প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

এটি একটি নির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ডের ঘটনা, যেখানে চোরাকারবারিরা ভুক্তভোগীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে। ঘটনাটি সম্প্রতি ঘটেছে এবং বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

Reported by:JugantorSingle source
17/05/26•রাজাই সীমান্ত গ্রাম, চাঁনপুর, তাহিরপুর

Killed

1

Injured

0

Summary

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বিজিবির সোর্স সন্দেহে চোরাকারবারিরা আঙ্গুর মিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। রোববার ভোরে তার লাশ উদ্ধার হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Bidi Smugglers

Victim side

Locals

Other actors

আঙ্গুর মিয়া (নিহত)হাজেরা খাতুন (স্ত্রী)আকরাম (চোরাকারবারি)মাফিক (চোরাকারবারি)হেলাল (চোরাকারবারি)

Tags

MurderDrug War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Bidi Smugglers

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 17/05/26open original ↗

প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন

প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম প্রকাশ্যে হত্যার ঘোষণা দিয়ে বিজিবির সোর্স সন্দেহে আঙ্গুর মিয়া নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে চোরাকারবারিরা। রোববার (১৭ মে) দুপুরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানা পুলিশ ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন। রোববার ভোর ৫টার দিকে বাড়ির অদূরে রাজাই মিশন স্কুলসংলগ্ন জমিতে স্থানীয় লোকজন আঙ্গুর মিয়ার লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানা পুলিশকে খবর দেন। নিহত আঙ্গুর মিয়া (৩৮) তাহিরপুরের উত্তর বড়দল ইউনিয়নের চাঁনপুর সীমান্তের রাজাই সীমান্ত গ্রামের মৃত আবুল মনসুর আলীর ছেলে। তিনি পেশায় কৃষি শ্রমিক ছিলেন। তার ৭ ছেলেমেয়ে রয়েছে। নিহতের স্ত্রী হাজেরা খাতুন জানান, শনিবার দিবাগত রাতে ২৮- বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের তাহিরপুরের চাঁনপুর বিওপির বিজিবির সদস্য ভারতীয় বিড়ির চালান আটকের পর আমাদের বাড়ির উঠানে আসেন। এরপর বিজিবি টহল দল বিড়ির চালান নিয়ে বিওপিতে (ক্যাম্পে) ফিরে যায়। তিনি আরও বলেন, বিজিবি টহল দল আমাদের বাড়ির উঠান থেকে চলে যাওয়ার পর বাড়ির অদূরে সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে থেকে তিন চোরাকারবারি আমার স্বামী আঙ্গুর মিয়ার গতিবিধির ওপর নজর রাখে। রাত ৩টার দিকে আমার ভাসুরের ছেলে সাগর ফোন করে ওই তিন ব্যক্তির নজরদারির বিষয়টি জানালে আমার স্বামী ঘর থেকে বের হয়ে তাদের শনাক্ত করতে গিয়ে ওই রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। এর আগে বিজিবি টহল দল বিওপিতে ফিরে যাওয়ার পর উপজেলার রাজাই সীমান্ত গ্রামের পেশাদার মাদক বিড়ি চোরাকারবারি আকরাম, মাফিক, হেলালসহ তিন থেকে চারজন সংঘবদ্ধ হয়ে আঙ্গুর মিয়ার বড় ভাইয়ের স্ত্রী সাদেকা খাতুনকে আগাম হুমকি দিয়ে আসে- ‘বিড়ির চালান বিজিবিকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য রাত পোহালেই প্রকাশ্যে আঙ্গুর মিয়াকে জবাই করে হত্যা করা হবে’। এদিকে আঙ্গুর মিয়ার লাশ পাওয়ার খবর জানাজানি হলে ভোররাত থেকে আত্মগোপনে চলে যায় উপজেলার রাজাই সীমান্ত গ্রামের পেশাদার মাদক বিড়ি চোরাকারবারি আকরাম, মাফিক, হেলালসহ তিন থেকে চার দুর্বৃত্ত। রোববার দুপুরে জানতে চাইলে ২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি) সুনামগঞ্জের অধিনায়ক লে. কর্নেল একেএম জাকারিয়া কাদির বলেন, নিহত ব্যক্তি বিজিবির সোর্স নন, চোরাকারবারিরা সন্দেহের জেরে এমন হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। নিহতের গলা, হাত, মুখ মণ্ডলে ধারাল ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পেয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম।