মেলায় লটারি বিক্রির টাকা ও পুরস্কার নিয়ে বিএনপি নেতার গা-ঢাকা
Why this classification
The article reports a specific act of vandalism, where the fair pandal was damaged on the afternoon of Thursday 9 April 2026. The main story is financial fraud by the fair organisers, but the physical damage to the pandal is a concrete violent act, so the article qualifies, though the perpetrators are not identified.
Killed
0
Injured
0
Summary
মাগুরার শ্রীপুরে গোয়ালদহ বালুঘাটে আয়োজিত গ্রামীণ মেলার প্যান্ডেলে ৯ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। লটারির টাকা ও ঘোষিত পুরস্কার নিয়ে আয়োজকরা পালিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
60% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মেলায় লটারি বিক্রির টাকা ও পুরস্কার নিয়ে বিএনপি নেতার গা-ঢাকা
মেলায় লটারি বিক্রির টাকা ও পুরস্কার নিয়ে বিএনপি নেতার গা-ঢাকা Advertisement মাগুরা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার গোয়ালদহ বালুঘাটে সংস্কৃতিমন্ত্রীর সুপারিশে অনুমোদন পাওয়া গ্রামীণ মেলায় র্যাফেল ড্রতে ঘোষিত কয়েক লাখ টাকার পুরস্কার এবং বিক্রীত লটারির টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন মেলার আয়োজকরা। এ ঘটনায় লটারিতে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষের মধ্যে দারুণ অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে মেলার প্যান্ডেলে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম প্রদীপ উপজেলার গোয়ালদহ বাজারসংলগ্ন বালুঘাটে এক মাসব্যাপী গ্রামীণ মেলা, সার্কাস, যাত্রাপালা ও র্যাফেল ড্র আয়োজনের জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনপত্রে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায়ের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের ২০ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫ দিনের জন্য মেলার উল্লেখিত কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়। আয়োজক কমিটি দুই দিন পর ২২ মার্চ তারিখ থেকে মেলার কার্যক্রম শুরু করেন। ওই দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান মেলায় অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে আয়োজকদের নির্দেশ দেন। অথচ গ্রামীণ মেলা, সার্কাস, যাত্রাপালাকে সামনে রেখে সেখানে প্রতি রাতেই মূলত অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সি ছেলেদের ভিড় তৈরি করা হয়। পাশাপাশি মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের অন্তত ৫০টি পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে ২০ টাকা মূল্যমানের লটারি বিক্রি করা হয়। আর এসব টিকিট বিক্রি করা হয় মাগুরার চার উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত। প্রতি রাতেই অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শন এবং লটারিতে অংশগ্রহণকারীরা ভিড় জমাতে শুরু করে। এর মাধ্যমে আয়োজক কমিটি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে একেবারেই নিশ্চুপ ছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এদিকে জেলা প্রশাসন থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত মেলা চালানোর অনুমতি দেওয়া হলেও আয়োজক কমিটি ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নৃত্যানুষ্ঠান এবং র্যাফেল ড্র চালিয়ে যায়। এ অবস্থায় মেলার আয়োজকরা জনরোষের মুখে পড়ে। লটারির টিকিট বিক্রি করতে গিয়ে বিভিন্ন বাজারে তারা হামলার শিকারও হয়। ৬ এপ্রিল রাতে র্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে লটারি বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হলেও প্রথম পুরস্কার ১৫০ সিসি পালসার মোটরসাইকেলসহ মূল্যবান পুরস্কারগুলো বিতরণ করেননি আয়োজকরা। পরদিন (৭ এপ্রিল) মাগুরা ও ফরিদপুরের বিভিন্ন বাজারে কয়েক লাখ টাকার টিকিট বিক্রি করলেও সেই রাতে র্যাফেল ড্র আয়োজন না করেই তারা পালিয়ে যান। এ অবস্থায় মোটরসাইকেল বিজয়ী রবিউল ইসলাম অন্তরসহ অনেকেই পুরস্কার বুঝে পেতে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। তবে মেলা আয়োজক কমিটির সভাপতি স্থানীয় দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম প্রদীপ মোবাইল ফোনে বলেন, মেলার জন্য আমি আবেদন করলেও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল বিশ্বাসের ভাই ইদ্রিস আলি এবং অপর বিএনপি কর্মী মোমিন এ আয়োজন এবং সেখানকার টাকাপয়সার সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করেছে। কিন্তু থানা থেকে হঠাৎ মেলা বন্ধ করতে বলায় তারা পুরস্কার না দিয়ে পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে মাগুরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শ্বাশতী শীল বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের পরও মেলা চালানো হয়েছে কিনা- সেটি আমাদের জানা নেই। মেলার আয়োজকরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো প্রকার প্রতারণা করলে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
