মীমাংসার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ১ ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A man was allegedly lured from his home by a rival group under the pretext of settling a dispute, and his body was found on a roadside the next morning. The family alleges he was murdered over an old enmity, which places this within the category of fatalities linked to conflict. The police have not yet confirmed the cause of death, pending the postmortem report.

Reported by:SamakalSingle source
25/03/26•হেমন্তগঞ্জ গ্রামের রাস্তার পাশ, কেওয়ারজোড় ইউনিয়ন

Killed

1

Injured

0

Summary

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের হেমন্তগঞ্জ গ্রামে মীমাংসার কথা বলে ৫০ বছর বয়সী আইয়ূব আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর ২৬ মার্চ ভোরে রাস্তার পাশে তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের অভিযোগ, প্রতিপক্ষ কাশেম গ্রুপ পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁকে হত্যা করেছে, যদিও পুলিশ বলছে ময়নাতদন্তের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আইয়ূব আলী (নিহত, বাদশা মিয়ার ছেলে)কাশেম গ্রুপের লোকজনকাশেম (কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও কাশেম গ্রুপের প্রধান)জিয়াউর রহমান (নিহতের ছেলে)বুলবুল (নিহতের ভাতিজা)মো. লিয়াকত আলী (মিঠামইন থানার ওসি)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 26/03/26open original ↗

মীমাংসার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ১ ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ

মীমাংসার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ১ ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ নিহত আইয়ূব আলীর মরদেহ দেখতে স্বজনদের ভিড়। ছবি: সমকাল মিটামইন, (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬ | ০৩:৪২ | আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ | ০৩:৪৭ কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় বিরোধ মীমাংসার কথা বলে আইয়ূব আলীকে (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার প্রতিপক্ষ কাশেম গ্রুপের লোকজন তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আসে। বুধবার ভোরে উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ গ্রামের রাস্তার পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আইয়ুব আলী ওই এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে। মিঠামইন থানার ওসি মো. লিয়াকত আলী বলেন, সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। পরিবার জানায়, গত সোমবার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ গ্রামের বর্তমান চেয়ারম্যান কাশেম গ্রুপ ও একই গ্রামের নজির গ্রুপের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার মীমাংসার কথা বলে মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাত ৩টার দিকে প্রতিপক্ষ কাশেম গ্রুপের লোকজন তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আসে। রাত পেরিয়ে ভোর হয়ে যায়। আইয়ুব বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে হেমন্তগঞ্জ রাস্তার পাশে মৃত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। নিহত আইয়ুব আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান ও ভাতিজা বুলবুলের অভিযোগ, কাশেম গ্রুপের লোকজন পূর্বশত্রুতার জেরে আমার বাবাকে মীমাংসার মিথ্যা কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। প্রসঙ্গত, গত সোমবার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ গ্রামের পূর্ব শত্রুতার জেরে দু’পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের ২১ জন আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়াকে (৩০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও গুরুতর বাকি পাঁচজনকে কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- কবির (২৫), সায়মন (৩০), আলমগীর (২৫), মানিক( ২৮) দয়াল (৩০), অন্যদের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ঈদের পূর্ব থেকেই কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র তৈরি করে মজুত করেছেন। তাদের টার্গেট ছিল, ঈদের নামাজের পর হামলা করার। কিন্তু সেটা ব্যর্থ হয়ে গতকাল রাত থেকেই নানান ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিলো। পরবর্তীতে ঘটনার দিন সকালে লাউ কুড়ার মাঠে নজির গ্রুপের ওপর হামলা চালায়। পরে দুইপক্ষ সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়ে। কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের পর অন্তত তিনটি মামলা রয়েছে। তবে অভিযুক্ত কাশেম গ্রুপের প্রধান ও কেওয়ারজোড় ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান কাশেমের মোবাইলে কল দিলেও পাওয়া যায়নি। মিঠামইন থানার ওসি মো. লিয়াকত আলী বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রতিপক্ষের হামলায় কীনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - কিশোরগঞ্জ