পণ করেন। তবে পূর্বঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী উপাচার্য ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেলেও সোমবার সকালে হঠাৎ চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন নতুন উপাচার্য। এ সময় ছাত্রদলপন্থি বর্তমান ও সাবেক আট থেকে ১০ জন শিক্ষার্থীও তার সঙ্গে প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করেন। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি অনলাইনে যোগদান করলেও ১৮ দিন পর সোমবার প্রথমবারের মতো ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। যন্ত্রকৌশল বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগ ও ক্যাম্পাসের সর্বস্তরের দাবিকে চরমভাবে উপেক্ষা করে এবং আমাদের সঙ্গে রীতিমতো বেইমানি করে তথাকথিত উপাচার্য শরিফুল আলম তার রাজনৈতিক ক্যাডার বাহিনী নিয়ে ভিসি ভবনের তালা ভেঙে প্রবেশ করেছেন। ভিসি বিল্ডিং ত্যাগ করার জন্য দুপুর ১২টা পর্যন্ত আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। সেটি উপেক্ষা করে তিনি ও তার সহযোগীরা ভেতরে অবস্থান করায় আমরা ভিসি ভবন তালাবদ্ধ করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বাধ্য হয়েছি। অবিলম্বে আমাদের এক দফা দাবি মেনে নিয়ে সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত ভিসি ভবন এভাবেই তালাবদ্ধ থাকবে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের যমুনা বাসের চালক মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘বহদ্দারহাট থেকে আমরা ২টায় রওয়ানা দিয়েছি। পথিমধ্যে কিছু দুষ্কৃতকারী আমাদের পথরোধ করে। মদুনাঘাটে বালুর ট্রাক দিয়ে বাধা দেয়। চুয়েটের গাড়ি চুয়েটে আসতে বাধা দেয়। কয়েকজন ছাত্রকে চুল ধরে টানে, মারধর করে। আমাকেও মারধর করে। তারা মুখে বলতে থাকে-আজকে চুয়েটের গাড়ি চুয়েটে আসতে পারবে না। গাড়ি ঘুরিয়ে শহরের দিকে আমাদের ফিরে যেতে বাধ্য করে।’ ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমিরুল কুদ্দুস বলেন, ‘চলমান আন্দোলনে যোগ দিতে বহদ্দারহাট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাসে উঠি। পথে মদুনাঘাটে বাসটি থামানো হলে পরিস্থিতি দেখতে বাস থেকে নামি। এ সময় একজনকে ফোন করার জন্য মুঠোফোন বের করলে একদল লোক আমাকে ঘিরে ধরে। পরে আমাকে জামাকাপড় ধরে টানাটানি করা হয় এবং চুল ধরে টেনে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে আমাকে সেখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করা হয়। ওই শিক্ষার্থী আরও জানান, তাকে ছাত্রলীগ ও শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তকমা দিয়ে মারধর করা হয়। পরে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি তাকে সহযোগিতা করেন এবং নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন চুয়েটের শিক্ষক সমিতির সদস্যরা। এর প্রতিবাদে বিকাল সাড়ে ৩টায় এক মৌন মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তন থেকে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আসেন তারা। সেখানে শিক্ষার্থীদের সাথে এক সমাবেশে চুয়েট শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সামিউন বাসির বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর মদুনাঘাটে ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী তিন সমিতির পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা জানাই।’ এছাড়াও শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে সোমবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করেছেন চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থীরাও।
রাত পেরিয়ে ২৩ ঘণ্টা পার, এখনো অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
