নৌকার সঙ্গে বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা, ৬ দিন পর লাশ উদ্ধার

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article reports a confirmed murder where a sand businessman was tied to a boat and drowned, fulfilling the criteria for violent crime reporting within the valid timeframe.

Reported by:Prothom AloJugantorDhaka PostSamakalAjker PatrikaCorroborated · 5 sources
22/09/26•Mirpur, Bancharampur

Killed

1

Injured

0

Summary

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে নিখোঁজের ছয় দিন পর তিতাস নদ থেকে মুকবুল হোসেন নামের এক বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর মরদেহটি একটি কাঠের নৌকার নিচে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায় এবং পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অন্য এক ব্যবসায়ীর সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

মুকবুল হোসেনরুবেল মিয়াশফিকুল ইসলামবাবুল মিয়ামোহাম্মদ ইয়াছিন

Affected infrastructure

ড্রেজার

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (5 sources)

Source 1: Samakal · 26/02/26open original ↗

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনে প্রতিপক্ষের হামলা, আহত ১০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনে প্রতিপক্ষের হামলা, আহত ১০ সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়নের বাদে অরুয়াইর গ্রামে মানববন্ধনে হামলা হয়। ছবি: সমকাল নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৩:৩১ | আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৩:৩৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রত্যন্ত পল্লীতে খাল ও মন্দিরের সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে জেলার সরাইর উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের বাদে অরুয়াইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয় শ্রী শ্রী মোহনলাল জিউর মন্দিরের সম্পত্তি নিয়ে প্রতিবেশী সহিদ মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে মামলা চলছে। এ অবস্থায় সহিদ মিয়া বেশ কয়েকদিন ধরে নালিশা জায়গা ও খাল বালি ফেলে ভরাট কলে দখল করে নিচ্ছে। এরই প্রতিবাদে মন্দিরের জায়গা ও খাল রক্ষার দাবিতে বুধবার দুপুরে শ্রী শ্রী মোহনলাল জিউর মন্দির থেকে শত শত নারী পুরুষ একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দখল হয়ে যাওয়া জায়গায় গিয়ে মানববন্ধন করতে চাইলে সহিদ মিয়া. তার ছেলে আনোয়ার মাস্টারসহ তাদের লোকজন বাঁধা দেয়। এক পর্যায়ে রোকনউদ্দিন কয়েকজন যুবককে সাথে নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর ইটপাটকের নিক্ষেপ করতে থাকেন। এ সময় ২০ থেকে ২৫জন এসে লাঠিসোঁটা নিয়ে মানববন্ধনকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। তারা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। মন্দির কমিটির নেতারা দাবি করেন, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় পাশের জমির মালিক সহিদ মিয়া বালু ফেলে জায়গা দখলের চেষ্টা করছেন। এমনকি পাশের খালও ভরাট করা হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন। জমি রক্ষার দাবিতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করতে গেলে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। ওই গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা যাদব ঘোষ বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হামলার শিকার হতে হলো। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। অভিযোগ অস্বীকার করে অবশ্য সহিদ মিয়া বলেছেন, মন্দিরের জায়গায় তিনি মাটি ফেলেননি। যেটি খাল দেখা যায় সেটি আসলে জমি। মানববন্ধনে তারা হামলা করেনি। একটি চক্র পেছন থেকে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চেষ্টা করছে। অরুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন জানান, জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, খাল ভরাটের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও তা অমান্য করা হয়েছে। এ বিষয়ে সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহিরুল ইসরাম তালুকদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে কেউ এখনও অভিযোগ করেনি। - বিষয় : - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Source 2: Ajker Patrika · 14/04/26open original ↗

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকৌশলীকে মারধরের ঘটনায় থানায় মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী উপসহকারী প্রকৌশলী মো. তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নবীনগর থানায় মামলাটি করেন।মামলায় ঠিকাদার লোকমান হোসেন ও তাঁর চালক বিল্লাল হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে আরও চার-পাঁচজনকে। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, এজাহারের ভিত্তিতে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে নবীনগর উপজেলার শিবপুর থেকে মেরকুটা পর্যন্ত সড়কে রিটেইনিং ওয়ালের নির্মাণকাজ চলছে। এই কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স লোকমান এন্টারপ্রাইজ। তবে নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়কের অনিয়ম পরিদর্শনে গিয়ে মারধরের শিকার প্রকৌশলী এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার দুপুরে কাজের মান তদারকিতে গিয়ে সত্যতা পান উপসহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম। এ সময় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে প্রকৌশলী তরিকুলকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করেন ঠিকাদার লোকমান ও তাঁর লোকজন। সোমবার বিকেলে এই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্র আলোচনা হয়।

