মেঘনায় বিএনপির দুই গ্রুপে টেঁটাযুদ্ধ, আহত ২০
Why this classification
ঘটনাটি বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, যা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে। এতে রাজনৈতিক দলের সদস্যরা জড়িত এবং আহত হয়েছে, তাই এটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
20
Summary
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চালিভাংগা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে টেঁটাযুদ্ধ হয়েছে। এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ইউনিয়নের নলচর গ্রামে রবি ও বারেক গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 20
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়া নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ২৫
চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়া নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ২৫ আহত কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয় হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৫৬ | আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৫৭ কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০-২৫ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ভোরে চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের নলচর গ্রামে এই সংঘর্ষ হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহত সবার নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বর্তমানে নলচর গ্রামে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় আবারও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হতে পারে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে নলচর গ্রামের বাসিন্দারা বৈঠক করে চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক রবিউল্লাহ রবিকে চেয়ারম্যান পদে গ্রামের একক প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করেন। ওই বৈঠকে চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল বারেক প্রধানও রবিউল্লাহ রবিকে সমর্থন করেন বলে জানান স্থানীয়রা। পরে বারেক প্রধান নিজেও চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে গত সোমবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর মঙ্গলবার ভোরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে অন্তত ২০-২৫ জন আহত হন। রবিউল্লাহ রবির ভাই ফারুক সরকার অভিযোগ করেন, সোমবার রাত ৮টার দিকে মেঘনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল গাফফারের ইন্ধনে বারেক প্রধানের ছেলে মহসিন লোকজন নিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের লোকজনকে অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া দেয়। মঙ্গলবার ভোরে বারেক প্রধানের লোকজন তাদের বাড়িতে হামলা করতে পারে এই তথ্য পেয়ে তারাও প্রস্তুত ছিলেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা আব্দুল গাফফার। তার ভাষ্য, রবিউল্লাহ রবি আওয়ামী লীগের লোকজনকে মদদ দিচ্ছেন– এমন অভিযোগ পেয়ে সোমবার রাতে তিনি পুলিশ পাঠিয়েছিলেন যেন সেখানে আওয়ামী লীগের লোকজন না থাকে। তিনি বারেক গ্রুপের কোনো ইন্ধনদাতা নন। তিনি চান বিএনপির সবাই মিলেমিশে থাকুক। প্রার্থী অনেকেই হতে পারেন, দল যাকে সমর্থন করবে তিনিই চূড়ান্ত, তিনিও দলের বাইরে যাবেন না। আব্দুল বারেক প্রধান বলেন, ‘রবির বোনকে আমি বিয়ে করেছি, আবার রবির মেয়েকে আমার ছেলে বিয়ে করেছে। তাকে বলেছিলাম, আমার শেষ বয়সে আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চাই। পরে তিনি নিজেও প্রার্থী হওয়ার কথা জানান। এরপর আমিও চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিই।’ তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে রবির লোকজন হামলা করতে এলে তারাও প্রস্তুতি নিয়ে প্রতিরোধ করেন। এতে তাদের পক্ষের ১৩ জন আহত হয়েছেন। চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বলেন, ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে নলচর গ্রামের মানুষ রবিউল্লাহ রবিকে একক চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করেছিলেন। বারেক প্রধানও তাকে সমর্থন করেছিলেন। পরে বারেক প্রধান নিজে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। সোমবার রাতে বারেক প্রধানের ছেলে মহসিনের নেতৃত্বে রবিউল্লাহ রবির লোকজনকে ধাওয়া করার ঘটনা ঘটে বলে শুনেছেন। এর জেরেই মঙ্গলবার সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। বারেক প্রধানের টাকার ডোনার আব্দুল গাফফার, তিনিও চেয়ারম্যান প্রার্থী। তিনি জানান, দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলা বিচারাধীন। বারেক প্রধান ও রবিউল্লাহ রবি বেয়াই এবং দুজনই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলে উভয় পক্ষই আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শক্তি বাড়ায়, মিল থাকলে দুই গ্রুপই এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নলচরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সোমবার রাতে বারেক প্রধানের পক্ষে পুলিশ গিয়ে রবিউল্লাহ রবির লোকজনকে ধাওয়া দিয়েছে এবং পুলিশের সামনেই বারেকের লোকজন রবির লোকদের আক্রমণ করেছে? এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, পুলিশের কারও পক্ষ নেওয়ার সুযোগ নেই। পুলিশ একটি মামলা তদন্ত করতে সেখানে গিয়েছিল। পুলিশের সামনে ধাওয়া বা মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়।
মেঘনায় বিএনপির দুই গ্রুপে টেঁটাযুদ্ধ, আহত ২০
মেঘনায় বিএনপির দুই গ্রুপে টেঁটাযুদ্ধ, আহত ২০ কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চালিভাংগা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে টেঁটাযুদ্ধ হয়েছে। এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ইউনিয়নের নলচর গ্রামে রবি ও বারেক গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে নলচর গ্রামবাসী বৈঠকে যুবদল নেতা রবিউল্লাহ রবিকে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করেন। একই গ্রামের বাসিন্দা ইউনিয়ন বিএনপি সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল বারেক প্রধানও বৈঠকে রবিকে সমর্থন করেন। তবে পরে বারেক প্রধান নিজেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করেন। এ নিয়ে রবি ও বারেক গ্রুপের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং বারেক প্রধানের ছেলে মহসিন পুলিশ নিয়ে সোমবার রাতে রবির সমর্থকদের ধাওয়া করেন। এ ঘটনা কেন্দ্র করে মঙ্গলবার উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা শহিদুল্লাহ, যুবদল নেতা ওয়াসিম প্রধান, ছালমা আক্তার, জয়মালা আক্তার, শরুফা আক্তার ও চালিভাংগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল সরকার, আলী হোসেন প্রধান, আরিফ প্রধান, আনোয়ার প্রধান ও মুক্তার হোসেন। এদের মধ্যে ছালমা আক্তার ও জামাল সরকারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করছেন যুবদল নেতা রবি। মেঘনা থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বারেক প্রধানের পক্ষে পুলিশ রবির লোকজনকে ধাওয়া করেছে জানতে চাইলে, বিষয়টি অস্বীকার করে ওসি বলেন, পুলিশ একটি মামলার বিষয়ে তদন্তে গিয়েছিল। পুলিশ কারও পক্ষ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