চুয়েটের উপাচার্য ভবন। আজ সকালে তোলাছবি: প্রথম আলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ২৩ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছেন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। গতকাল দুপুর ১২টার পর শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনে তালা দেওয়ায় তিনি নিজ কার্যালয়ে আটকে পড়েন। আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত তিনি ভবন থেকে বের হতে পারেননি। তালা দেওয়ার পাশাপাশি উপাচার্য ভবনের পানি ও বিদ্যুতের সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের দাবি, নতুন উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ফটকের তালা খুলবেন না তাঁরা। এদিকে চুয়েটে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কর্মবিরতি ও ‘সর্বাত্মক অসহযোগ’ কর্মসূচি পালন করছেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই আন্দোলনের কারণে দায়িত্ব গ্রহণের পরও ক্যাম্পাসে আসতে পারছিলেন না নতুন উপাচার্য। তবে গতকাল ছাত্রদল নেতাদের নিয়ে উপাচার্য ভবনে শিক্ষার্থীদের দেওয়া তালা ভেঙে নিজ দপ্তরে যান তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অধ্যাপক আবু সাদাতকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এবং শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ‘কর্মবিরতি’ পালন করে আসছেন। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই আন্দোলনের কারণে দায়িত্ব গ্রহণের পরও ক্যাম্পাসে আসতে পারছিলেন না নতুন উপাচার্য। তবে গতকাল ছাত্রদল নেতাদের নিয়ে উপাচার্য ভবনে শিক্ষার্থীদের দেওয়া তালা ভেঙে নিজ দপ্তরে যান তিনি। নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে আসার খবরে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে শিক্ষার্থীরা তাঁর দপ্তরের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা উপাচার্যকে কার্যালয় ত্যাগ করতে সময়সীমা বেঁধে দেন। তবে নির্ধারিত সময় অতিক্রম করার পর দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা উপাচার্য ভবনের ফটকে আবারও তালা ঝুলিয়ে দেন। ভবনের বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেন তাঁরা। নিজ কার্যালয়ে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। গতকাল দুপুরেছবি: প্রথম আলো শিক্ষার্থীরা ভবনে তালা দেওয়ায় উপাচার্যসহ ১০-১১ জন ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে চুয়েট ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদও রয়েছেন। অন্যরা বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে দিবাগত রাত দেড়টার দিকে একজন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে চারজন অ্যালামনাই আছেন। একজন আমার বন্ধু, দুজন বড় ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রও আছে ৬-৭ জন। শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করুক, সমস্যা নেই। কিন্তু আমি দপ্তরে এলাম নয়টায়, এর দু-তিন ঘণ্টার মধ্যেই এভাবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসের লাইন বন্ধ করে দেওয়াটা অমানবিক।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কোনো লিখিত দাবি আমার কাছে নেই। তাদের কোনো বক্তব্য সম্পর্কেও আমি অবগত নই। তারা যদি লিখিত আকারে দাবি দেয়, তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিকে অবহিত করতাম।’ আমার সঙ্গে চারজন অ্যালামনাই আছেন। একজন আমার বন্ধু, দুজন বড় ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রও আছে ৬-৭ জন। শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করুক, সমস্যা নেই। কিন্তু আমি দপ্তরে এলাম নয়টায়, এর দু-তিন ঘণ্টার মধ্যেই এভাবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসের লাইন বন্ধ করে দেওয়াটা অমানবিক। অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম, উপাচার্য, চুয়েট। রাতে ঘুমাতে পারেননি জানিয়ে আজ বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বলেন, ‘রাত ২টায় পুলিশের মাধ্যমে খাবার এসেছিল, সেটিই আমরা খেয়েছিলাম। আমার প্রচণ্ড মাথাব্যথা, তাই রাতে ঘুমাইনি। এ রকম অনেকেরই অনেক সমস্যা হচ্ছে।’ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাঁরা উপাচার্যের পদত্যাগ চান। তিনি পদত্যাগ করলেই তালা খুলে দেওয়া হবে। আন্দোলনরতদের একজন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ২০২২-২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিনি পদত্যাগ করলেই আমরা তালা খুলে দেব। তখন তিনি সসম্মানে যেতে পারবেন।’ চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. আহসানউল্লাহ বলেন, ‘তিনি যে এভাবে আসবেন, আমরা ভাবিনি। আমরা আমাদের অসহযোগ কর্মসূচি চালিয়ে যাব। উনি তো খুব বলতেন, ওনার সঙ্গে অনেক শিক্ষক আছে, ছাত্র আছে। এখন তাঁরা তাঁকে সাহায্য করুক।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন আন্দোলনচট্টগ্রামঅবরোধচুয়েটচট্টগ্রাম বিভাগ
