চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ শ্রমিকদল নেতার বিরেুদ্ধে

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

এটি একটি নির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা: ২৩ জুন পাবনার বেড়ায় এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মারধর ও মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর হাত-পা ভাঙা এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাই এটি সহিংসতা হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ।

Reported by:Dhaka PostSingle source
23/06/26•সি অ্যান্ড বি বাসস্ট্যান্ড এলাকা, বেড়া পৌরসভা

Killed

0

Injured

1

Summary

মঙ্গলবার (২৩ জুন) পাবনার বেড়ায় এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে বেধড়ক মারধর ও সোনার আংটি ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাঁথিয়া উপজেলা শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন সরদারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান পাবনা সদর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

মো. রিপন সরদার (সাঁথিয়া উপজেলা শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক)মরহম (করমজা চতুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি)মিজানুর রহমান (ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী)

Tags

ExtortionRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 24/06/26open original ↗

চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ শ্রমিকদল নেতার বিরেুদ্ধে

পাবনার বেড়া উপজেলার এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মারধর ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাঁথিয়া উপজেলা শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রিপন সরদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেড়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. মনজেল খানের দ্বিতীয় ছেলে ও ব্যবসায়ী মো. মিজানুর রহমান সি অ্যান্ড বি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি মার্কেট নির্মাণকাজ পরিচালনা করছেন। এ সময় সাঁথিয়া এলাকার কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী তার কাছে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকজন মোটরসাইকেলে এসে তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর মিজানুর রহমানকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এ সময় তার হাতে থাকা প্রায় দেড় ভরি ওজনের দুটি সোনার আংটি এবং নগদ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। মারধরের ফলে তার হাত ও পা ভেঙে গেছে বলে পরিবারের দাবি। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাইপ দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তিনি পাবনা সদর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অভিযুক্ত রিপন সরদার, করমজা চতুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মরহমসহ কয়েকজন তাদের পরিবারের কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। সে সময় সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হলে অভিযুক্তদের কাছ থেকে একটি মুচলেকা নেওয়া হয়। মুচলেকায় ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো ঘটনার দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর বর্তাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এরপর দীর্ঘদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও সম্প্রতি আবার চাঁদা দাবির ঘটনা শুরু হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। তারা আরও জানান, সে সময় সেনাবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে ওই মুচলেকা প্রদর্শন করে থানায় অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু আজ ২৩ জুন অপহরণ, মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনার পর মুচলেকাসহ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা। আহত ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের যৌথ পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কাছে আলাদাভাবে চাঁদা দাবি করা হতো। এর আগে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান হয়েছিল। সম্প্রতি আবার চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় আমাকে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। আমার প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা মূল্যের দুটি সোনার আংটি এবং নগদ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রিপন সরদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘ওরা আমাকে আগে মারছে তাই আমি মারছি। ওরা এর আগে সেনাবাহিনীর কাছে আমাকে নিয়ে অভিযোগ করেন কিন্তু সেনাবাহিনী সেই অভিযোগের কোন সত্যতা পায়নি বরং ওদেরকে পানিশমেন্ট দেওয়া হয়েছে। এরপর ওর ভাই আমাকে বলছে, ভাই যা হওয়ার হয়েছে আমরা সমস্যাটা সমাধান করে ফেলি কিন্তু ওরা এই সমস্যাটা সমাধান করেনি এবং ওরা এখনো আওয়ামী লীগ আমলের মত ভাব নিয়ে চলে। আমার লোকজন দুই একটা মেরেছে এটা নিয়ে মিথ্যা কথা বলে লাভ নাই। আর চাঁদা ও আংটির কথা মিথ্যা, আমি এটা নেইনি। আর আমি এই ধরনের রাজনীতি করিও না। মূলত ওরা আওয়ামী লীগ করে বলেই আজকে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।’ এ ঘটনায় বেড়া এবং সাঁথিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার। এ বিষয়ে বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার সরকার বলেন, ‘আমরা অভিযোগ পাওয়ার পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ভুক্তভোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে, উনি এলে উনার সঙ্গে কথা বলব।’ আরকে