কলেজছাত্র রোহান হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩
Why this classification
The article reports on the police solving a murder case of a college student in Rajbari and arresting three suspects, which represents a violent crime incident.
Killed
1
Injured
0
Summary
রাজবাড়ীতে চাঞ্চল্যকর কলেজছাত্র চৌধুরী ফুয়াদ হাসান ওরফে রোহান হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হত্যার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
রাজবাড়ীতে নিখোঁজের তিন দিন পর ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া কলেজছাত্র চৌধুরী ফুয়াদ হাসান রোহান (১৯) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, গামছা, একটি কালো টি-শার্ট ও নিহতের স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন। এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়ন ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বক্তারপুর এলাকার মো. দুলাল সরদারের ছেলে ফিরোজ সরদার বাবু (৩৪), মো. গণি সরদারের ছেলে মো. রিয়াজ সরদার (২৩) এবং একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সমেসপুর এলাকার মো. সিদ্দিক মন্ডল এর ছেলে মো. শরীফ (২৭)। প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন বলেন, গত ৫ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির ফোন পেয়ে নিজ বাড়ি থেকে বের হন রোহান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। এ ঘটনায় পরদিন ৬ অক্টোবর তার পরিবার রাজবাড়ী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। পরে ৮ অক্টোবর বিকেল ৫টার দিকে দাদশী ইউনিয়নের পাকুড়িকান্দা গ্রামের দিলীপ সেনের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে রোহানের বস্তাবন্দি ও পেট কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. ফরহাদ চৌধুরী বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। ৯ অক্টোবর দায়ের করা মামলাটিতে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি বলেন, রোহানের নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর থেকেই সদর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে পুলিশের দাবি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, জমিজমা নিয়ে পূর্বশত্রুতা ও পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রোহানকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে গামছা ও টি-শার্ট দিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। মরদেহ যেন পানিতে ভেসে না ওঠে, সে উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে পেট কেটে বস্তাবন্দি করা হয়। পরে বস্তার সঙ্গে বালু ভর্তি বস্তা বেঁধে মরদেহটি পরিত্যক্ত ডোবায় ফেলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেখানো মতে, ফিরোজ সরদার বাবুর শয়নকক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও গামছা এবং রিয়াজ সরদারের শয়নকক্ষ থেকে শ্বাসরোধে ব্যবহৃত কালো টি-শার্ট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া দাদসী ইউনিয়নের বক্তারপুর এলাকায় বিনয় কুমার দাসের পুকুরের কচুরিপানার মধ্য থেকে রোহানের পরিহিত স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ এসব আলামত জব্দ করেছে। পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন বলেন, গ্রেপ্তারকৃত তিনজনের মধ্যে ফিরোজ সরদার বাবু ও রিয়াজ সরদার হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত ছিল। আর শরীফ নামের আরেকজন সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। গ্রেপ্তার ৩ জনই মাদকসেবী। মূলত এরা ভাড়াটে হিসেবে কাজ করেছে। এদের অর্থ সরবরাহকারীকে বা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীকে তা তদন্তের স্বার্থে এখনই বলা যাচ্ছে না। গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শামসুল হক, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুল ইসলাম জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন। এদিকে উত্তেজিত জনতা আসামিদের বাড়িঘর ভাঙচুরসহ বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট কাজ করছে বলে জানা গেছে। মীর সামসুজ্জামান সৌরভ/এসএইচএ
কলেজছাত্র রোহান হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩
কলেজছাত্র রোহান হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩. রাজবাড়ীতে চাঞ্চল্যকর চৌধুরী ফুয়াদ হাসান ওরফে রোহান হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসামিদের দেওয়া তথ্যের
রাজবাড়ীতে কলেজছাত্র হত্যা: গ্রেপ্তার তিন আসামি ও ‘ইন্ধনদাতার’ বাড়িতে আগুন
রাজবাড়ীতে কলেজছাত্র ফুয়াদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের বাড়িতে আগুন দেন একদল লোক। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার বক্তারপুর গ্রামেছবি: প্রথম আলো রাজবাড়ীতে কলেজছাত্র চৌধুরী ফুয়াদ হাসান (১৯) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির বাড়িতে ভাঙচুর করেছেন ও আগুন দিয়েছে একদল লোক। একই সময় হত্যাকাণ্ডের ইন্ধনদাতা হিসেবে সন্দেহভাজন একজনের বাড়িতেও আগুন দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের বক্তারপুর ও সমেশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সদর থানা-পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ লাইনস থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আরও পড়ুন রাজবাড়ীতে নিখোঁজের তিন দিন পর কলেজছাত্রের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার ০৮ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফয়জুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বেলা দেড়টার দিকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে আসেন। এখন পর্যন্ত তাঁরা ঘটনাস্থলে আছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা সময় লেগেছে। স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজন গ্রেপ্তার তিন আসামি ও ইন্ধনদাতার বাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দিয়েছে। আসামিদের দুই স্বজনের বাড়িও ভাঙচুর করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার দাদসী ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে বাড়ির অদূরে একটি ডোবা থেকে ফুয়াদের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ফুয়াদ রাজবাড়ী শহরের একটি বেসরকারি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় ফুয়াদের বাবা ফরহাদ চৌধুরী বাদী হয়ে ওই দিন রাতেই সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। কলেজছাত্র ফুয়াদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামিছবি: সংগৃহীত মামলার পর আজ ভোররাতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন উপজেলার বক্তারপুর গ্রামের দুলাল সরদারের ছেলে ফিরোজ সরদার ওরফে বাবু (৩৪), গণি সরদারের ছেলে রিয়াজ সরদার (২৩) এবং সমেশপুর গ্রামের সিদ্দিক মণ্ডলের ছেলে মো. শরীফ মণ্ডল (২৭)। পরে দুপুরে এ নিয়ে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন। তার কিছুক্ষণ পর তাঁদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন বলেন, জমিজমা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে চৌধুরী ফুয়াদ হাসানকে ডেকে নিয়ে গামছা ও টি-শার্ট দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে মরদেহ পানিতে ভেসে ওঠা ঠেকাতে পেট কেটে বস্তাবন্দী করে ডোবায় ফেলে রাখা হয়। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত টি-শার্ট, গামছা ও ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মাদকাসক্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের মূল ইন্ধনদাতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন আগুনভাঙচুরগ্রেপ্তারহত্যারাজবাড়ী সদররাজবাড়ী
