সোনারগাঁয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ১০
Why this classification
This is a single, specific incident on 2 April 2026 in which two rival local groups fought with sharp weapons, sticks and bricks, leaving at least 10 people injured, two of them in serious condition. Houses and shops were also vandalised and looted, so it is a valid violent incident within the 14-day window.
Killed
0
Injured
10
Summary
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পাঁচআনী শান্তিনগর এলাকায় ২০২৬ সালের ০২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকালে আধিপত্য ও পূর্বশত্রুতার জেরে রাসেল ও আব্দুল হামিদ গ্রুপের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। এ সময় কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় এবং পুলিশ ও র্যাব ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 10
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ১০
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ১০ সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ | ০৯:৫৯ | প্রিন্ট সংস্করণ সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানী শান্তিনগর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এই সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা গেছে, এলাকার নিয়ন্ত্রণ ও শত্রুতার জের ধরে রাসেল এবং আব্দুল হামিদ পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন টেঁটা, রামদা, হকিস্টিক, লোহার রড নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় সাত-আটটি দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট করে। সংঘর্ষে আকতার হোসেন, নূরুল হক, ফারুক হোসেন, রোকসানা বেগম, তাসলিমা বেগম, কাউসার মিয়া, রাবেয়া বেগমসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আকতার হোসেন ও নূরুল হক টেঁটাবিদ্ধ। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। স্থানীয়রা জানান, পিরোজপুর ইউনিয়নের কোরবানপুর, পাঁচানী ও খাসেরগাঁও এলাকায় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ঠিকাদারি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে দুটি পক্ষ। এর আগেও বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো হামিদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। বিএনপি সরকার গঠনের পর শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা চালায় রাসেলের লোকজন। কোরবানপুর গ্রামের আলী হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। গত ২১ জানুয়ারি তাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পুনরায় গতকাল তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দোকানপাট, বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রাসেল মিয়ার ভাষ্য, খাসেরগাঁও গ্রামের রাজু মিয়া সকালে পাঁচানী বাজারে গেলে হামিদের লোকজন একা পেয়ে মারধর করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ নিয়ে তাদের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে তারা দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। অপর পক্ষের আব্দুল হামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। সোনারগাঁ থানার ওসি মহিববুল্লাহ বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। - বিষয় : - আধিপত্য বিস্তার
সোনারগাঁয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ১০
সোনারগাঁয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ১০ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পাঁচানী শান্তিনগর এলাকায় আবারও দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের টেঁটাবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। সংঘর্ষ চলাকালে ওই এলাকার কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাটে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের পক্ষে পাল্টাপাল্টি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচআনী শান্তিনগর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে রাসেল ও আব্দুল হামিদ গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বিগত ছয় মাসে উভয় গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ, গুলি, ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় গ্রুপের প্রায় অর্ধশত লোকজন আহত হয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উভয় গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র টেঁটা, দা, রামদা, হকিস্টিক, লোহার রড, ইটপাটকেল ও লাঠিসোটায় সজ্জিত হয়ে এক গ্রুপ অপর গ্রুপের লোকজনদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। কোরবানপুর গ্রামের আলী হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে চলেছে। গত ২১ জানুয়ারি তাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে উভয় গ্রুপের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পুনরায় বৃহস্পতিবার তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে দোকানপাট, বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় টেঁটাবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে নারীর সংখ্যা বেশি। এ ব্যাপারে একপক্ষের নেতৃত্বদানকারী রাসেল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, খাঁসেরগাঁও গ্রামের রাজু মিয়া সকালে পাঁচআনি বাজারে গেলে হামিদের লোকজন তাকে একা পেয়ে মারধর করে ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ নিয়ে উভয় গ্রুপের লোকজনদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ও সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। এ ব্যাপারে অপরপক্ষের নেতৃত্বদানকারী আব্দুল হামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সোনারগাঁ থানার ওসি মহিববুল্লাহ বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। সংঘর্ষের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
