চিলমারীতে চলন্ত কমিউটার ট্রেনের তার চুরি
Why this classification
ঘটনাটি একটি চলন্ত ট্রেন থেকে বৈদ্যুতিক তার চুরির, যা একটি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। এতে কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই, তাই এটি রাজনৈতিক সহিংসতা নয়। তবে এটি একটি ধ্বংসাত্মক কাজ, যা যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে।
Killed
0
Injured
0
Summary
কুড়িগ্রামের উলিপুরে চলন্ত রমনা কমিউটার ট্রেনের কোচ থেকে বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে রাতের বেলা কোচটি অন্ধকার হয়ে পড়ে এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
চিলমারীতে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেলমালিক গ্রেপ্তার
চিলমারীতে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেলমালিক গ্রেপ্তার প্রতীকী ছবি চিলমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬ | ১৮:২৮ কুড়িগ্রামের চিলমারীর এক আবাসিক হোটেলে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেলমালিক মো. কবির মিয়াকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে নৌবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার অন্য আরেকটি উপজেলার বাসিন্দা ওই নারী স্বামী ও শিশু সন্তান নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। যাত্রাপথে বিলম্ব হওয়ায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁরা রমনা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছান। রাত হয়ে যাওয়ায় এবং নদীতে নৌকা চলাচল বন্ধ থাকায় তাঁরা ওই হোটেলটিতে একটি কক্ষ ভাড়া নেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী খাবার কিনতে হোটেলের বাইরে গেলে হোটেলমালিক কবির মিয়া কক্ষে প্রবেশ করে গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তাঁরা ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। শুক্রবার স্থানীয় এক ইউপি সদস্যসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে সমাধান না হওয়ায় পুলিশকে খবর দেন তাঁরা। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশ ভুক্তভোগী নারী, তাঁর স্বামী ও শিশুকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। একই সঙ্গে ঘটনার পর আত্মগোপনে থাকা অভিযুক্ত কবির মিয়াকেও গ্রেপ্তার করা হয়। চিলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীকে মারধরের পর সোয়া লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জাহাঙ্গীর আলম নামের এক মুদি ব্যবসায়ীকে মারধর করে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এর আগে ওই দিন ভোরে উপজেলার ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের নলেয়া এলাকার নেংলার দোকানসংলগ্ন ব্রিজের কাছে এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী বাসস্ট্যান্ডের ‘সরকার স্টোর’-এর স্বত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর আলম প্রতিদিনের মতো গতকাল শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে নিজ বাড়ি থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশে রওনা হন। তিনি নলেয়া গ্রামের নেংলার দোকানসংলগ্ন ব্রিজের নিকট পৌঁছালে চারজন ব্যক্তি তাঁর পথরোধ করে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁর কাছে থাকা ব্যবসার ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন তাঁরা। এ সময় তাঁর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন। ছিনতাইয়ের শিকার জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি একজন মুদি ব্যবসায়ী। প্রতিদিন ভোরে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মধ্যরাতে বাড়ি ফেরেন। যাতায়াতের পথে এলাকার কিছু বখাটে বিভিন্ন সময় তাঁর পথরোধ করে হুমকি দিত। গতকাল ভোরে যাওয়ার সময় তারা তাঁকে আটক করে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগের কপি এখনো হাতে পাইনি। পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
চিলমারীতে চলন্ত কমিউটার ট্রেনের তার চুরি
চিলমারীতে চলন্ত কমিউটার ট্রেনের তার চুরি হঠাৎ অন্ধকারে বগি Advertisement রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চিলমারী থেকে রংপুরগামী রমনা কমিউটার ট্রেনের কোচ থেকে বাতি ও ফ্যানের সার্কিটের বৈদ্যুতিক তার চুরির অভিযোগ উঠেছে। রোববার সন্ধ্যায় উলিপুর রেলওয়ে স্টেশনের অদূরে বালাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তার চুরি যাওয়ায় রাতে ওই কোচটি পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে পড়ে। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেয়। যাত্রীরা জানান, ট্রেনটি উলিপুর রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করার পর হঠাৎ কোচের বাতি ও ফ্যান বন্ধ হয়ে যায়। প্রথমে তারা বিষয়টিকে যান্ত্রিক ত্রুটি বলে মনে করেন। পরে ট্রেনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, কোচের বাতি ও ফ্যানের সার্কিটের তার চুরি হয়েছে। ফলে অন্ধকার ও গরমের মধ্যে যাত্রা করতে হচ্ছে তাদের। ট্রেনে থাকা যাত্রী নিয়ামত আলী বলেন, হঠাৎ করে পুরো কোচের বাতি ও ফ্যান বন্ধ হয়ে যায়। পরে ট্রেনের দায়িত্বে থাকা লোকজন খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, কোচের তার চুরি হয়েছে। এরপর অন্ধকার ও গরমের মধ্যেই আমাদের থাকতে হয়েছে। ট্রেনে দায়িত্বে থাকা পরিচালক অজিত রায় বলেন, আমি সঠিকভাবেই দায়িত্ব পালন করে এসেছি। তবে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কেউ আমাকে বিষয়টি জানাননি এবং কোনো অভিযোগও করেননি। লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের কমান্ড্যান্ট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তায় লোকবল সংকট রয়েছে। এ কারণে ওই ট্রেনে আমরা নিরাপত্তাকর্মী দিতে পারিনি। সামনে নিয়োগ হলে লোকবল পাওয়া গেলে নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হবে।
