অবরোধে ব্যাহত সাজেকের জনজীবন, বাড়ছে দুর্ভোগ

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

The article reports a concrete road blockade on 15 Oct 2026 in Rangamati with picketing and tire burning, affecting thousands but no casualties; it meets the violence definition and recency criteria, so it is classified as a violence incident.

Reported by:Dhaka PostProthom AloCorroborated · 2 sources
15/10/26•সাজেক ভ্যালি

Killed

0

Injured

0

Summary

১৫ অক্টোবর সাজেক ইউনিয়নে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং ও সড়ক অবরোধের ফলে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে ৩০,০০০ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। কোনো আহত বা নিহতের রিপোর্ট নেই।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

OC Tofazzal Hossain

Affected infrastructure

roadvehiclesmarket stalls

Tags

Vandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 15/10/26open original ↗

অবরোধে ব্যাহত সাজেকের জনজীবন, বাড়ছে দুর্ভোগ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নে সড়ক অবরোধের কারণে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খাগড়াছড়ির দীঘিনালার জোড়াব্রীজ থেকে সাজেক ভ্যালি পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে পণ্য পরিবহন ও দৈনন্দিন কার্যক্রম। হাটের দিনেও বাজারগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি কম। পরিবহন সংকটে জুমের ফসল বিক্রি করতে না পেরে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। অবরোধ দীর্ঘস্থায়ী হলে খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল থেকে সড়কে কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করেন অবরোধকারীরা। এ পরিস্থিতিতে সাজেকের লুসাই, ত্রিপুরা, চাকমা ও মারমা জনগোষ্ঠীসহ অন্তত ৩০ হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। সাজেক থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, সড়ক অবরোধ চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। অবরোধের কারণে সাজেক ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন। সাজেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া এবং সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন। গত ১১ অক্টোবর সংগঠন দুটি অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ শুরু করে। পরে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশ্বাসে ৪৮ ঘণ্টার জন্য কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়। তবে দাবি পূরণ না হওয়ার অভিযোগ তুলে বুধবার (১৪ অক্টোবর) যৌথ বিবৃতিতে আবারও অবরোধের ঘোষণা দেয় সংগঠন দুটি। সংগঠনগুলোর নেতাদের দাবি, সাজেকের মাচালংসহ বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের অবস্থান রয়েছে। এসব সদস্যকে সরিয়ে নিয়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। এর আগে অবরোধের মধ্যে সাজেকে আটকে পড়া দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ফিরিয়ে নিতে সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় গাড়িবহর রওনা হলে উজো বাজার এলাকায় গাড়িবহর আটকে দেন অবরোধকারীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা আলোচনার পর পর্যটকবাহী গাড়িবহর চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। পরে ৪৮ ঘণ্টার জন্য অবরোধ শিথিল করা হয়েছিল। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেকে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। সাজেকে সম্প্রতি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের দুই আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু গ্রুপ) মধ্যে সংঘাতের ঘটনা ঘটছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে মাচালং এলাকার মন্দিরছড়া পাড়ায় গুলিবিদ্ধ হয় মাচালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সঞ্জিতা ত্রিপুরা (৯)। ধারাবাহিক গোলাগুলির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে সাজেকের সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করার দাবিতে বুধবার খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। অবরোধের কারণে স্থানীয়দের দুর্ভোগের পাশাপাশি সাজেকের পর্যটন কার্যক্রমও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। দ্রুত সংকট নিরসন করে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল। মোস্তফা কামাল রাজু/আরএআর

Source 2: Prothom Alo · 15/10/26open original ↗

সাজেকে সড়ক অবরোধ ছয় দিনের জন্য স্থগিত

সাজেকফাইল ছবি রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক পর্যটন সড়কে দ্বিতীয় দফায় শুরু হওয়া অবরোধ কর্মসূচি ছয় দিনের জন্য স্থগিত করেছেন আন্দোলনকারীরা। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত এ কর্মসূচি স্থগিত থাকবে। অবরোধ তুলে নেওয়ার পর গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিষধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সাজেক মাচলং বাজার দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন কমিটির বিশেষ অনুরোধ এবং ধর্মীয় উৎসবের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অবরোধ স্থগিত করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠন দুটির নেতারা বলেন, ‘আগামীকাল থেকে সারা দেশের মতো সাজেক মাচলং বাজারেও দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ ধর্মীয় উৎসবের সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং পুণ্যার্থীদের যাতায়াত সুগম করতে আমাদের পূর্বঘোষিত সড়ক অবরোধ কর্মসূচি ১৬ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখা হলো।’ তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দুর্গাপূজা শেষে প্রশাসন তাঁদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না করলে আবার আন্দোলন শুরু করবেন। পরবর্তী কর্মসূচি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। এর আগে আজ সকাল ছয়টা থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে দ্বিতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু করেন সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ার ও গাছের গুঁড়িতে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। বাঘাইহাটের ১০ নম্বর এলাকা, গঙ্গারাম সেতু ও মাচলঙের ১৪ কিলোসহ কয়েকটি স্থানে সড়ক অবরোধ করা হয়। এতে সাজেকে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়েন পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। অবরোধকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস—সন্তু লারমা) সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া। ১১ অক্টোবর একই দাবিতে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা। সেদিন বিকেলে প্রশাসনের আশ্বাসে ৪৮ ঘণ্টার জন্য কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। এরপর গতকাল বুধবার যৌথ বিবৃতিতে দ্বিতীয় দফায় অবরোধের ঘোষণা দেন দুই সংগঠনের নেতারা। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, সাজেক এলাকায় জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা তৎপরতা চালাচ্ছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় অবরোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেএসএস। সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, সাজেকে সাধারণ মানুষের ওপর ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের দীর্ঘদিনের নিপীড়ন ও হয়রানির বিষয়টি আড়াল করতেই এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে। ইউপিডিএফের চাপে সংগঠন দুটি অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। অবরোধের কারণে গত রোববার পর্যটকবাহী যানবাহন সাজেকে আটকা পড়েছিল। ওই দিন সন্ধ্যায় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সাজেক সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। জানতে চাইলে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অবরোধ চলাকালে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সাজেকপর্যটনঅবরোধচট্টগ্রাম বিভাগরাঙামাটি