হালুয়াঘাটে সুপারি চুরির অভিযোগ তুলে শিশুকে পিটিয়ে হত্যা, থানা ঘেরাও
Why this classification
This is a specific, recent incident in Haluaghat, Mymensingh, in which a 10-year-old boy was tied up and beaten to death by a local man over an alleged betel nut theft. The police said the killing had no political connection, and the later protest at the police station involved slogans but no physical clash.
Killed
1
Injured
0
Summary
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের হরিরামপুর বাউসা গ্রামে সুপারি চুরির অভিযোগে আতাহার আলী (৩০) নামে এক ব্যক্তি ১০ বছর বয়সী শিশু ইমন মিয়াকে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করেন। ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা হালুয়াঘাট থানায় বিক্ষোভ করেন, পুলিশের আশ্বাসে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
হালুয়াঘাটে সুপারি চুরির অভিযোগ তুলে শিশুকে পিটিয়ে হত্যা, থানা ঘেরাও
হালুয়াঘাটে সুপারি চুরির অভিযোগ তুলে শিশুকে পিটিয়ে হত্যা, থানা ঘেরাও প্রতীকী ছবি নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২২:৫৩ ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে সুপারি চুরির অভিযোগ তুলে ইমন মিয়া (১০) নামে এক শিশুকে হাত-পা বেঁধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলার হরিরামপুর বাউসা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধরা থানা চত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরিরামপুর বাউসা গ্রামের আতাহার আলী (৩০) সুপারি চুরির অভিযোগে শিশু ইমন মিয়াকে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে প্রচণ্ড মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটি ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে। খবর পেয়ে হালুয়াঘাট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। শিশু হত্যাকাণ্ডের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেলের সমর্থকদের দায়ী করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স তার সমর্থকদের নিয়ে হালুয়াঘাট থানার প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। এসময় বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা দীর্ঘক্ষণ স্লোগান দিতে থাকেন। পরে এমরান সালেহ প্রিন্স থানায় প্রবেশ করে নিহত শিশুর মরদেহ পরিদর্শন করেন। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশের আশ্বাসে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং অবস্থানকারীরা স্থান ত্যাগ করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল্লাহ আল মামুন সমকালকে জানান, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত আতাহার আলীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। - বিষয় : - হালুয়াঘাট - ময়মনসিংহ - পিটিয়ে হত্যা
