সরাইলে সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তির লাশ দাফন করেই প্রতিপক্ষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, লুটপাট
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Brahmanbaria. Parties reported: Suryakandi Villagers, Dharmatirtho Villagers. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 2 sources.
Killed
1
Injured
0
Summary
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষে হাদিম মিয়া নামে একজন নিহত হন। ২৯ জুন তার দাফন শেষে প্রতিপক্ষের শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
89% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাওনা টাকা নিয়ে সংঘর্ষ গড়াল তৃতীয় দিনে—নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষে নতুন করে আরও ৩০ জন আহত হয়েছেন। তিন দিনে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। নিহত হয়েছেন খাদিম মিয়া নামের এক ব্যক্তি। গত রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার কালিকচ্ছ শহীদ মিনার এলাকায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, জেলার সরাইল উপজেলার ধর্মতীর্থ হাওরে মাছ ধরার জন্য দেড় বছর আগে সূর্যকান্দি গ্রামের মোশাররফ হোসেন ধর্মতীর্থ গ্রামের খাদিম মিয়ার কাছ থেকে বাকিতে চাঁই কেনেন। অথচ এখন পর্যন্ত মোশাররফ হোসেন পুরো টাকা পরিশোধ করেননি। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। গত রোববার সন্ধ্যার দিকে এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উভয় গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা, দা-বল্লম ও ইটপাটকেল নিয়ে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিকচ্ছ বাজার এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে খাদিম মিয়া টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।গতকাল সোমবার বিকেলে মরদেহ দাফনের পর দুই পক্ষ আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় কালিকচ্ছ বাজার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলেও দফায় দফায় সংঘর্ষ রাত ৮টা পর্যন্ত চলে। এ সময় বাজারের ১০ থেকে ১২টি দোকান থেকে মালামাল লুটপাট হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ সকাল ৯টা থেকে দুই পক্ষ আবারও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় বেলা ১টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ওবায়দুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সরাইলে সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তির লাশ দাফন করেই প্রতিপক্ষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, লুটপাট
সংঘর্ষ থামাতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কের কালীকচ্ছ বাজার এলাকায়ছবি: প্রথম আলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তির লাশ দাফন করেই ওই ব্যক্তির পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে। আজ সোমবার বিকেল সোয়া ছয়টা থেকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার কালীকচ্ছ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালীকচ্ছ ইউনিয়নের সূর্যকান্দি গ্রামের মোশাররফ হোসেনের (৪৫) সঙ্গে ধর্মতীর্থ গ্রামের হাদিম মিয়ার অর্থ লেনদেন নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। গত রোববার সন্ধ্যার দিকে এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা–কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে এদিন রাত সাড়ে সাতটার দিকে উভয় গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা, দা, বল্লম ও ইটপাটকেল নিয়ে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কের কালীকচ্ছ বাজার এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে হাদিম মিয়া (৫৫) প্রতিপক্ষের বল্লমের আঘাতে নিহত হন। তিনি ধর্মতীর্থ গ্রামের শামছুল হকের ছেলে। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে হাদিম মিয়ার লাশ দাফন করা হয়। দাফন কাজ শেষে ধর্মতীর্থ গ্রামের শত শত তরুণ-যুবক লাঠিসোঁটা নিয়ে কালীকচ্ছ বাজারে অবস্থিত সূর্যকানন্দি গ্রামের শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালাতে থাকে। করা হয় অগ্নিসংযোগ। কালীকচ্ছ বাজারটির মূল অংশ সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কের সূর্যকান্দি এলাকায় পড়েছে। লুটপাট চলাকালে সরাইল থানা–পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়েও হামলাকারীদের সরাতে পারেনি। সংঘর্ষ চলাকালে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে বাজার এলাকায় উভয় পক্ষের লোকজন আবার সংঘর্ষে জড়ায়। পরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ এসে ফাঁকা গুলি ছুড়লে রাত সাড়ে আটটার দিকে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সহকারী পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, লাশ দাফনের পর থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিততি শান্ত করার চেষ্টা চলছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ব্রাহ্মণবাড়িয়াসরাইলচট্টগ্রাম বিভাগনিহতসংঘর্ষভাঙচুর
