নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানাকে পিটিয়ে পুলিশে দিল জনতা
Why this classification
This is a concrete, recent incident in Kushtia where a 55-year-old man was allegedly raping his 14-year-old step-granddaughter. Local people then beat him and handed him to police, and police confirmed the allegation has prima facie basis.
Killed
0
Injured
1
Summary
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মঙ্গলবার (২৬ মে ২০২৬) সকালে ১৪ বছর বয়সী মাদরাসাশিক্ষার্থী নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ নানা সাহাবুল হোসেনকে (৫৫) স্থানীয় জনতা পিটিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ জানায়, ধর্ষণের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে নানাকে পিটিয়ে পুলিশে দিল জনতা
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় সৎ নানা বিরুদ্ধে ১৪ বছর বয়সী মাদরাসাশিক্ষার্থী নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নানা সাহাবুল হোসেনকে (৫৫) পিটিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল ১১টার দিকে ভেড়ামারা উপজেলার নওদাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার (২৫ মে) রাতে ঈদের ছুটিতে ১৪ বছর বয়সী মাদরাসাশিক্ষার্থী ভুক্তভোগী ভেড়ামারা উপজেলার নওদাপাড়া এলাকায় নানীর বাড়িতে বেড়াতে আসে। মঙ্গলবার (২৬ মে) শিক্ষার্থীর নানী সরকারি চাল তুলতে বাইরে গেলে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সকাল ১১টার দিকে সৎ নানা সাহাবুল হোসেন পা টিপে দেওয়ার কথা বলে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন। পরে ভুক্তভোগী ঘর থেকে বের হয়ে কান্নাকাটি করতে থাকলে বিষয়টি জানাজানি হয়। এসময় স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত সাহাবুল হোসেনকে পিটিয়ে পুলিশের সোপর্দ করে। এ বিষয়ে ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) রাকিবুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের বিষয়টির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। রবিউল আলম ইভান/এসএইচএ
