ওষুধ চুরির আলামত মুছতে ‘পরিকল্পিত’ আগুন

AI-classifiedconfidence 75%

Why this classification

A deliberate fire was reported in the medicine store room of a government health complex on 2 May 2026, which falls within the 14-day window and is classed as arson. The article describes one concrete incident in Lakshmipur, and the fire was allegedly set by the in-charge nurse to hide medicine theft, though no injuries were reported and the investigation is ongoing.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
02/05/26•Kamalnagar Upazila Health Complex (ওষুধ স্টোর রুম)

Killed

0

Injured

0

Summary

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওষুধ স্টোর রুমে ২০২৬ সালের ২ মে ভোরে আগুন লাগে, যাতে রোগীদের ওষুধের হিসাবের রেজিস্টার খাতা পুড়ে যায়। ওষুধ চুরির প্রমাণ মুছতে এ আগুন পরিকল্পিতভাবে লাগানো হয়েছে বলে ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

75% · severity 4

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Kusum Rani Paik (ইনচার্জ ও সিনিয়র স্টাফ নার্স, অভিযুক্ত)Dr. Mahbubur Rahman (স্বাস্থ্য কর্মকর্তা)Dr. Sohel Rana (মেডিকেল অফিসার, তদন্ত কমিটির সদস্য)Dr. Atayee Rabbi (মেডিকেল অফিসার, তদন্ত কমিটির সদস্য)Aminul Islam Manju (আবাসিক মেডিকেল অফিসার, তদন্ত কমিটির সদস্য)Imran Hossain (স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী)Faridul Alam (থানার ওসি)

Affected infrastructure

ওষুধ স্টোর রুম (আন্তঃবিভাগ)ওষুধের হিসাব সংরক্ষণের রেজিস্টার খাতা

Tags

RobberyMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 03/05/26open original ↗

রাতে মুক্তিপণ চেয়ে ফোন, সকালে মিলল অটোরিকশাচালকের মরদেহ

লক্ষ্মীপুর রাতে মুক্তিপণ চেয়ে ফোন, সকালে মিলল অটোরিকশাচালকের মরদেহ প্রতীকী ছবি লক্ষীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬ | ১৮:৩১ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অপহরণের পর রাজিব (১৮) নামে এক তরুণ অটোচালককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুর বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ক্যাম্পের হাট স্কুলের পশ্চিম পাশের একটি সুপারি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রাজিব রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ গাইয়ার চর ফজু মোল্লা স্টেশন এলাকার অটোচালক মোস্তফার ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর থেকে রাজিব নিখোঁজ হন। রাত বাড়লেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের বাসায় খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এদিকে রাত প্রায় ৩টার দিকে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিরা রাজিবের বাবার মোবাইল ফোনে কল করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে বলে পরিবার জানিয়েছে। শনিবার দুপুরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ক্যাম্পের হাট স্কুলের পাশের একটি বাগানের ভেতরে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে রায়পুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি নিখোঁজ রাজিবের শনাক্ত করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত রাজিবের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজিবের অটোরিকশায় শিমুলতলা এলাকার এক ব্যক্তিকে সর্বশেষ যাত্রী হিসেবে দেখা গেছে। ঘটনার পর ওই ব্যক্তি এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। তবে তার পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করছে পুলিশ। রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশ জানায়, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। খুব শিগগিরই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা। - বিষয় : - লক্ষ্মীপুর - অটোচালক - হত্যার অভিযোগ

Source 2: Jugantor · 15/05/26open original ↗

ওষুধ চুরির আলামত মুছতে ‘পরিকল্পিত’ আগুন

কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ওষুধ চুরির আলামত মুছতে ‘পরিকল্পিত’ আগুন Advertisement কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের হিসাব গায়েব করতে পরিকল্পিতভাবে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের ইনচার্জ ও সিনিয়র স্টাফ নার্স কুসুম রানী পাইকের বিরুদ্ধে। ২ মে ভোরে হাসপাতালের আন্তঃবিভাগের ওষুধ স্টোর রুমে ঘটা এ রহস্যজনক আগুনে অন্য সব মালামাল অক্ষত থাকলেও পুড়ে গেছে কেবল রোগীদের ওষুধের হিসাব সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ খাতাটি (রেজিস্টার)। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে একই কর্মস্থলে থাকা এ নার্সের গড়ে তোলা শক্তিশালী সিন্ডিকেটের অনিয়ম ঢাকতেই এ ‘অগ্নি নাটক’ সাজানো হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ঘটনার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস নিশ্চিত করেছে, সেদিন ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত হাসপাতালে লোডশেডিং চলছিল। এছাড়া স্টোর রুমের বৈদ্যুতিক বোর্ড ও তারের সঞ্চালন লাইন অক্ষত থাকায় শটসার্কিট থেকে আগুন লাগার দাবিটি ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, কুসুম রানী পাইক তার নিজস্ব লোক ব্যবহার করে এ আগুন লাগিয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ওষুধ রোগীদের না দিয়ে গোপনে বাইরে বিক্রি করে দেওয়ার দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সে চুরির হিসাব মেলাতে ব্যর্থ হয়েই প্রমাণ মুছে ফেলতে বেছে নেওয়া হয়েছে আগুনের পথ। হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানান, ২৬ বছর ধরে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে কুসুম রানী পাইক এক প্রকার ‘মগের মুল্লুক’ কায়েম করেছেন। বিশেষ করে ডেলিভারি রোগীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে তিনি বিগত ২৬ বছরে অন্তত কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। তার প্রভাবের কাছে অন্য নার্স ও কর্মচারীরা তটস্থ থাকেন সবসময়। এ বিশাল দুর্নীতির সাম্রাজ্য রক্ষা করতে এবং সরকারি ওষুধের হিসাবের গরমিল ঢাকতে রেজিস্টার খাতা পোড়ানোর বিষয়টি এখন টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে। এমনকি ঘটনার পর স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী ইমরান হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ অগ্নিকাণ্ডকে সরাসরি কুসুম রানীর পরিকল্পিত কাজ বলে দাবি করেন এবং এর সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানান। এদিকে, হাসপাতালে আগুন লাগা এবং ওষুধের হিসাব সংরক্ষণ খাতা (রেজিস্টার) পুড়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে মেডিকেল অফিসার ডা. সোহেল রানা, আতায়ে রাব্বি এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার আমিনুল ইসলাম মঞ্জুসহ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওইদিনই থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করার পর সত্যতা পাওয়া গেলে কুসুম রানী পাইকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তদন্ত কমিটিতে থাকা মেডিকেল অফিসার ডা. আতায়ে রাব্বির কাছে তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি হতবাক হয়ে বলেন, ‘আমাকে তদন্ত কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে অথচ এখনো আমি জানতেই পারিনি।’ তিনি বলেন, চিঠি হাতে পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসব গড়িমসি কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা বা তদন্ত ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টাকেই ইঙ্গিত করে। এ বিষয়ে জানতে সরেজমিন হাসপাতালে গিয়ে অভিযুক্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ইনচার্জ কুসুম রানী পাইকের দেখা মেলেনি। এরপর মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। থানার ওসি ফরিদুল আলম জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।