ফতুল্লায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
Why this classification
A local businessman was beaten and hacked on the head by a gang of about 10 to 12 men after he objected to them using drugs outside his house on Friday night, 6 March 2026. He was injured and taken to hospital, so this is a concrete, recent physical attack in Narayanganj.
Killed
0
Injured
1
Summary
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৬ মার্চ ২০২৬ (শুক্রবার) রাতে কোতালেরবাগ এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়ার জেরে হাবিবের ছেলে ইমন ও তার বাহিনীর ১০-১২ জন সদস্য ব্যবসায়ী হৃদয়কে এলোপাতাড়ি মারধর করে মাথায় কোপ দেয়। গুরুতর আহত হৃদয়কে স্থানীয়রা উদ্ধার করে খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ফতুল্লায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
মাদক বিক্রিতে বাধা ফতুল্লায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম Advertisement ফতুল্লা (নারায়গঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফতুল্লায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় হৃদয় নামে এক ওয়েস্ট্রিজ ব্যবসায়ীকে মারধর করে কুপিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। শুক্রবার রাতে ফতুল্লার কোতালেরবাগ এলাকায় রেললাইনের কাছে যেখানে থানা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মামুনকে গুলি করে হত্যা করা হয় সেখানেই এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত হৃদয় ফতুল্লার সস্তাপুর গাবতলা এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সে কোতালেরবাগ এলাকায় তাদের আরেকটি বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। এলাকাবাসী জানান, মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন হত্যা মামলায় ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া এক্সেল কামালের সহযোগী কোতালেরবাগ এলাকার পাকিস্তানি খাদের হাবিব। সে তার ছেলে ইমন গত বছর জুলাইয়ের পর পাকিস্তানি খাদে বিশাল বাহিনী গড়ে তুলেন। এ বাহিনী দিয়ে পাকিস্তানি খাদে জুয়ার বোর্ড ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া সন্ধ্যার পর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের উভয় পাশে ও আশপাশের এলাকায় ছিনতাই করায়। তাদের ভয়ে কেহ টুঁ শব্দ করতে পারে না। ব্যবসায়ী হৃদয় জানান, ৪ মার্চ দুপুরে হাবিবের ছেলে ইমন দলবল নিয়ে আমাদের কোতালেরবাগ বাড়ির সামনে মাদকসেবন করছিলেন। এসময় আমি ও আমার স্ত্রী কাজিন ফাতেমা চৈতী দুর্গন্ধে ঘরে থাকতে না পেরে তাদের মাদক সেবন করতে নিষেধ করি। এতে তারা আমাকে ও আমার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে বাসায় ফেরার পথে হাবিব কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তার ছেলে ইমন ও তাদের বাহিনীর অন্তত ১০/১২ জন পথরোধ করে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং হত্যার উদ্দেশে মাথায় কোপ দেয়।
