দেওভোগ দারুল উলুম মাদ্রাসা শিক্ষক ও খতিবকে অব্যাহতি

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

The event is classified as political violence because the underlying conflict stems from political ideology and the establishment of a student wing, which escalated into an attack.

Reported by:JugantorSingle source
05/07/26•Deobhog Darul Ulum Madrasa

Killed

0

Injured

0

Summary

নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ দারুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষক মুফতি হারুনুর রশিদকে অব্যাহতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হামলা হয়েছে। রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ছাত্র সংগঠন গঠন নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 3

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Deobhog Darul Ulum Madrasa

Other actors

Mufti Harunur RashidAbu Taher JehadZakir Khan

Affected infrastructure

Madrasa

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Deobhog Darul Ulum Madrasa

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 06/07/26open original ↗

দেওভোগ দারুল উলুম মাদ্রাসা শিক্ষক ও খতিবকে অব্যাহতি

নারায়ণগঞ্জে দিনভর উত্তেজনা দেওভোগ দারুল উলুম মাদ্রাসা শিক্ষক ও খতিবকে অব্যাহতি Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ জামি’আ আরাবিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা শিক্ষক ও মসজিদের খতিব মুফতি হারুনুর রশিদকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। অব্যাহতি দেওয়া শিক্ষক মুফতি হারুনুর রশিদের পক্ষে একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থক ও মাদ্রাসার ছাত্রদের একাংশ এবং মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আবু তাহের জিহাদি পক্ষের লোকজন মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এ নিয়ে রোববার দুপুরে থেকে বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে হৈচৈই স্লোগান ও উত্তেজনা বিরাজ করে। এরই মধ্যে একপক্ষ প্রচারণা চালায় বহিরাগতরা মাদ্রাসায় হামলা চালিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা এসে মাদ্রাসার সামনে ভিড় করে। খবর পেয়ে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, চারদিন আগে মাদ্রাসার দেওভোগ জামি’আ আরাবিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা মসজিদের খতিব ও মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি হারুনুর রশিদকে বিভিন্ন অভিযোগ এনে মাদ্রাসার কমিটি চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদান করে। মুফতি হারুনুর রশিদ অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল একটি রাজনৈতিক দলের মতাদর্শের লোক। মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আবু তাহের জিহাদি সম্প্রতি মাদ্রাসায় ছাত্রদের নিয়ে তার রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্র সংগঠনের কমিটি গঠন করে। এ নিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক ও মাদ্রাসা মসজিদের খতিব মুফতি হারুনুর রশিদ ছাত্রসংগঠন কমিটি গঠন নিয়ে তীব্র বিরোধিতা করে। এ নিয়ে প্রিন্সিপালের সঙ্গে শিক্ষক হারুনুর রশিদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে প্রিন্সিপাল মাদ্রাসা কমিটিকে ভুল বুঝিয়ে নানা অভিযোগ তুলে মসজিদের খতিব ও মাদ্রাসার শিক্ষকের পদ থেকে তাকে অব্যাহত প্রদান করে। মাদ্রাসার প্রিন্সিপালর জানান, স্থানীয় বিএনপি নেতা ও সাবেক ছাত্রদলের জেলার সভাপতি জাকির খান মাদ্রাসায় গিয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান করবেন। একই সঙ্গে সামায়িক সময়ের জন্য মুফতি হারুনুর রশিদকে চাকরিতে বহাল করা হলো। এই কথা বলার পর বিক্ষুব্ধরা মাদ্রাসা থেকে চলে যায়। তবে প্রিন্সিপাল কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা অস্বীকার করেন।