Source 3: Dhaka Post · 07/06/26open original ↗

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি দোকান উচ্ছেদকে ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (৭ জুন) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে থেমে থেমে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সদর উপজেলার থলিয়ারা গ্রামে এ সংঘর্ষ চলে। আহতদেরকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে, তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, থলিয়ারা গ্রামের বড় গোষ্ঠীর জয়নাল মিয়ার সাথে ছোট গোষ্ঠীর জুবায়েরের একটি দোকান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও হয়। সর্বশেষ সালিশে দোকানটি উচ্ছেদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। তবে, ওই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে আবারও দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা। পরে রোববার সকালে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনলেও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ফলে, পরবর্তী সংঘর্ষের আশঙ্কায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। এসএইচএ

Source 4: Jugantor · 16/06/26open original ↗

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশ বৈঠকে বিএনপি নেতা খুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশ বৈঠকে বিএনপি নেতা খুন Advertisement ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১০:৩২ পিএম জাহাঙ্গীর আলম। ফাইল ছবি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশ বৈঠকে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর আলম (৫০) ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সোমবার রাতে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি নাসির ও মোরশেদকে গ্রেফতার করেছে। স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত। সোমবার বিকালে ওই দাম্পত্য কলহের বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একটি সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আতাউল্লাহর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়ের বাড়ির পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলমসহ পাঁচ থেকে ছয়জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, খুনের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ১৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে নাসির ও মোরশেদ নামে মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

Source 5: Prothom Alo · 28/09/26open original ↗

নৌকার সঙ্গে বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা, ৬ দিন পর লাশ উদ্ধার

মুকবুল হোসেনছবি: সংগৃহীত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে নৌকার সঙ্গে বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে মুকবুল হোসেন (৪০) নামের এক বালু ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছে। নিখোঁজের ছয় দিন পর গতকাল রোববার দুপুরে উপজেলার মিরপুর এলাকার তিতাস নদ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল। ওই সময় ডুবে থাকা একটি কাঠের নৌকার নিচের অংশে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল মুকবুলের মরদেহ। তিনি উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দা মৃত মন মিয়া ব্যাপারীর ছেলে। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। তিনি তিতাস নদে বালু উত্তোলনের একটি খননযন্ত্রের (ড্রেজার) ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর খননযন্ত্র থেকে নিখোঁজ হন মুকবুল। এর পর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। স্বজন ও স্থানীয় লোকজন নদসহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মুকবুলের চাচাতো ভাই শফিকুল ইসলাম বাঞ্ছারামপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। একই দিন একই এলাকা থেকে খননযন্ত্রের অংশীদার রুবেল মিয়া নামের আরেকজন নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। শনিবার রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে ১০০ থেকে ১৫০ ফুট পশ্চিমে রুবেলকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি সেখানে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন। ধারণা করা হচ্ছে প্রথমে মকবুলকে কাঠের নৌকার সঙ্গে বাঁধা হয়। পরে পাথরের সঙ্গে বেঁধে নৌকাটি পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে ১০০ থেকে ১৫০ ফুট পশ্চিমে রুবেলকে উদ্ধার করা হয়। রুবেল চিকিৎসাধীন থাকায় তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হচ্ছে না। সুস্থ হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মোহাম্মদ ইয়াছিন, বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুকবুলের সন্ধান না পাওয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দেওয়া হয়। পরে গতকাল সকাল আটটার দিকে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল মিরপুর এলাকায় তিতাস নদে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশির পর বেলা দেড়টার দিকে পানির তলদেশে ডুবে থাকা কাঠের নৌকার সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মুকবুলের মরদেহের সন্ধান পান ডুবুরিরা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের লিডার মোহাম্মদ হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে ডুবুরি আশিক মাহমুদ ও দেলোয়ার হোসাইন উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। মুকবুলের বড় ভাই বাবুল মিয়া বলেন, মঙ্গলবার রাত ১০টার পর থেকে তাঁর ছোট ভাইয়ের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর তাঁরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বৃহস্পতিবার তাঁর চাচাতো ভাই থানায় জিডি করেন। নিখোঁজের আগে রুবেল বারবার জানিয়েছেন, মুকবুল ঢাকায় গেছেন। জিডি করার পর বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে রুবেলও নিখোঁজ হন। শনিবার রাতে ড্রেজারের পাশে বাড়িতে এসে হাজির হন তিনি। বাবুল মিয়া অভিযোগ করেন, তাঁর ভাইকে রুবেল হত্যা করেছেন। তাঁর ভাষ্য, ‘এরা ডাকাত প্রকৃতির মানুষ।’ গতকাল সকাল আটটায় উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয় জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের লিডার মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বলেন, বেলা দেড়টার দিকে পানির তলদেশে নৌকার নিচের অংশের লোহার অ্যাঙ্গেলের সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াছিন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের ধারণা প্রথমে মকবুলকে কাঠের নৌকার সঙ্গে বাঁধা হয়। পরে পাথরের সঙ্গে বেঁধে নৌকাটি পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে ১০০ থেকে ১৫০ ফুট পশ্চিমে রুবেলকে উদ্ধার করা হয়। রুবেল চিকিৎসাধীন থাকায় তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হচ্ছে না। সুস্থ হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ালাশমরদেহ উদ্ধারবাঞ্ছারামপুরবালুঅপরাধচট্টগ্রাম বিভাগ